নিজস্ব প্রতিবেদক: চৌদ্দগ্রামে এক গৃহবধুর ঘরে মেহমান সেজে ৩ জন প্রতিবেশী পরিকল্পিতভাবে সোনালী ব্যাংকের স্বাক্ষরকৃত ৯ টি চেকের পাতা কৌশলের চুরি করে নিয়ে যায়। এঘটনায় চেক উদ্ধারের মামলা কম্পিউটারে টাইপিংয়ে সময় একটি চেকের পাতা নাম্বার উল্লেখ না হওয়ায়- ওই চেক দিয়ে গৃহবধুর বিরুদ্ধে উল্টো মামলা করে জেল খাটানোর বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে নগদ ১৪ লক্ষ টাকা দাবী করে।

গৃহবধূর স্বাক্ষরিত চুরি করা চেক দিয়ে কারাবন্দি জীবনের ভয় দেখিয়ে দাবীকৃত ১৪ লক্ষ টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে, মামলা দিয়ে গৃহবধূ রুমি বেগমকে জেল খাটানো এবং তার মেয়েকে ধর্ষনের হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, গত ২৫ নভেম্বর ২০২৫ ইং মঙ্গলবার বিকেল ৪টার সময় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর ইউনিয়ন কাদৈর গ্রামের ঘটে। এ ঘটনার বিষয়ে উপজেলার কাদৈর গ্রামের মোর্শেদ আলমের স্ত্রী মোসাঃ রুমি বেগম (৩০) বাদী হয়ে ৩ জনকে বিবাদী করে একটি মামলা দায়ের করে (যাহার নং বিবিধ ১৭২/২০২৫)।

গত ৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে দায়ের করা মামলার আসামীরা হলেন- উপজেলার শুভপুর ইউনিয়ন কাদৈর গ্রামের কামাল হোসেনের স্ত্রী নাজমা বেগম (৫০), মোসাঃ শেফু আক্তার (৩০), মৃতঃ রুস্তম আলীর ছেলে কামাল হোসেন (৬০)।

স্থানীয় এবং মামলা সূত্রে জানা যায়, ২৫ নভেম্বর ২০২৫ ইং মঙ্গলবার বিকেল ৪টার সময় গৃহবধূ রুমি বেগমের বসত ঘরে বিবাদীরা মেহমান হিসেবে বেড়াতে আসলে, রুমি বেগম তাদেরকে চা নাস্তা দেয়ার জন্য রান্না ঘরে যায়। এ সুযোগে নাজমা বেগম, মোসাঃ শেফু আক্তার,কামাল হোসেন দূর্লোভের বশবর্তী হয়ে, বসত ঘরে থাকা আলমারীর ড্রয়ার থেকে রুমি বেগমের পূর্বের স্বাক্ষর করে রাখা সোনালী ব্যাংক সুয়াগাজী শাখার দু’টি চেক বই হ’তে মোট নয়টি চেকের পাতা চুরি করে নিয়ে চলে যায় (যাহার একাউন্ট নাম্বার ১৩৩০০০১০২০৬০৯)। রুমি বেগম রান্না ঘর থেকে নাস্তা নিয়ে এসে দেখে বিবাদীরা তার ঘরে নেই। কিন্তু তার আলমারির দরজা খোলা দেখে সন্দেহ হওয়াতে আলমারি তল্লাশি করে দেখে যে, তার স্বাক্ষরিত দু’টি চেক বই আলমারির উপর এবং একটিতে মোট নয়টি চেকের পাতা নেই। তাৎক্ষণাৎ নাজমা বেগম, মোসাঃ শেফু আক্তার, কামাল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা চেক নেওয়ার কথা স্বীকার করে। তবে বিভিন্ন তালবাহানা করে চেকগুলো ফেরত দিবে না বলে জানায়। এতে করে রুমি বেগমের সন্দেহ হয় যে, বিবাদীরা উক্ত চেকগুলো দিয়ে তার অপূরনীয় ক্ষতিসাধন করে এবং মূল্যবান জামানত সৃষ্টি করার আশঙ্কা আছে। ফলে রুমি বেগম বাদী হয়ে কার্যবিধি আইনের ৯৮ ধারার বিধান মতে চেক উদ্ধারের জন্য আদালতের সোপর্দ হয়। কিন্তু বাদী রুমি বেগমের মামলা তাড়াহুড়ো করে কম্পিউটারে টাইপ করার সময় এসএস-৩০৫২১১৫০৫ চেকের একটি পাতার নাম্বার উল্লেখ করা হয়নি। সময় সল্পতার কারনে এবং মামলা মোকদ্দমার বিষয়ে অজ্ঞাত রুমি বেগম মামলার কাগজ না পড়েই স্বাক্ষর দিয়ে মামলা দায়ের করে।

এদিকে, বিবাদীরা মামলার সংবাদ পেয়ে মামলা থেকে বাদ পড়া এসএস- ৩০৫২১১৫০৫ নাম্বার ব্লান চেকে, নিজেদের ইচ্ছেমত ১৪ লক্ষ টাকা উল্লেখ করে, গত ৮ জানুয়ারী ২০২৬ইং তারিখে বিবাদী সিপু আক্তার প্রেরিত এ্যাডভোকেট মোঃ আলী হোসেনের স্বাক্ষরিত, একটি লিগ্যাল নোটিশ পাওয়ার পর মামলা থেকে বাদ পড়া চেকের কথা বাদী রুমি বেগমের স্মরণে আসে। এমতাবস্থায় নিরপরাধ বাদী রুমি বেগম ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ায় আশঙ্কায় রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছেন।

এবিষয়ে বাদী রুমি বেগমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিবাদীরা অত্যন্ত শট ও প্রতারক এবং খারাপ প্রকৃতির লোক। আমি আইনের আশ্রয় নেয়ার পরিনামে বিবাদীরা আমার নামে মিথ্যা দিয়ে মামলা দিয়ে, আমার কাছে ১৪ লক্ষ টাকা দাবী করে। তাদের দাবীকৃত টাকা দিতে অস্বীকার করলে আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটাবে বলে হুমকি দেয়। বিবাদীরা আমাকে ও আমার মেয়েকে সাবধানে থাকতে বলিয়া- আমার মেয়েকে ধর্ষনের অব্যাহত হুমকি ধমকি দেয়ায়, বিবাদীদের ভয়ে আমি আমার মেয়ে নাদিয়া আক্তারকে নিয়ে, সদর দক্ষিণ থানার ধর্মনগর এলাকায় আমার বাপের বাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছি। বিবাদীদের অব্যাহত হুমকি ধমকিতে আমি এবং আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় জীবন যাপন করতেছি।

নিজস্ব প্রতিবেদক: চৌদ্দগ্রামে এক গৃহবধুর ঘরে মেহমান সেজে ৩ জন প্রতিবেশী পরিকল্পিতভাবে সোনালী ব্যাংকের স্বাক্ষরকৃত ৯ টি চেকের পাতা কৌশলের চুরি করে নিয়ে যায়। এঘটনায় চেক উদ্ধারের মামলা কম্পিউটারে টাইপিংয়ে সময় একটি চেকের পাতা নাম্বার উল্লেখ না হওয়ায়- ওই চেক দিয়ে গৃহবধুর বিরুদ্ধে উল্টো মামলা করে জেল খাটানোর বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে নগদ ১৪ লক্ষ টাকা দাবী করে।

গৃহবধূর স্বাক্ষরিত চুরি করা চেক দিয়ে কারাবন্দি জীবনের ভয় দেখিয়ে দাবীকৃত ১৪ লক্ষ টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে, মামলা দিয়ে গৃহবধূ রুমি বেগমকে জেল খাটানো এবং তার মেয়েকে ধর্ষনের হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, গত ২৫ নভেম্বর ২০২৫ ইং মঙ্গলবার বিকেল ৪টার সময় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর ইউনিয়ন কাদৈর গ্রামের ঘটে। এ ঘটনার বিষয়ে উপজেলার কাদৈর গ্রামের মোর্শেদ আলমের স্ত্রী মোসাঃ রুমি বেগম (৩০) বাদী হয়ে ৩ জনকে বিবাদী করে একটি মামলা দায়ের করে (যাহার নং বিবিধ ১৭২/২০২৫)।

গত ৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে দায়ের করা মামলার আসামীরা হলেন- উপজেলার শুভপুর ইউনিয়ন কাদৈর গ্রামের কামাল হোসেনের স্ত্রী নাজমা বেগম (৫০), মোসাঃ শেফু আক্তার (৩০), মৃতঃ রুস্তম আলীর ছেলে কামাল হোসেন (৬০)।

স্থানীয় এবং মামলা সূত্রে জানা যায়, ২৫ নভেম্বর ২০২৫ ইং মঙ্গলবার বিকেল ৪টার সময় গৃহবধূ রুমি বেগমের বসত ঘরে বিবাদীরা মেহমান হিসেবে বেড়াতে আসলে, রুমি বেগম তাদেরকে চা নাস্তা দেয়ার জন্য রান্না ঘরে যায়। এ সুযোগে নাজমা বেগম, মোসাঃ শেফু আক্তার,কামাল হোসেন দূর্লোভের বশবর্তী হয়ে, বসত ঘরে থাকা আলমারীর ড্রয়ার থেকে রুমি বেগমের পূর্বের স্বাক্ষর করে রাখা সোনালী ব্যাংক সুয়াগাজী শাখার দু’টি চেক বই হ’তে মোট নয়টি চেকের পাতা চুরি করে নিয়ে চলে যায় (যাহার একাউন্ট নাম্বার ১৩৩০০০১০২০৬০৯)। রুমি বেগম রান্না ঘর থেকে নাস্তা নিয়ে এসে দেখে বিবাদীরা তার ঘরে নেই। কিন্তু তার আলমারির দরজা খোলা দেখে সন্দেহ হওয়াতে আলমারি তল্লাশি করে দেখে যে, তার স্বাক্ষরিত দু’টি চেক বই আলমারির উপর এবং একটিতে মোট নয়টি চেকের পাতা নেই। তাৎক্ষণাৎ নাজমা বেগম, মোসাঃ শেফু আক্তার, কামাল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা চেক নেওয়ার কথা স্বীকার করে। তবে বিভিন্ন তালবাহানা করে চেকগুলো ফেরত দিবে না বলে জানায়। এতে করে রুমি বেগমের সন্দেহ হয় যে, বিবাদীরা উক্ত চেকগুলো দিয়ে তার অপূরনীয় ক্ষতিসাধন করে এবং মূল্যবান জামানত সৃষ্টি করার আশঙ্কা আছে। ফলে রুমি বেগম বাদী হয়ে কার্যবিধি আইনের ৯৮ ধারার বিধান মতে চেক উদ্ধারের জন্য আদালতের সোপর্দ হয়। কিন্তু বাদী রুমি বেগমের মামলা তাড়াহুড়ো করে কম্পিউটারে টাইপ করার সময় এসএস-৩০৫২১১৫০৫ চেকের একটি পাতার নাম্বার উল্লেখ করা হয়নি। সময় সল্পতার কারনে এবং মামলা মোকদ্দমার বিষয়ে অজ্ঞাত রুমি বেগম মামলার কাগজ না পড়েই স্বাক্ষর দিয়ে মামলা দায়ের করে।

এদিকে, বিবাদীরা মামলার সংবাদ পেয়ে মামলা থেকে বাদ পড়া এসএস- ৩০৫২১১৫০৫ নাম্বার ব্লান চেকে, নিজেদের ইচ্ছেমত ১৪ লক্ষ টাকা উল্লেখ করে, গত ৮ জানুয়ারী ২০২৬ইং তারিখে বিবাদী সিপু আক্তার প্রেরিত এ্যাডভোকেট মোঃ আলী হোসেনের স্বাক্ষরিত, একটি লিগ্যাল নোটিশ পাওয়ার পর মামলা থেকে বাদ পড়া চেকের কথা বাদী রুমি বেগমের স্মরণে আসে। এমতাবস্থায় নিরপরাধ বাদী রুমি বেগম ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ায় আশঙ্কায় রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছেন।

এবিষয়ে বাদী রুমি বেগমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিবাদীরা অত্যন্ত শট ও প্রতারক এবং খারাপ প্রকৃতির লোক। আমি আইনের আশ্রয় নেয়ার পরিনামে বিবাদীরা আমার নামে মিথ্যা দিয়ে মামলা দিয়ে, আমার কাছে ১৪ লক্ষ টাকা দাবী করে। তাদের দাবীকৃত টাকা দিতে অস্বীকার করলে আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটাবে বলে হুমকি দেয়। বিবাদীরা আমাকে ও আমার মেয়েকে সাবধানে থাকতে বলিয়া- আমার মেয়েকে ধর্ষনের অব্যাহত হুমকি ধমকি দেয়ায়, বিবাদীদের ভয়ে আমি আমার মেয়ে নাদিয়া আক্তারকে নিয়ে, সদর দক্ষিণ থানার ধর্মনগর এলাকায় আমার বাপের বাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছি। বিবাদীদের অব্যাহত হুমকি ধমকিতে আমি এবং আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় জীবন যাপন করতেছি।