বাগেরহাট প্রতিনিধি: শেষ হয়েছে দুবলারচরের শুঁটকি মৌসুম। দীর্ঘ পাঁচ মাস সাগরে মাছ ধরা শেষে জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের অনেকেই বাড়ি ফিরে গেছেন। এদিকে, এ বছর বন বিভাগ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রেকর্ড পরিমাণ রাজস্ব আয় করেছে বলে জানা গেছে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছর অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহে দুবলারচরে শুঁটকি মৌসুম শুরু হয়ে ৩১ মার্চ মৌসুম শেষ হয়। দুবলার আলোরকোল, মাঝেরকেল্লা, শ্যালারচর ও নারিকেলবাড়িয়া এ চারটি চরে অবস্থান নিয়ে জেলেরা বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরে শুঁটকি করে থাকেন। এ বছর দুবলারচরে ১০ হাজার জেলে ও মৎস্যজীবী জড়ো হয়েছিলেন।
নারিকেলবাড়িয়ার জেলে শরণখোলার বিল্লাল সিকদার, আলোরকোলের জেলে রামপালের মোতাসিম ফরাজী, খুলনার ডুমুরিয়ার পংকজ চন্দ্র ও মাঝেরকেল্লার জেলে শরণখোলার ইউনুস ফকির বলেন, এ বছর আমাদের ব্যবসা মোটামুটি ভালো হয়েছে।
দুবলা ফিশারমেন গ্রুপের সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, আবহাওয়া অনেকটা অনুকূলে থাকায় জেলেরা সাগরে ভালো মাছ পেয়েছেন। বেশির ভাগ জেলে লোকসান কাটিয়ে এবার লাভের মুখ দেখেছেন বলে ফিশারমেন গ্রুপ সভাপতি জানিয়েছেন।
জেলেপল্লি দুবলা ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রহলাদ চন্দ্র রায় গণমাধ্যমকে বলেন, পাঁচ মাসের দুবলার শুঁটকি মৌসুম শেষ হয়েছে। অনেক জেলে ইতিমধ্যে বাড়ি ফিরে গেছেন। এখনো যারা রয়েছেন তাদের ৩১ মার্চের মধ্যে চলে যেতে হবে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করেছে বন বিভাগ। এ বছর ৩ কোটি ২২ লাখ টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বন বিভাগ ২৯ মার্চ পর্যন্ত রাজস্ব আদায় করেছে ৪ কোটি ১৮ লাখ ৫৯ হাজার ৯৫৪ টাকা। দুবলায় ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩ কোটি ২২ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছিল বলে ঐ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন।



