চকরিয়া প্রতিনিধি: অনেক দল থাকবে, প্রার্থী থাকবে-এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। জনগণ যাদের ভালো মনে করে তাকে ভোট দিবে। আমি দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে আপনাদের সাথে আছি। আমি জেলে থাকার কারণে ২০০৮ সালে নির্বাচন করতে পারিনি। সেবার আমার স্ত্রী এডভোকেট হাসিনা আহমদকে আমার চাইতে বেশি ভোটে নির্বাচিত করেছিলেন। এ কারণে আমি এবং আমার পরিবার আজীবন আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। সুতরাং এতে করে বুঝতে পারি আপনারা আমাকে ভালবাসেন। এদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠানর সংগ্রাম করতে গিয়ে আমার জীবন বিপন্ন হতে বসেছিল। আমরা গণতন্ত্র কে হারিয়ে ফেলেছিলাম। কেউ মুক্ত পরিবেশে কথা বলতে পারেনি। তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে নাই।

আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকাল ৪ টায় চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের উত্তর কাকারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় বিএনপির জাতীয় স্হায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এ কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন,এখন গণতন্ত্র মুক্ত হয়েছে। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে নির্বাচিত করলে দেশের মানুষ মুক্ত গণতন্ত্র ফিরে পাবে। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের গতি তরান্বিত হবে-কারণ বিএনপি এদেশের গণমানুষের রাজনৈতিক দল।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে গিয়ে আমাদের সন্তানদের রক্ত দিতে হয়েছে। অসংখ্য মানুষকে পঙ্গু হতে হয়েছে। জনগণের ভাগ্য উন্নয়ন গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের প্রত্যাশা পুরণে ধানের শীষে ভোট দিন। আগামী নির্বাচনে আপনারা মুক্ত পরিবেশে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। আমি আপনাদের পরীক্ষিত মানুষ। এবারের নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে গণতন্ত্রকে উপভোগ করবেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশের হিন্দু সমাজ বিএনপির হাতে নিরাপদ। সকল ধর্মের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে বিএনপি। তাই জনগণ বিএনপিকে নিজেদের বন্ধু মনে করে। বিএনপি কর্মপরিকল্পনা করে এবং তা বাস্তবায়ন করে।

তিনি বলেন, বিএনপির যা কিছু পরিকল্পনা, রাষ্ট্র ভাবনা সবকিছুই এদেশের মানুষকে কেন্দ্র করেই। আসুন সবাই মিলে সারাদেশে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে নির্বাচিত করি। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এমন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বির্নিমাণ করবে যেটা ছিলো শহিদের প্রত্যাশা এবং এদেশের মানুষের জন আকাঙ্ক্ষা।

এর আগে চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের খিলছাদক এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ

গণসংযোগকালে কৈয়ারবিল ইউনিয়নের আবাল বৃদ্ধ-বনিতা তাকে এক নজর দেখার জন্য রাস্তায় চলে আসেন৷ তার আগমণে চারিদিকে মিছিলে, মিছিলে যেন উৎসবের আমেজ। অনেকে ফুলের মালা, ফুলের পাপড়ি কেউ আবার দু’হাত নেড়ে সালাহউদ্দিন আহমদকে শুভেচ্ছা জানান।

এদিকে দিনব্যাপি ধানের শীষ প্রতীকের গণসংযোগ ও সভা- সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন- চকরিয়া উপজেলা বিএনপি সভাপতি এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম কক্সবাজার জেলা আহবায়ক মাওলানা শামসুদ্দিন আলতাফ, সদস্য সচিব মুফতি আজিজুল হাসান প্রমূখ।

চকরিয়া প্রতিনিধি: অনেক দল থাকবে, প্রার্থী থাকবে-এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। জনগণ যাদের ভালো মনে করে তাকে ভোট দিবে। আমি দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে আপনাদের সাথে আছি। আমি জেলে থাকার কারণে ২০০৮ সালে নির্বাচন করতে পারিনি। সেবার আমার স্ত্রী এডভোকেট হাসিনা আহমদকে আমার চাইতে বেশি ভোটে নির্বাচিত করেছিলেন। এ কারণে আমি এবং আমার পরিবার আজীবন আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। সুতরাং এতে করে বুঝতে পারি আপনারা আমাকে ভালবাসেন। এদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠানর সংগ্রাম করতে গিয়ে আমার জীবন বিপন্ন হতে বসেছিল। আমরা গণতন্ত্র কে হারিয়ে ফেলেছিলাম। কেউ মুক্ত পরিবেশে কথা বলতে পারেনি। তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে নাই।

আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকাল ৪ টায় চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের উত্তর কাকারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় বিএনপির জাতীয় স্হায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এ কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন,এখন গণতন্ত্র মুক্ত হয়েছে। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে নির্বাচিত করলে দেশের মানুষ মুক্ত গণতন্ত্র ফিরে পাবে। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের গতি তরান্বিত হবে-কারণ বিএনপি এদেশের গণমানুষের রাজনৈতিক দল।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে গিয়ে আমাদের সন্তানদের রক্ত দিতে হয়েছে। অসংখ্য মানুষকে পঙ্গু হতে হয়েছে। জনগণের ভাগ্য উন্নয়ন গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের প্রত্যাশা পুরণে ধানের শীষে ভোট দিন। আগামী নির্বাচনে আপনারা মুক্ত পরিবেশে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। আমি আপনাদের পরীক্ষিত মানুষ। এবারের নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে গণতন্ত্রকে উপভোগ করবেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশের হিন্দু সমাজ বিএনপির হাতে নিরাপদ। সকল ধর্মের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে বিএনপি। তাই জনগণ বিএনপিকে নিজেদের বন্ধু মনে করে। বিএনপি কর্মপরিকল্পনা করে এবং তা বাস্তবায়ন করে।

তিনি বলেন, বিএনপির যা কিছু পরিকল্পনা, রাষ্ট্র ভাবনা সবকিছুই এদেশের মানুষকে কেন্দ্র করেই। আসুন সবাই মিলে সারাদেশে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে নির্বাচিত করি। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এমন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বির্নিমাণ করবে যেটা ছিলো শহিদের প্রত্যাশা এবং এদেশের মানুষের জন আকাঙ্ক্ষা।

এর আগে চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের খিলছাদক এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ

গণসংযোগকালে কৈয়ারবিল ইউনিয়নের আবাল বৃদ্ধ-বনিতা তাকে এক নজর দেখার জন্য রাস্তায় চলে আসেন৷ তার আগমণে চারিদিকে মিছিলে, মিছিলে যেন উৎসবের আমেজ। অনেকে ফুলের মালা, ফুলের পাপড়ি কেউ আবার দু’হাত নেড়ে সালাহউদ্দিন আহমদকে শুভেচ্ছা জানান।

এদিকে দিনব্যাপি ধানের শীষ প্রতীকের গণসংযোগ ও সভা- সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন- চকরিয়া উপজেলা বিএনপি সভাপতি এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম কক্সবাজার জেলা আহবায়ক মাওলানা শামসুদ্দিন আলতাফ, সদস্য সচিব মুফতি আজিজুল হাসান প্রমূখ।