দি ক্রাইম ডেস্ক: আনোয়ারায় গত মঙ্গলবার দুপুরে বৈরাগ ইউনিয়নের আশ্রয়ণ প্রকল্পে শাশুড়ির বাসায় গলায় ফাঁস লাগানো গৃহবধূ সুমি আক্তার (২৮) ও তার দেড় বছর বয়সী কন্যা ওয়াসিহার মৃত্যুর ঘটনায় থানায় স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে। গতকাল বুধবার নিহতের বড় ভাই নজরুল ইসলাম (৩৫) বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত স্বামী সিএনজি চালক মোহাম্মদ মিজানকে গ্রেপ্তার করে। গতকাল নিহত গৃহবধূ এবং শিশুর মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
স্থানীয়রা জানায়, নিহত সুমি আকতার ও তার স্বামী মিজানের সংসারে প্রায় সময় ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকতো। কথা কাটাকাটি এমন কি মারধরের ঘটনাও ঘটতো। তবে গত মঙ্গলবার গৃহবধূ সুমি এবং তার দেড় বছরের শিশুর ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত মরদেহ পুলিশ উদ্ধারের পর ঘটনাটি পুরো এলাকার মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। স্থানীয়দের দাবি, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে এই ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে দায়ীদের আইনের মাধ্যমে কঠিন শাস্তি দিতে হবে। এদিকে অভিযুক্ত সিএনজি চালক মোহাম্মদ মিজানের পরিবারের দাবি, এটি কোনো হত্যাকাণ্ড নয়, এটি আত্মহত্যা।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী জানান, গৃহবধূ সুমি আকতার ও তার দেড় বছরের শিশু সন্তানের ফাঁস লাগানো মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নিহতের বড় ভাই থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী ও শাশুড়িকে আসামি করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, যেহেতু ঘটনাটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক, আমরা এটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত চূড়ান্তভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।




