নগর প্রতিবেদক: কক্সবাজারের নীল জলরাশি আর বালুকাবেলার সিক্ত মোহনায় গতকাল শুক্রবার(২৭ ফেব্রুয়ারী) এক অনন্য স্নিগ্ধতার আল্পনা আঁকলেন একদল শান্তিপ্রিয় মানুষ। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অমল বার্তা ছড়িয়ে দিতে এবং বিশ্বশান্তির প্রার্থনায় শুরু হয়েছে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের এক ব্যতিক্রমী পদযাত্রা। উত্তাল সাগরের গর্জনের মাঝে বেজে উঠল এক ভিন্নতর—সম্প্রীতি আর মৈত্রীর সুর।

May be an image of one or more people, temple and text

শুক্রবার বিকেলে যখন সূর্যের রক্তিম আভা কলাতলী সৈকতে খেলা করছিল, ঠিক তখনই একদল পুণ্যার্থী ও বৌদ্ধ ভিক্ষুর পদযাত্রা শুরু হয়। তাদের হৃদয়ে ছিল ভালোবাসার অর্ঘ্য আর কণ্ঠে ছিল বিশ্ব শান্তির আকুতি। ​এই অভিযাত্রার পথ ছিল স্নিগ্ধতায় মাখা। কলাতলী থেকে শুরু হয়ে সুগন্ধা ও লাবনী পয়েন্টের বালুকাবেলা মাড়িয়ে পদযাত্রাটি এসে থামে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। প্রতিটি পদক্ষেপে যেন মিশে ছিল বিভেদহীন এক পৃথিবীর স্বপ্ন।

উখিয়া কেন্দ্রীয় আনন্দ ভবন বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ: প্রজ্ঞাবোধি মহাথের,​ চট্টগ্রাম শান্তি ও সম্প্রীতি পরিষদের সমন্বয়ক চারুউত্তম বড়ুয়া এসময় উপস্থিত ছিলেন।

May be an image of one or more people, temple and text

​প্রায় ৪০ জন শান্তিপ্রিয় মানুষের এই ছোট শোভাযাত্রা কেবল কোনো পথ চলা নয়, বরং এটি ছিল এক আধ্যাত্মিক সংযোগের প্রচেষ্টা। যার গন্তব্য রাজধানী ঢাকা। ​চট্টগ্রাম শান্তি ও সম্প্রীতি পরিষদের আয়োজনে এই পদযাত্রাটি কেবল কক্সবাজারেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি এক দীর্ঘ সফরের শুভ সূচনা মাত্র।

শুক্রবার শুরু হওয়া পদযাত্রা আজ ​শনিবার(২৮ ফেব্রুয়ারী) চট্টগ্রাম মহানগরের রাজপথের ধুলোয় সম্প্রীতির বার্তা ছড়ানো হবে।

আগামী ​সোমবার(০২ মার্চ)কুমিল্লা জেলার ময়নামতী ও গোমতী নদীর তীর হয়ে কুমিল্লায় পৌঁছাবে এই শান্তির পদযাত্রা।​

May be an image of one or more people and temple

আগামী মঙ্গলবার(০৩ মার্চ) পদযাত্রার পূর্ণতা পাবে রাজধানী ঢাকায়। মেরুল বাড্ডা, গুলশান, হাতিরঝিল আর কারওয়ান বাজারের কোলাহল মাড়িয়ে এই মৌন ও শান্ত মিছিলটি গিয়ে শেষ হবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।

​”ভালোবাসা আর সম্প্রীতিই হোক মানুষের শ্রেষ্ঠ ধর্ম”—এই চিরন্তন সত্যকে বুকে নিয়ে সাগর তীর থেকে শুরু হওয়া বৌদ্ধ ভিক্ষুদের এই পদযাত্রা শপষ হবে বুড়িগঙ্গা তীরের ঢাকায়।

তারা বলছেন, সাগরের বিশালতা আর মানুষের হৃদয়ের ঔদার্য্য এক বিন্দুতে মিশলে তবেই বিশ্বে শান্তি ফেরা সম্ভব।

নগর প্রতিবেদক: কক্সবাজারের নীল জলরাশি আর বালুকাবেলার সিক্ত মোহনায় গতকাল শুক্রবার(২৭ ফেব্রুয়ারী) এক অনন্য স্নিগ্ধতার আল্পনা আঁকলেন একদল শান্তিপ্রিয় মানুষ। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অমল বার্তা ছড়িয়ে দিতে এবং বিশ্বশান্তির প্রার্থনায় শুরু হয়েছে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের এক ব্যতিক্রমী পদযাত্রা। উত্তাল সাগরের গর্জনের মাঝে বেজে উঠল এক ভিন্নতর—সম্প্রীতি আর মৈত্রীর সুর।

May be an image of one or more people, temple and text

শুক্রবার বিকেলে যখন সূর্যের রক্তিম আভা কলাতলী সৈকতে খেলা করছিল, ঠিক তখনই একদল পুণ্যার্থী ও বৌদ্ধ ভিক্ষুর পদযাত্রা শুরু হয়। তাদের হৃদয়ে ছিল ভালোবাসার অর্ঘ্য আর কণ্ঠে ছিল বিশ্ব শান্তির আকুতি। ​এই অভিযাত্রার পথ ছিল স্নিগ্ধতায় মাখা। কলাতলী থেকে শুরু হয়ে সুগন্ধা ও লাবনী পয়েন্টের বালুকাবেলা মাড়িয়ে পদযাত্রাটি এসে থামে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। প্রতিটি পদক্ষেপে যেন মিশে ছিল বিভেদহীন এক পৃথিবীর স্বপ্ন।

উখিয়া কেন্দ্রীয় আনন্দ ভবন বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ: প্রজ্ঞাবোধি মহাথের,​ চট্টগ্রাম শান্তি ও সম্প্রীতি পরিষদের সমন্বয়ক চারুউত্তম বড়ুয়া এসময় উপস্থিত ছিলেন।

May be an image of one or more people, temple and text

​প্রায় ৪০ জন শান্তিপ্রিয় মানুষের এই ছোট শোভাযাত্রা কেবল কোনো পথ চলা নয়, বরং এটি ছিল এক আধ্যাত্মিক সংযোগের প্রচেষ্টা। যার গন্তব্য রাজধানী ঢাকা। ​চট্টগ্রাম শান্তি ও সম্প্রীতি পরিষদের আয়োজনে এই পদযাত্রাটি কেবল কক্সবাজারেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি এক দীর্ঘ সফরের শুভ সূচনা মাত্র।

শুক্রবার শুরু হওয়া পদযাত্রা আজ ​শনিবার(২৮ ফেব্রুয়ারী) চট্টগ্রাম মহানগরের রাজপথের ধুলোয় সম্প্রীতির বার্তা ছড়ানো হবে।

আগামী ​সোমবার(০২ মার্চ)কুমিল্লা জেলার ময়নামতী ও গোমতী নদীর তীর হয়ে কুমিল্লায় পৌঁছাবে এই শান্তির পদযাত্রা।​

May be an image of one or more people and temple

আগামী মঙ্গলবার(০৩ মার্চ) পদযাত্রার পূর্ণতা পাবে রাজধানী ঢাকায়। মেরুল বাড্ডা, গুলশান, হাতিরঝিল আর কারওয়ান বাজারের কোলাহল মাড়িয়ে এই মৌন ও শান্ত মিছিলটি গিয়ে শেষ হবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।

​”ভালোবাসা আর সম্প্রীতিই হোক মানুষের শ্রেষ্ঠ ধর্ম”—এই চিরন্তন সত্যকে বুকে নিয়ে সাগর তীর থেকে শুরু হওয়া বৌদ্ধ ভিক্ষুদের এই পদযাত্রা শপষ হবে বুড়িগঙ্গা তীরের ঢাকায়।

তারা বলছেন, সাগরের বিশালতা আর মানুষের হৃদয়ের ঔদার্য্য এক বিন্দুতে মিশলে তবেই বিশ্বে শান্তি ফেরা সম্ভব।