নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীতে গড়ে উঠেছে এক ভয়ংকর মাদকের নেটওয়ার্ক। আভিজাত্য, কোটি টাকার গাড়ি আর দামি পোশাকের আড়ালে ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান আশিক নামের এক যুবক এই চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বনানীর প্রেসক্রিপশন পয়েন্ট রোড এলাকার একটি বাড়িতে বসবাসকারী এই তরুণের প্রধান লক্ষ্য গুলশান-বনানীর সচ্ছল পরিবারের তরুণ-তরুণীরা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, আভিজাত্য ও মার্জিত পোশাকের আড়ালে আশিক দীর্ঘদিন ধরে অভিজাত এলাকায় ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক সরবরাহ করে আসছেন। উচ্চশিক্ষিত ও অত্যন্ত কৌশলী হওয়ায় বাহ্যিকভাবে তাকে দেখে অপরাধ চক্রের কেউ বলে মনে হয় না। কেবল একটি ফোনকলেই চাহিদামতো স্থানে পৌঁছে যায় ইয়াবার চালান। হোম ডেলিভারির পাশাপাশি তার অধীনে কাজ করছে একাধিক সেলসম্যান, যারা পুরো এলাকায় গোপনে এই কার্যক্রম পরিচালনা করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কোনো কারণে তার নিয়োগ করা সেলসম্যান আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়লে আশিক তার পারিবারিক ও আর্থিক প্রভাব খাটিয়ে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে থানা থেকেই তাদের ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন। কোটি টাকার নিজস্ব গাড়ি ব্যবহার করে প্রকাশ্যে চলাফেরা করলেও চতুরতার কারণে তিনি এতদিন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছেন।

প্রেসক্রিপশন পয়েন্ট রোড এলাকার একাধিক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ প্রতিবেদকে জানান, “বাহ্যিক আচরণ ও পারিবারিক পরিচয়ের কারণে প্রথমদিকে তাকে কেউ সন্দেহ করেনি। কিন্তু উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের এভাবে মাদকের জালে জড়াতে দেখে এলাকার অভিভাবকরা অত্যন্ত শঙ্কিত। আইনের তোয়াক্কা না করে কীভাবে এক যুবক পুরো এলাকায় মাদকের সিন্ডিকেট গড়ে তুলল, তা বোধগম্য নয়।”

এ বিষয়ে বনানী থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, “মাদকের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। প্রভাবশালী পরিবার কিংবা উচ্চশিক্ষার আড়ালে কেউ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলে তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। অভিযোগ ও তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দ্রুতই এই চক্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ইয়াবা সেবনের ফলে দিনে পাগল ও পশুতে পরিনত হচ্ছে লাখ লাখ তরুণ-তরুণী। অভিজাত এলাকার তরুণ সমাজকে মাদকের এই ভয়ংকর থাবা থেকে রক্ষা করতে দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীতে গড়ে উঠেছে এক ভয়ংকর মাদকের নেটওয়ার্ক। আভিজাত্য, কোটি টাকার গাড়ি আর দামি পোশাকের আড়ালে ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান আশিক নামের এক যুবক এই চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বনানীর প্রেসক্রিপশন পয়েন্ট রোড এলাকার একটি বাড়িতে বসবাসকারী এই তরুণের প্রধান লক্ষ্য গুলশান-বনানীর সচ্ছল পরিবারের তরুণ-তরুণীরা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, আভিজাত্য ও মার্জিত পোশাকের আড়ালে আশিক দীর্ঘদিন ধরে অভিজাত এলাকায় ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক সরবরাহ করে আসছেন। উচ্চশিক্ষিত ও অত্যন্ত কৌশলী হওয়ায় বাহ্যিকভাবে তাকে দেখে অপরাধ চক্রের কেউ বলে মনে হয় না। কেবল একটি ফোনকলেই চাহিদামতো স্থানে পৌঁছে যায় ইয়াবার চালান। হোম ডেলিভারির পাশাপাশি তার অধীনে কাজ করছে একাধিক সেলসম্যান, যারা পুরো এলাকায় গোপনে এই কার্যক্রম পরিচালনা করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কোনো কারণে তার নিয়োগ করা সেলসম্যান আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়লে আশিক তার পারিবারিক ও আর্থিক প্রভাব খাটিয়ে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে থানা থেকেই তাদের ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন। কোটি টাকার নিজস্ব গাড়ি ব্যবহার করে প্রকাশ্যে চলাফেরা করলেও চতুরতার কারণে তিনি এতদিন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছেন।

প্রেসক্রিপশন পয়েন্ট রোড এলাকার একাধিক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ প্রতিবেদকে জানান, “বাহ্যিক আচরণ ও পারিবারিক পরিচয়ের কারণে প্রথমদিকে তাকে কেউ সন্দেহ করেনি। কিন্তু উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের এভাবে মাদকের জালে জড়াতে দেখে এলাকার অভিভাবকরা অত্যন্ত শঙ্কিত। আইনের তোয়াক্কা না করে কীভাবে এক যুবক পুরো এলাকায় মাদকের সিন্ডিকেট গড়ে তুলল, তা বোধগম্য নয়।”

এ বিষয়ে বনানী থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, “মাদকের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। প্রভাবশালী পরিবার কিংবা উচ্চশিক্ষার আড়ালে কেউ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলে তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। অভিযোগ ও তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দ্রুতই এই চক্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ইয়াবা সেবনের ফলে দিনে পাগল ও পশুতে পরিনত হচ্ছে লাখ লাখ তরুণ-তরুণী। অভিজাত এলাকার তরুণ সমাজকে মাদকের এই ভয়ংকর থাবা থেকে রক্ষা করতে দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।