দি ক্রাইম ডেস্ক: রবিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণঅধিকার পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, “নতুন বন্দোবস্তের কথা বলে পুরনো বন্দোবস্তের পথে গেলে রাজনীতি টিকবে না। যারা নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের কথা বলছেন, তাদের উচিত, জনগণের সামনে সেই রূপরেখা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা। জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করে বেশি দিন রাজনীতি করা যাবে না।”

রবিবার (১৯ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণঅধিকার পরিষদ আয়োজিত ‘রক্তস্নাত জুলাই: প্রেক্ষাপট, রক্তের ঋণ এবং কোন পথে বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সাংবিধানিক কাঠামোর বাইরে রাষ্ট্র সংস্কার সম্ভব নয়। অথচ, যারা জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দাবি করছে, তারা সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশ নেয়নি। জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন করা হবে। সংবিধান সংশোধন কমিটি, শিক্ষক, আইনজীবীসহ সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করেই প্রয়োজনীয় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

তিনি বলেন, “রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য শুধু আইন প্রণয়ন যথেষ্ট নয়। রাষ্ট্রের কাঠামোগত পরিবর্তনের জন্য সাংবিধান সংশোধন অপরিহার্য। এ কারণেই সরকার রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কারের অঙ্গীকার করেছে। অন্তর্বতী সরকারের সময়ে জারি করা প্রায় ১৩৩টি অধ্যাদেশের অধিকাংশই বর্তমান সরকার আইনে পরিণত করেছে। যেগুলোতে আরো সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে, সেগুলো অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে সংশোধন করা হবে।”

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “মতভেদ থাকবে, রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা থাকবে। কিন্তু, জাতীয় প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বিভেদমূলক বক্তব্য কেবল স্বৈরাচারের ফিরে আসার পথই প্রশস্ত করবে। আমরা আর কখনো চাই না, গণতন্ত্রের জন্য এ দেশের মানুষকে রক্ত দিতে হোক। তাই, সংসদীয় গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্যকে আরো শক্তিশালী করতে হবে।”

গণভোট প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু মৌলিক বিষয়ে সংশোধন আনা হলে গণভোটের বিধান রয়েছে। তবে, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত গণভোট সাংবিধানিক গণভোট ছিল না। এটি প্রশাসনিক আদেশের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।”

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ও গণঅধিকার পরিষদের কেন্ত্রীয় কমিটির নেতাকর্মীরা।

দি ক্রাইম ডেস্ক: রবিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণঅধিকার পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, “নতুন বন্দোবস্তের কথা বলে পুরনো বন্দোবস্তের পথে গেলে রাজনীতি টিকবে না। যারা নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের কথা বলছেন, তাদের উচিত, জনগণের সামনে সেই রূপরেখা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা। জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করে বেশি দিন রাজনীতি করা যাবে না।”

রবিবার (১৯ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণঅধিকার পরিষদ আয়োজিত ‘রক্তস্নাত জুলাই: প্রেক্ষাপট, রক্তের ঋণ এবং কোন পথে বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সাংবিধানিক কাঠামোর বাইরে রাষ্ট্র সংস্কার সম্ভব নয়। অথচ, যারা জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দাবি করছে, তারা সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশ নেয়নি। জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন করা হবে। সংবিধান সংশোধন কমিটি, শিক্ষক, আইনজীবীসহ সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করেই প্রয়োজনীয় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

তিনি বলেন, “রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য শুধু আইন প্রণয়ন যথেষ্ট নয়। রাষ্ট্রের কাঠামোগত পরিবর্তনের জন্য সাংবিধান সংশোধন অপরিহার্য। এ কারণেই সরকার রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কারের অঙ্গীকার করেছে। অন্তর্বতী সরকারের সময়ে জারি করা প্রায় ১৩৩টি অধ্যাদেশের অধিকাংশই বর্তমান সরকার আইনে পরিণত করেছে। যেগুলোতে আরো সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে, সেগুলো অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে সংশোধন করা হবে।”

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “মতভেদ থাকবে, রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা থাকবে। কিন্তু, জাতীয় প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বিভেদমূলক বক্তব্য কেবল স্বৈরাচারের ফিরে আসার পথই প্রশস্ত করবে। আমরা আর কখনো চাই না, গণতন্ত্রের জন্য এ দেশের মানুষকে রক্ত দিতে হোক। তাই, সংসদীয় গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্যকে আরো শক্তিশালী করতে হবে।”

গণভোট প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু মৌলিক বিষয়ে সংশোধন আনা হলে গণভোটের বিধান রয়েছে। তবে, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত গণভোট সাংবিধানিক গণভোট ছিল না। এটি প্রশাসনিক আদেশের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।”

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ও গণঅধিকার পরিষদের কেন্ত্রীয় কমিটির নেতাকর্মীরা।