দি ক্রাইম ডেস্ক: কালুরঘাট শিল্পাঞ্চলকে আধুনিক ও বিনিয়োগবান্ধব করতে সমন্বিত উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এরই ধারাবাহিকতায় ৫ নং মোহরা ওয়ার্ডস্থ বালি খালের ওপর ২০ মিটার দীর্ঘ একটি ব্রিজ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এই উন্নয়ন প্রকল্পের ফলক উন্মোচন করেন। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, কালুরঘাট শিল্পাঞ্চল চট্টগ্রামের অর্থনীতির হৃদপিণ্ড। এই এলাকার টেকসই উন্নয়নের জন্য সড়ক, সেতু ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন অপরিহার্য। বালী খালের ওপর এই ব্রিজটি নির্মিত হলে শিল্প এলাকার সড়ক সমপ্রসারণ হবে এবং যান চলাচলের সক্ষমতা বহুগুণ বাড়বে।

তিনি বলেন, এই প্রকল্পের ফলে খালের পানিপ্রবাহ বৃদ্ধি পাবে, যা বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল ও উৎপাদিত পণ্য পরিবহন আগের চেয়ে সহজ হবে। দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে থাকা স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াতে স্বস্তি ফিরবে।

মেয়র বলেন, শুধু বালী খাল ব্রিজই নয়, পুরো শিল্পাঞ্চলকে ঘিরে বর্তমানে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ চলছে। সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে কালুরঘাট শিল্পাঞ্চলকে একটি আধুনিক ও বিনিয়োগবান্ধব এলাকায় পরিণত করাই আমাদের লক্ষ্য।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চসিকের প্রধান প্রকৌশলী আনিসুল ইসলাম, সাবেক কাউন্সিলর আজম খান, প্রকৌশলী রিফাতুল করিম, প্রকৌশলী শাফকাত আমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দি ক্রাইম ডেস্ক: কালুরঘাট শিল্পাঞ্চলকে আধুনিক ও বিনিয়োগবান্ধব করতে সমন্বিত উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এরই ধারাবাহিকতায় ৫ নং মোহরা ওয়ার্ডস্থ বালি খালের ওপর ২০ মিটার দীর্ঘ একটি ব্রিজ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এই উন্নয়ন প্রকল্পের ফলক উন্মোচন করেন। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, কালুরঘাট শিল্পাঞ্চল চট্টগ্রামের অর্থনীতির হৃদপিণ্ড। এই এলাকার টেকসই উন্নয়নের জন্য সড়ক, সেতু ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন অপরিহার্য। বালী খালের ওপর এই ব্রিজটি নির্মিত হলে শিল্প এলাকার সড়ক সমপ্রসারণ হবে এবং যান চলাচলের সক্ষমতা বহুগুণ বাড়বে।

তিনি বলেন, এই প্রকল্পের ফলে খালের পানিপ্রবাহ বৃদ্ধি পাবে, যা বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল ও উৎপাদিত পণ্য পরিবহন আগের চেয়ে সহজ হবে। দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে থাকা স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াতে স্বস্তি ফিরবে।

মেয়র বলেন, শুধু বালী খাল ব্রিজই নয়, পুরো শিল্পাঞ্চলকে ঘিরে বর্তমানে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ চলছে। সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে কালুরঘাট শিল্পাঞ্চলকে একটি আধুনিক ও বিনিয়োগবান্ধব এলাকায় পরিণত করাই আমাদের লক্ষ্য।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চসিকের প্রধান প্রকৌশলী আনিসুল ইসলাম, সাবেক কাউন্সিলর আজম খান, প্রকৌশলী রিফাতুল করিম, প্রকৌশলী শাফকাত আমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।