নিজস্ব প্রতিবেদক, চকরিয়া : চট্টগ্রামের বন সংরক্ষক ড. মোল্যা রেজাউল করিম চট্টগ্রামে যোগদানের পর থেকে বন বিভাগের কর্মকর্তারা নড়েছড়ে বসেছে। দীর্ঘদিন ধরে একই কর্মস্থলে ঘাপটি মেরে থাকা অসৎ কর্মকর্তাদের আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন তিনি। দুর্নীতি ও অবৈধ আয়ের পথ বন্ধ ও নিয়মিত বদলী চালু করায় তার বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে অনিয়মের অভিযোগ তুলে অপদস্ত করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে কিছু বন কর্মকর্তা।

চট্টগ্রাম বন সংরক্ষক এর অধীনে ১০টি বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয় রয়েছে। এসব বনবিভাগ সমুহে দীর্ঘদিন যাবত কুক্ষিগত করে রেখেছে অসাধু দুর্নীতিবাজ বনবিভাগের লুটেরা সিন্ডিকেট। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তৎকালীন মন্ত্রী হাসান মাহমুদের পৃষ্টপোষকতায় ও বন বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আস্কারায় ধরাকে সরা জ্ঞান করে নিয়ম নীতির উপেক্ষা করে বন ও বনজসম্পদ লুটের মহোৎসবে মেতেছিল এই সিন্ডিকেটের চিহ্নিত ফ্যাসিস্টরা। বনের জমি বিক্রি, সংরক্ষিত বনের অভ্যন্তরে বালু উত্তোলণ, পাহাড় কাটা, মাটিকাটা ও বিক্রি করা, গাছ ও কাঠ পাচার এক স্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত অধ্যায়ে রুপান্তরিত হয়।

জাতীয় সম্পদ বন রক্ষার দায়িত্বে থাকা রক্ষকেরা যেন ভক্ষকে রুপান্তরিত হয়ে এক একজন স্বল্পতম সময়ে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গিয়েছে। বনায়নের নামে চলেছে হরিলুট। শুধুমাত্র সুফল প্রকল্পের অর্থায়নে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ৪৭৮০০ হেক্টর বনভূমিতে ১৩ কোটি ৮৫ হাজার গাছ রোপনের বিপরীতে মোট বরাদ্দ ছিল ৬৬৪ কোটি টাকা। আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এই সিন্ডিকেটের লুটের কারণে বর্তমানে এসব বনায়নের দুই কোটি চারাও খুঁজে পাওয়া যাবে না।

বন খেকো এসব অসাধুদের লোভের খোরাক হয়ে ১০টি বনবিভাগে প্রায় ৮২০০০ একর বনভূমি বেদখল হয়েছে অবলীলায়। কিন্তু এই বনভূমি রক্ষার নায়কেরা কর্মস্থলে উপস্থিত না থেকে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে আরাম আয়েশে ফুর্তি মাস্তিতে মত্ত থাকা, সিনিয়রদের পদলেহন করা এবং তোষামদির কাজে লিপ্ত ছিল। ৩০-৩৫ হাজার টাকা মাসিক বেতনের এসব কর্মচারীরা এখন প্রত্যেকে কোটি কোটি টাকা মূল্যের বিলাস বহুল গাড়ি বাড়ি অট্টালিকার মালিক।

২০২৪ সালের আগষ্ট বিপ্লবে দেশে ছাত্রজনতার বুকের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়ে প্রতিষ্টিত অন্তবর্তিকালীন সরকার দেশের অন্যান্য সেক্টরের ন্যায় বনবিভাগের পরিশুদ্ধতা আনয়নের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন অঞ্চলের বন সংরক্ষক হিসেবে পদায়ন করেন ড. মোল্যা রেজাউল করিমকে। তিনি যোগদানের পরে বনবিভাগের স্থবিরতা নিরসন করে কাজের গতিশীলতা আনা এবং সঙঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের লুটপাট বন্ধ করার লক্ষ্যে নিয়মিত বদলী-পদায়ন, মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত টহল-প্রহরা ও বনজ সম্পদ রক্ষায় সকলকে সাথে নিয়ে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন এবং নানামূখি শুদ্ধি কার্যক্রম শুরু করেন তিনি। এমনকি দুর্নীতির দায়ে বেশকিছু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কথেক বন কর্মকর্তারা ডঃ মোল্যা রেজাউল করিম এর বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রপাগন্ডা ছড়াচ্ছে ভুয়া ফেসবুক পেইজ থেকে ও নাম ঠিকানা বিহীন অনিবন্ধিত সংবাদ মাধ্যমে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে আবারো পুরনো কর্মস্থলে ফেরার চেষ্টা চালাচ্ছে বিভিন্ন সময়ে বদলী হওয়া কর্মকর্তারা। পুরানো হাতছাড়া লুটপাটের স্বর্গরাজ্য পুনরুদ্ধারে মরিয়া হয়ে তার বিরুদ্ধে অপবাদ রটানো সহ নানান নিকৃষ্ট সব পন্থায় তাকে সম্মানহানীর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

জানা যায়, তিনি ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন সংরক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তার অধীনে ১০টি বনবিভাগ রয়েছে। তিনি যোগদানের পর থেকে বন বিভাগের গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে তিনি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তার এ উদ্যোগকে বনবিভাগের সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক সব কর্মকর্তা কর্মচারীরা সাধুবাদ জানালেও মুস্টিমেয় হাতেগোনা চিহ্নিত অসৎ কিছু কর্মকর্তা তার এসব ভাল উদ্যোগকে মেনে নিতে পারেনি। তিনি নিয়মিত বদলী, বন বিভাগের জমি জবর দখলমুক্ত, বন বিভাগকে কলঙ্কমুক্ত করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ডঃ মোল্যা রেজাউল করিম এর দৃঢ় সহসী ও বন বান্ধব তৎপরতার কারনে ইতোমধ্যে এই সার্কেলে বনের জমি জবরদখল হওয়া, বালু ও মাটি কাটা, গাছ ও কাঠ পাচারের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান যুগান্তকারী প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছে।

এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে ড. মোল্যা রেজাউল করিম বলেন, কোন অনিয়মকে আমি প্রশ্রয় দিব না। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমি জিরো টলারেন্স নীতি অনুস্মরন করছি। অনাগত প্রজম্মের জন্য পরিবেশ ভারসাম্যপূর্ণ একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ বিনির্মানে সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য ও সহযোগিতা করার জন্য তিনি আহবান জানান।

নিজস্ব প্রতিবেদক, চকরিয়া : চট্টগ্রামের বন সংরক্ষক ড. মোল্যা রেজাউল করিম চট্টগ্রামে যোগদানের পর থেকে বন বিভাগের কর্মকর্তারা নড়েছড়ে বসেছে। দীর্ঘদিন ধরে একই কর্মস্থলে ঘাপটি মেরে থাকা অসৎ কর্মকর্তাদের আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন তিনি। দুর্নীতি ও অবৈধ আয়ের পথ বন্ধ ও নিয়মিত বদলী চালু করায় তার বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে অনিয়মের অভিযোগ তুলে অপদস্ত করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে কিছু বন কর্মকর্তা।

চট্টগ্রাম বন সংরক্ষক এর অধীনে ১০টি বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয় রয়েছে। এসব বনবিভাগ সমুহে দীর্ঘদিন যাবত কুক্ষিগত করে রেখেছে অসাধু দুর্নীতিবাজ বনবিভাগের লুটেরা সিন্ডিকেট। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তৎকালীন মন্ত্রী হাসান মাহমুদের পৃষ্টপোষকতায় ও বন বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আস্কারায় ধরাকে সরা জ্ঞান করে নিয়ম নীতির উপেক্ষা করে বন ও বনজসম্পদ লুটের মহোৎসবে মেতেছিল এই সিন্ডিকেটের চিহ্নিত ফ্যাসিস্টরা। বনের জমি বিক্রি, সংরক্ষিত বনের অভ্যন্তরে বালু উত্তোলণ, পাহাড় কাটা, মাটিকাটা ও বিক্রি করা, গাছ ও কাঠ পাচার এক স্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত অধ্যায়ে রুপান্তরিত হয়।

জাতীয় সম্পদ বন রক্ষার দায়িত্বে থাকা রক্ষকেরা যেন ভক্ষকে রুপান্তরিত হয়ে এক একজন স্বল্পতম সময়ে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গিয়েছে। বনায়নের নামে চলেছে হরিলুট। শুধুমাত্র সুফল প্রকল্পের অর্থায়নে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ৪৭৮০০ হেক্টর বনভূমিতে ১৩ কোটি ৮৫ হাজার গাছ রোপনের বিপরীতে মোট বরাদ্দ ছিল ৬৬৪ কোটি টাকা। আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এই সিন্ডিকেটের লুটের কারণে বর্তমানে এসব বনায়নের দুই কোটি চারাও খুঁজে পাওয়া যাবে না।

বন খেকো এসব অসাধুদের লোভের খোরাক হয়ে ১০টি বনবিভাগে প্রায় ৮২০০০ একর বনভূমি বেদখল হয়েছে অবলীলায়। কিন্তু এই বনভূমি রক্ষার নায়কেরা কর্মস্থলে উপস্থিত না থেকে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে আরাম আয়েশে ফুর্তি মাস্তিতে মত্ত থাকা, সিনিয়রদের পদলেহন করা এবং তোষামদির কাজে লিপ্ত ছিল। ৩০-৩৫ হাজার টাকা মাসিক বেতনের এসব কর্মচারীরা এখন প্রত্যেকে কোটি কোটি টাকা মূল্যের বিলাস বহুল গাড়ি বাড়ি অট্টালিকার মালিক।

২০২৪ সালের আগষ্ট বিপ্লবে দেশে ছাত্রজনতার বুকের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়ে প্রতিষ্টিত অন্তবর্তিকালীন সরকার দেশের অন্যান্য সেক্টরের ন্যায় বনবিভাগের পরিশুদ্ধতা আনয়নের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন অঞ্চলের বন সংরক্ষক হিসেবে পদায়ন করেন ড. মোল্যা রেজাউল করিমকে। তিনি যোগদানের পরে বনবিভাগের স্থবিরতা নিরসন করে কাজের গতিশীলতা আনা এবং সঙঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের লুটপাট বন্ধ করার লক্ষ্যে নিয়মিত বদলী-পদায়ন, মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত টহল-প্রহরা ও বনজ সম্পদ রক্ষায় সকলকে সাথে নিয়ে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন এবং নানামূখি শুদ্ধি কার্যক্রম শুরু করেন তিনি। এমনকি দুর্নীতির দায়ে বেশকিছু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কথেক বন কর্মকর্তারা ডঃ মোল্যা রেজাউল করিম এর বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রপাগন্ডা ছড়াচ্ছে ভুয়া ফেসবুক পেইজ থেকে ও নাম ঠিকানা বিহীন অনিবন্ধিত সংবাদ মাধ্যমে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে আবারো পুরনো কর্মস্থলে ফেরার চেষ্টা চালাচ্ছে বিভিন্ন সময়ে বদলী হওয়া কর্মকর্তারা। পুরানো হাতছাড়া লুটপাটের স্বর্গরাজ্য পুনরুদ্ধারে মরিয়া হয়ে তার বিরুদ্ধে অপবাদ রটানো সহ নানান নিকৃষ্ট সব পন্থায় তাকে সম্মানহানীর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

জানা যায়, তিনি ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন সংরক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তার অধীনে ১০টি বনবিভাগ রয়েছে। তিনি যোগদানের পর থেকে বন বিভাগের গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে তিনি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তার এ উদ্যোগকে বনবিভাগের সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক সব কর্মকর্তা কর্মচারীরা সাধুবাদ জানালেও মুস্টিমেয় হাতেগোনা চিহ্নিত অসৎ কিছু কর্মকর্তা তার এসব ভাল উদ্যোগকে মেনে নিতে পারেনি। তিনি নিয়মিত বদলী, বন বিভাগের জমি জবর দখলমুক্ত, বন বিভাগকে কলঙ্কমুক্ত করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ডঃ মোল্যা রেজাউল করিম এর দৃঢ় সহসী ও বন বান্ধব তৎপরতার কারনে ইতোমধ্যে এই সার্কেলে বনের জমি জবরদখল হওয়া, বালু ও মাটি কাটা, গাছ ও কাঠ পাচারের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান যুগান্তকারী প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছে।

এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে ড. মোল্যা রেজাউল করিম বলেন, কোন অনিয়মকে আমি প্রশ্রয় দিব না। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমি জিরো টলারেন্স নীতি অনুস্মরন করছি। অনাগত প্রজম্মের জন্য পরিবেশ ভারসাম্যপূর্ণ একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ বিনির্মানে সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য ও সহযোগিতা করার জন্য তিনি আহবান জানান।