ঢাকা অফিস: বর্তমান সরকারের লক্ষ্য দীর্ঘমেয়াদির পাশাপাশি জনগণের স্বল্পমেয়াদি প্রত্যাশা পূরণ করা বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ বৃহস্পতিবার(২৬ ফেব্রুয়ারী)দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিস কক্ষে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-এর পরিচালনা পর্ষদ এর সদস্যবৃন্দ সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীলতা বজায় রেখে ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা। আমাদের অগ্রাধিকারের মধ্যে আরো রয়েছে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা।

তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্য যাতে কৃত্রিমভাবে বাড়ানো না হয় এবং এ খাতে দীর্ঘ ১০-১৫ বছরের সিন্ডিকেট ভেঙে দেয়া যায়- সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। গতানুগতিক পন্থা অবলম্বন না করে নতুন বা সৃজনশীল পন্থায় ব্যবসা-বাণিজ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, আমরা পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চাই। সেজন্য সারাদেশে চাঁদাবাজি নির্মূল সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। প্রথমে বিভাগীয় বা বড় শহর থেকে এ কার্যক্রম শুরু করা হবে। এজন্য প্রশাসন, পুলিশ সহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতার প্রয়োজন।

বৈঠকে ডিসিসিআই’র প্রেসিডেন্ট তাসকীন আহমেদ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতকরণ, চাঁদাবাজি প্রতিরোধ ও পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে মন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ডিসিসিআই’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজীব এইচ চৌধুরী, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. সালেম সোলায়মান, সচিব ড. একেএম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা অফিস: বর্তমান সরকারের লক্ষ্য দীর্ঘমেয়াদির পাশাপাশি জনগণের স্বল্পমেয়াদি প্রত্যাশা পূরণ করা বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ বৃহস্পতিবার(২৬ ফেব্রুয়ারী)দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিস কক্ষে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-এর পরিচালনা পর্ষদ এর সদস্যবৃন্দ সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীলতা বজায় রেখে ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা। আমাদের অগ্রাধিকারের মধ্যে আরো রয়েছে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা।

তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্য যাতে কৃত্রিমভাবে বাড়ানো না হয় এবং এ খাতে দীর্ঘ ১০-১৫ বছরের সিন্ডিকেট ভেঙে দেয়া যায়- সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। গতানুগতিক পন্থা অবলম্বন না করে নতুন বা সৃজনশীল পন্থায় ব্যবসা-বাণিজ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, আমরা পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চাই। সেজন্য সারাদেশে চাঁদাবাজি নির্মূল সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। প্রথমে বিভাগীয় বা বড় শহর থেকে এ কার্যক্রম শুরু করা হবে। এজন্য প্রশাসন, পুলিশ সহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতার প্রয়োজন।

বৈঠকে ডিসিসিআই’র প্রেসিডেন্ট তাসকীন আহমেদ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতকরণ, চাঁদাবাজি প্রতিরোধ ও পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে মন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ডিসিসিআই’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজীব এইচ চৌধুরী, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. সালেম সোলায়মান, সচিব ড. একেএম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।