গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে উপবৃত্তির প্রলোভন দেখিয়ে এবং পরবর্তীতে ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে পন্ডিতপুর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. রঞ্জু মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে তার নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত রঞ্জু মিয়া উপজেলার গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের খড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় পন্ডিতপুর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ।

আসামিকে আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারী) আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভুক্তভোগী ছাত্রী গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের জরিপপুর গ্রামের বেলাল হোসেনের মেয়ে। তিনি চার মাস আগে ওই প্রতিষ্ঠানে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হন। ভর্তির পর থেকেই অধ্যক্ষ রঞ্জু মিয়া ওই ছাত্রীর পরিবারের খোঁজ খবর নেওয়ার অযুহাতে তার মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন এবং তাকে সরকারি উপবৃত্তি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

গত ১৮ ডিসেম্বর (২০২৫) সকালে অধ্যক্ষ ওই ছাত্রীকে ফোন করে জানান যে, উপবৃত্তি ফরমে স্বাক্ষর করার জন্য জরুরি ভিত্তিতে তার পান্থাপাড়ার বাসায় যেতে হবে। অধ্যক্ষের কথায় সরল বিশ্বাসে ছাত্রীটি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তার বাসায় যায়। সেখানে কেউ না থাকার সুযোগে অধ্যক্ষ রঞ্জু মিয়া তাকে একটি কক্ষে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় অত্যন্ত কৌশলে মোবাইল ফোনে ধর্ষণের ভিডিও চিত্র ধারণ করে রাখেন তিনি। পরবর্তীতে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে একাধিকবার ব্ল্যাকমেইল করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ দ্রুত অভিযানে নামে। শুক্রবার রাতে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ।

এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা রাতেই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে উপবৃত্তির প্রলোভন দেখিয়ে এবং পরবর্তীতে ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে পন্ডিতপুর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. রঞ্জু মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে তার নিজ বাসভবন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত রঞ্জু মিয়া উপজেলার গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের খড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় পন্ডিতপুর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ।

আসামিকে আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারী) আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভুক্তভোগী ছাত্রী গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের জরিপপুর গ্রামের বেলাল হোসেনের মেয়ে। তিনি চার মাস আগে ওই প্রতিষ্ঠানে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হন। ভর্তির পর থেকেই অধ্যক্ষ রঞ্জু মিয়া ওই ছাত্রীর পরিবারের খোঁজ খবর নেওয়ার অযুহাতে তার মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন এবং তাকে সরকারি উপবৃত্তি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

গত ১৮ ডিসেম্বর (২০২৫) সকালে অধ্যক্ষ ওই ছাত্রীকে ফোন করে জানান যে, উপবৃত্তি ফরমে স্বাক্ষর করার জন্য জরুরি ভিত্তিতে তার পান্থাপাড়ার বাসায় যেতে হবে। অধ্যক্ষের কথায় সরল বিশ্বাসে ছাত্রীটি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তার বাসায় যায়। সেখানে কেউ না থাকার সুযোগে অধ্যক্ষ রঞ্জু মিয়া তাকে একটি কক্ষে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় অত্যন্ত কৌশলে মোবাইল ফোনে ধর্ষণের ভিডিও চিত্র ধারণ করে রাখেন তিনি। পরবর্তীতে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে একাধিকবার ব্ল্যাকমেইল করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ দ্রুত অভিযানে নামে। শুক্রবার রাতে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ।

এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা রাতেই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।