দি ক্রাইম ডেস্ক: হত্যার অভিযোগসহ পাঁচটি মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছে হাই কোর্ট। বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার রুলসহ এ আদেশ দেয়। তবে অন্য পাঁচ মামলায় আগে পাওয়া জামিনের বিষয়টি আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় থাকায় তিনি এখন কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন না বলে তার আইনজীবী জানিয়েছেন।

আইভীর জামিনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন ও মো. মোতাহার হোসেন সাজু; সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এস এম হৃদয় রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান নজরুল।

গত বছরের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগের নিজ বাসা থেকে সাবেক মেয়র আইভীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় দায়ের হওয়া তিনটি হত্যা মামলা ও দুটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। খবর বিডিনিউজের।

এই পাঁচ মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে নারায়ণগঞ্জের আইভী হাই কোর্টে জামিন চেয়ে পাঁচটি পৃথক আবেদন করেন এবং জামিন পান। তার আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, আইভি এই পাঁচ মামলায় হাই কোর্ট থেকে জামিন পেলে এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে এবং আপিল বিভাগ জামিন স্থগিত করে দেয়। যেদিন হাই কোর্ট থেকে জামিন পান, সেদিনই আরও পাঁচ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়, এবং গত বছরের নভেম্বরে তা মঞ্জুর হয়।

এই পাঁচ মামলার মধ্যে চারটি ফতুল্লা থানায় করা হত্যা মামলা এবং অপরটি নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় করা সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার মামলা। তার আইনজীবী সাজু বলেন, এই পাঁচ মামলার এজাহারে নির্দেশদাতা হিসেবে শামীম ওসমানসহ কয়েকজনের নাম রয়েছে; কিন্তু আইভীর নাম নেই। আমরা আদালতে বলেছি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে আছেন, তদন্তেরও কোনো অগ্রগতি নেই। তাই শুনানি নিয়ে হাই কোর্ট রুলসহ আইভীকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছে। তবে অপর পাঁচ মামলায় তার জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন শুনানি আপিল বিভাগে অপেক্ষায় রয়েছে বলে তিনি এখনই কারামুক্তি পাচ্ছেন না বলে জানান আইনজীবী সাজু।

এই পাঁচ মামলায় হাই কোর্টের জামিনের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে নোট দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান নজরুল। তিনি বলেন, পরের পাঁচ মামলার এজাহারে শামীম ওসমানসহ তাদের পরিবারের অনেক সদস্যের নাম রয়েছে, সেলিনা হায়াৎ আইভীর নাম নেই। জেলে থাকা অবস্থায় তাকে ওই মামলাগুলোতে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন আইভী। পরে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের টানা তিনটি নির্বাচনে জয়ী হন তিনি।

দি ক্রাইম ডেস্ক: হত্যার অভিযোগসহ পাঁচটি মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছে হাই কোর্ট। বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার রুলসহ এ আদেশ দেয়। তবে অন্য পাঁচ মামলায় আগে পাওয়া জামিনের বিষয়টি আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় থাকায় তিনি এখন কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন না বলে তার আইনজীবী জানিয়েছেন।

আইভীর জামিনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন ও মো. মোতাহার হোসেন সাজু; সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এস এম হৃদয় রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান নজরুল।

গত বছরের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগের নিজ বাসা থেকে সাবেক মেয়র আইভীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় দায়ের হওয়া তিনটি হত্যা মামলা ও দুটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। খবর বিডিনিউজের।

এই পাঁচ মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে নারায়ণগঞ্জের আইভী হাই কোর্টে জামিন চেয়ে পাঁচটি পৃথক আবেদন করেন এবং জামিন পান। তার আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, আইভি এই পাঁচ মামলায় হাই কোর্ট থেকে জামিন পেলে এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে এবং আপিল বিভাগ জামিন স্থগিত করে দেয়। যেদিন হাই কোর্ট থেকে জামিন পান, সেদিনই আরও পাঁচ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়, এবং গত বছরের নভেম্বরে তা মঞ্জুর হয়।

এই পাঁচ মামলার মধ্যে চারটি ফতুল্লা থানায় করা হত্যা মামলা এবং অপরটি নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় করা সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার মামলা। তার আইনজীবী সাজু বলেন, এই পাঁচ মামলার এজাহারে নির্দেশদাতা হিসেবে শামীম ওসমানসহ কয়েকজনের নাম রয়েছে; কিন্তু আইভীর নাম নেই। আমরা আদালতে বলেছি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে আছেন, তদন্তেরও কোনো অগ্রগতি নেই। তাই শুনানি নিয়ে হাই কোর্ট রুলসহ আইভীকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছে। তবে অপর পাঁচ মামলায় তার জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন শুনানি আপিল বিভাগে অপেক্ষায় রয়েছে বলে তিনি এখনই কারামুক্তি পাচ্ছেন না বলে জানান আইনজীবী সাজু।

এই পাঁচ মামলায় হাই কোর্টের জামিনের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে নোট দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান নজরুল। তিনি বলেন, পরের পাঁচ মামলার এজাহারে শামীম ওসমানসহ তাদের পরিবারের অনেক সদস্যের নাম রয়েছে, সেলিনা হায়াৎ আইভীর নাম নেই। জেলে থাকা অবস্থায় তাকে ওই মামলাগুলোতে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন আইভী। পরে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের টানা তিনটি নির্বাচনে জয়ী হন তিনি।