সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও: ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনে আওয়ামী সরকারের পতন হলে দেশজুড়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগের রাঘব বোয়ালরা জনরোষের ভয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। তারা দীর্ঘ সময় পলাতক থাকায় ইউনিয়ন পরিষদে জনসাধারণের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসক নিয়োগ দিতে বাধ্য হয় অন্তবর্তী সরকার।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী কক্সবাজারের কয়েকটি ইউনিয়নে লীগের পলাতক ইউপি চেয়ারম্যানরা আবার স্ব-পদ ফিরে পেতে তৎপর হয়ে উঠেছেন। তৎমধ্যে জোর তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন ঈদগাঁও উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নে আ’লীগের চেয়ারম্যান ও একাধিক মামলার আসামি রফিক আহমদ। তিনি ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসকের কাছে পদ ফেরতের আবেদন করেছেন। তিনি বর্ণিত ইউনিয়নের ফকিরপাড়া মধ্যম পোকখালী গ্রামের মৃত নুরুল হক মিয়ার পুত্র।

এদিকে রফিক চেয়ারম্যানকে ফেরত আনতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কতিপয় স্থানীয় নেতা অর্থের বিনিময়ে নেপথ্যে কলকাঠি নাড়ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। যার কারণে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জনসাধারণের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি স্থানীয় রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা।

সুত্রটি জানায়, রফিক আহমদ চেয়ারম্যান ৫ আগষ্টের পরে দীর্ঘদিন পলাতক অবস্থায় পরিষদের কার্যক্রম চালিয়ে যান। একপর্যায়ে থানা পুলিশ তাকে আটকের পর একটি পক্ষ চেয়ারম্যান পদে বসতে নানা জোর তদবির শুরু করেন। বিধি মোতাবেক অল্প কিছুদিন প্যানেল চেয়ারম্যান ছৈয়দ নুর দায়িত্ব পালন করলেও অপরাপর সদস্যদের অনৈক্যর কারণে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ঈদগাঁও উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবদুর রহমানকে পোকখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হিসাবে দায়িত্ব দেয়া হয়। তিনি পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে মর্মে জনসাধারণের ভুয়া দাবীর মুখে জেলা প্রশাসনের নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসক বাতিল করে পুনরায় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিক আহমদকে চেয়ারম্যান এর দায়িত্ব ও পদ ফিরিয়ে দিতে একটি পক্ষ তদবির শুরু করেন। অথচ তার বিরুদ্ধে ভোট ডাকাতি, হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত পুর্বক পরিষদের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার নিমিত্তে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সাংসদ লুৎফুর রহমান কাজলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর সারা দেশের মতো ঈদগাঁওয়ে আওয়ামী লীগের জনপ্রতিনিধিরাও পালিয়ে যায়। কেউ কেউ গা ঢাকা দেয়। স্থবির হয়ে পড়ে সেবা কার্যক্রম।

তখন পোকখালী ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রমের পরিচালনা ও জনসাধারণের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছিলো জেলা প্রশাসন। কিন্তু অদৃশ্য কারণে চলমান থাকা কার্যক্রম ব্যাহত করে আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের চেয়ারম্যান পদ ফিরিয়ে দেয়ার খবরে জনসাধারণের মাঝে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে, আবারও ফ্যাসিবাদ কার্যক্রম প্রতিষ্ঠা পেতে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা বলেন, রফিককে চেয়ারম্যান পদ ফিরিয়ে দিলে হতাশ হওয়া ছাড়া আর কিছুই নেই। আওয়ামী লীগের দোসর কিভাবে আবার ফিরে আসে। তিনি তো একজন দুর্নীতিবাজ।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে রফিক আহমদ বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে তা সত্য নয়।

এছাড়া আমাদের এখানে আওয়ামীগ ও বিএনপির মধ্যে কোন দ্বন্দ নেই। প্রয়োজনে পুলিশ ও ইউএনও অফিস থেকে রিপোর্ট নিয়ে হলেও তার চেয়ারম্যান পদ ফিরিয়ে দেয়ার দাবী করেন তিনি।

সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও: ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনে আওয়ামী সরকারের পতন হলে দেশজুড়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগের রাঘব বোয়ালরা জনরোষের ভয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। তারা দীর্ঘ সময় পলাতক থাকায় ইউনিয়ন পরিষদে জনসাধারণের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসক নিয়োগ দিতে বাধ্য হয় অন্তবর্তী সরকার।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী কক্সবাজারের কয়েকটি ইউনিয়নে লীগের পলাতক ইউপি চেয়ারম্যানরা আবার স্ব-পদ ফিরে পেতে তৎপর হয়ে উঠেছেন। তৎমধ্যে জোর তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন ঈদগাঁও উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নে আ’লীগের চেয়ারম্যান ও একাধিক মামলার আসামি রফিক আহমদ। তিনি ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসকের কাছে পদ ফেরতের আবেদন করেছেন। তিনি বর্ণিত ইউনিয়নের ফকিরপাড়া মধ্যম পোকখালী গ্রামের মৃত নুরুল হক মিয়ার পুত্র।

এদিকে রফিক চেয়ারম্যানকে ফেরত আনতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কতিপয় স্থানীয় নেতা অর্থের বিনিময়ে নেপথ্যে কলকাঠি নাড়ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। যার কারণে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জনসাধারণের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি স্থানীয় রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা।

সুত্রটি জানায়, রফিক আহমদ চেয়ারম্যান ৫ আগষ্টের পরে দীর্ঘদিন পলাতক অবস্থায় পরিষদের কার্যক্রম চালিয়ে যান। একপর্যায়ে থানা পুলিশ তাকে আটকের পর একটি পক্ষ চেয়ারম্যান পদে বসতে নানা জোর তদবির শুরু করেন। বিধি মোতাবেক অল্প কিছুদিন প্যানেল চেয়ারম্যান ছৈয়দ নুর দায়িত্ব পালন করলেও অপরাপর সদস্যদের অনৈক্যর কারণে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ঈদগাঁও উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবদুর রহমানকে পোকখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হিসাবে দায়িত্ব দেয়া হয়। তিনি পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে মর্মে জনসাধারণের ভুয়া দাবীর মুখে জেলা প্রশাসনের নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসক বাতিল করে পুনরায় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিক আহমদকে চেয়ারম্যান এর দায়িত্ব ও পদ ফিরিয়ে দিতে একটি পক্ষ তদবির শুরু করেন। অথচ তার বিরুদ্ধে ভোট ডাকাতি, হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত পুর্বক পরিষদের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার নিমিত্তে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সাংসদ লুৎফুর রহমান কাজলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর সারা দেশের মতো ঈদগাঁওয়ে আওয়ামী লীগের জনপ্রতিনিধিরাও পালিয়ে যায়। কেউ কেউ গা ঢাকা দেয়। স্থবির হয়ে পড়ে সেবা কার্যক্রম।

তখন পোকখালী ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রমের পরিচালনা ও জনসাধারণের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছিলো জেলা প্রশাসন। কিন্তু অদৃশ্য কারণে চলমান থাকা কার্যক্রম ব্যাহত করে আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের চেয়ারম্যান পদ ফিরিয়ে দেয়ার খবরে জনসাধারণের মাঝে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে, আবারও ফ্যাসিবাদ কার্যক্রম প্রতিষ্ঠা পেতে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা বলেন, রফিককে চেয়ারম্যান পদ ফিরিয়ে দিলে হতাশ হওয়া ছাড়া আর কিছুই নেই। আওয়ামী লীগের দোসর কিভাবে আবার ফিরে আসে। তিনি তো একজন দুর্নীতিবাজ।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে রফিক আহমদ বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে তা সত্য নয়।

এছাড়া আমাদের এখানে আওয়ামীগ ও বিএনপির মধ্যে কোন দ্বন্দ নেই। প্রয়োজনে পুলিশ ও ইউএনও অফিস থেকে রিপোর্ট নিয়ে হলেও তার চেয়ারম্যান পদ ফিরিয়ে দেয়ার দাবী করেন তিনি।