ঈদগাঁও প্রতিনিধি: কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় নবনির্মিত একটি এলপিজি ফিলিং স্টেশনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৬ জন দগ্ধ হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

গত বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা ২০ মিনিটে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন অন্তত ১০টি বসতবাড়ি এবং পর্যটক পরিবহনে ব্যবহৃত ২০ থেকে ২৫ টি জিপ (চাঁদের গাড়ি) পুড়ে যায় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

এ ঘটনায় আহতদের আজ শুক্রবার( ২৭ ফেব্রুয়ারি)দুপুর আড়াইটায় চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে দেখতে যান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল। তারা আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন, তাদের জন্য দোয়া ও মুনাজাত করেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপির নির্দেশনায় নেতৃবৃন্দ আহতদের আর্থিক সহায়তা দেন এবং তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন

আমীরে জামায়াত আহতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তাদেরকে সালাম জানান এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন।

নেতৃবৃন্দ এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান তারা।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল, চট্টগ্রাম অঞ্চল টিম সদস্য মুহাম্মদ জাফর সাদেক, চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান, চকবাজার থানার আমীর আহমদ খালেদুল আনোয়ার, থানা নায়েবে আমীর আব্দুল হান্নান, থানা এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, থানা কর্মপরিষদ সদস্য মোহাম্মদ ইলিয়াছ প্রমুখ।

ঈদগাঁও প্রতিনিধি: কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় নবনির্মিত একটি এলপিজি ফিলিং স্টেশনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৬ জন দগ্ধ হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

গত বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা ২০ মিনিটে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন অন্তত ১০টি বসতবাড়ি এবং পর্যটক পরিবহনে ব্যবহৃত ২০ থেকে ২৫ টি জিপ (চাঁদের গাড়ি) পুড়ে যায় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

এ ঘটনায় আহতদের আজ শুক্রবার( ২৭ ফেব্রুয়ারি)দুপুর আড়াইটায় চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে দেখতে যান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল। তারা আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন, তাদের জন্য দোয়া ও মুনাজাত করেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপির নির্দেশনায় নেতৃবৃন্দ আহতদের আর্থিক সহায়তা দেন এবং তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন

আমীরে জামায়াত আহতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তাদেরকে সালাম জানান এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন।

নেতৃবৃন্দ এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান তারা।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল, চট্টগ্রাম অঞ্চল টিম সদস্য মুহাম্মদ জাফর সাদেক, চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান, চকবাজার থানার আমীর আহমদ খালেদুল আনোয়ার, থানা নায়েবে আমীর আব্দুল হান্নান, থানা এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, থানা কর্মপরিষদ সদস্য মোহাম্মদ ইলিয়াছ প্রমুখ।