দি ক্রাইম রিপোর্ট: সারাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই)সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শুরু হচ্ছে ।সনাতনী রীতি অনুযায়ী প্রতি বছর আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে এ উৎসবের সূচনা হয়। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও নানা ধর্মীয় আয়োজনের মধ্য দিয়ে এবারও ৯ দিনব্যাপী রথযাত্রা উৎসব উদযাপন করা হবে।

আগামীকাল সকাল ৮টায় রাজধানীর স্বামীবাগ মন্দিরে বিশ্বশান্তি ও মঙ্গল কামনায় অগ্নিহোত্র যজ্ঞের মাধ্যমে উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর দুপুর ১টায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনা সভা শেষে বিকেল ৩টায় মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের বর্ণাঢ্য রথযাত্রা বের হবে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে রথটি ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে পৌঁছাবে।

আগামী ২৫ জুলাই বিকেল ৩টায় উল্টো রথের শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শেষ হবে ৯ দিনব্যাপী এই ধর্মীয় উৎসব।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, জগন্নাথদেব হলেন জগতের নাথ বা অধীশ্বর। ‘জগৎ’ অর্থ বিশ্ব এবং ‘নাথ’ অর্থ ঈশ্বর। সেই বিশ্বাস থেকেই জগন্নাথকে জগতের ঈশ্বর হিসেবে পূজা করা হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, তাঁর কৃপা লাভ করলে মোক্ষ বা মুক্তিলাভ সম্ভব এবং পুনর্জন্মের বন্ধন থেকে মুক্তি মেলে। এ বিশ্বাসের প্রতিফলন হিসেবেই জগন্নাথদেবের প্রতিমূর্তি রথে স্থাপন করে শোভাযাত্রা বের করা হয়।

রথযাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত ৯ দিনব্যাপী কর্মসূচিতে রয়েছে হরিনাম সংকীর্তন, বিশ্বশান্তি ও মঙ্গল কামনায় অগ্নিহোত্র যজ্ঞ, মহাপ্রসাদ বিতরণ, আলোচনা সভা, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, পদাবলী কীর্তন, আরতি কীর্তন, ভগবত কথা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শ্রীমদ্ভাগবত গীতা পাঠ, ধর্মীয় চলচ্চিত্র প্রদর্শন এবং ধর্মীয় নাটক মঞ্চায়ন।

রথযাত্রার দিন অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের।

আয়োজকদের তথ্যমতে, রাজধানীর স্বামীবাগ আশ্রম থেকে রথযাত্রা শুরু হয়ে জয়কালী মন্দির, ইত্তেফাক মোড়, শাপলা চত্বর, দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন মোড়, জাতীয় প্রেসক্লাব, হাইকোর্ট, দোয়েল চত্বর, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও পলাশী মোড় হয়ে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে গিয়ে শেষ হবে। পরে ২৫ জুলাই বিকেলে একই পথে উল্টো রথের শোভাযাত্রা ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে স্বামীবাগ আশ্রমে ফিরে আসবে।

রথযাত্রা উপলক্ষে সরকার, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি প্রায় ৫০০ স্বেচ্ছাসেবক শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকবেন।

এ ছাড়া রাজধানীর পুরান ঢাকার তাঁতীবাজারের জগন্নাথ জিউ ঠাকুর মন্দির, জয়কালী রোডের রামসীতা মন্দির, শাঁখারীবাজার একনাম কমিটিসহ রাজধানীর বিভিন্ন মন্দির এবং দেশের নানা স্থানের মন্দিরেও রথযাত্রা ও রথটান উৎসব উদযাপিত হবে।

দি ক্রাইম রিপোর্ট: সারাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই)সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শুরু হচ্ছে ।সনাতনী রীতি অনুযায়ী প্রতি বছর আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে এ উৎসবের সূচনা হয়। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও নানা ধর্মীয় আয়োজনের মধ্য দিয়ে এবারও ৯ দিনব্যাপী রথযাত্রা উৎসব উদযাপন করা হবে।

আগামীকাল সকাল ৮টায় রাজধানীর স্বামীবাগ মন্দিরে বিশ্বশান্তি ও মঙ্গল কামনায় অগ্নিহোত্র যজ্ঞের মাধ্যমে উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর দুপুর ১টায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনা সভা শেষে বিকেল ৩টায় মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের বর্ণাঢ্য রথযাত্রা বের হবে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে রথটি ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে পৌঁছাবে।

আগামী ২৫ জুলাই বিকেল ৩টায় উল্টো রথের শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শেষ হবে ৯ দিনব্যাপী এই ধর্মীয় উৎসব।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, জগন্নাথদেব হলেন জগতের নাথ বা অধীশ্বর। ‘জগৎ’ অর্থ বিশ্ব এবং ‘নাথ’ অর্থ ঈশ্বর। সেই বিশ্বাস থেকেই জগন্নাথকে জগতের ঈশ্বর হিসেবে পূজা করা হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, তাঁর কৃপা লাভ করলে মোক্ষ বা মুক্তিলাভ সম্ভব এবং পুনর্জন্মের বন্ধন থেকে মুক্তি মেলে। এ বিশ্বাসের প্রতিফলন হিসেবেই জগন্নাথদেবের প্রতিমূর্তি রথে স্থাপন করে শোভাযাত্রা বের করা হয়।

রথযাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত ৯ দিনব্যাপী কর্মসূচিতে রয়েছে হরিনাম সংকীর্তন, বিশ্বশান্তি ও মঙ্গল কামনায় অগ্নিহোত্র যজ্ঞ, মহাপ্রসাদ বিতরণ, আলোচনা সভা, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, পদাবলী কীর্তন, আরতি কীর্তন, ভগবত কথা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শ্রীমদ্ভাগবত গীতা পাঠ, ধর্মীয় চলচ্চিত্র প্রদর্শন এবং ধর্মীয় নাটক মঞ্চায়ন।

রথযাত্রার দিন অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের।

আয়োজকদের তথ্যমতে, রাজধানীর স্বামীবাগ আশ্রম থেকে রথযাত্রা শুরু হয়ে জয়কালী মন্দির, ইত্তেফাক মোড়, শাপলা চত্বর, দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন মোড়, জাতীয় প্রেসক্লাব, হাইকোর্ট, দোয়েল চত্বর, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও পলাশী মোড় হয়ে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে গিয়ে শেষ হবে। পরে ২৫ জুলাই বিকেলে একই পথে উল্টো রথের শোভাযাত্রা ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে স্বামীবাগ আশ্রমে ফিরে আসবে।

রথযাত্রা উপলক্ষে সরকার, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি প্রায় ৫০০ স্বেচ্ছাসেবক শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকবেন।

এ ছাড়া রাজধানীর পুরান ঢাকার তাঁতীবাজারের জগন্নাথ জিউ ঠাকুর মন্দির, জয়কালী রোডের রামসীতা মন্দির, শাঁখারীবাজার একনাম কমিটিসহ রাজধানীর বিভিন্ন মন্দির এবং দেশের নানা স্থানের মন্দিরেও রথযাত্রা ও রথটান উৎসব উদযাপিত হবে।