সৈয়দ মনির আহমদ, ফেনী: সোনাগাজীর মুছাপুর রেগুলেটর ধসে যাওয়ার পর জোয়ার-ভাটার তীব্র প্রভাবে ছোট ফেনী নদীর দুইপাড়ে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে শত শত বসতঘর ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে নদীভাঙন রোধ ও বসতঘর রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন ভাঙন কবলিত এলাকার বাসিন্দারা।

মানববন্ধনে সোনাগাজী উপজেলার চর মজলিশপুর ইউনিয়নের চর গোপালগাঁও, চান্দলা, কুঠিরহাট, জলদাপাড়া, মিয়াজী ঘাট, পুরাতন কাজিরহাট জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকাবাসি ও দাগনভূঞা উপজেলার জগতপুর গ্রামের নদীভাঙন কবলিত মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ভূমি মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মুছাপুর রেগুলেটর ধ্বসে পড়ার পর থেকে ছোট ফেনী নদীতে জোয়ার–ভাটার চাপ বেড়ে গিয়ে নদীর তীর দ্রুত ভেঙে পড়ছে। ইতোমধ্যে বহু পরিবার তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছে, অনেকে আবার ভিটেমাটি হারানোর আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন। দ্রুত কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সামনে আরও বড় মানবিক বিপর্যয় দেখা দেবে।

কাজিরহাট বাজারের ব্যবসায়ী মো. শামিম বলেন, আমরা ক্ষতিগ্রস্তরা বারবার পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলাপ্রশাসন ও বিভিন্ন দপ্তরের নদীভাঙনের বিষয়টি অবহিত করেছি, লিখিত আবেদন করেছি, কেউ কর্ণপাত করেনি।

দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করার আশ্বাস দেন জেলাপ্রশাসক মনিরা হক।

সৈয়দ মনির আহমদ, ফেনী: সোনাগাজীর মুছাপুর রেগুলেটর ধসে যাওয়ার পর জোয়ার-ভাটার তীব্র প্রভাবে ছোট ফেনী নদীর দুইপাড়ে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে শত শত বসতঘর ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে নদীভাঙন রোধ ও বসতঘর রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন ভাঙন কবলিত এলাকার বাসিন্দারা।

মানববন্ধনে সোনাগাজী উপজেলার চর মজলিশপুর ইউনিয়নের চর গোপালগাঁও, চান্দলা, কুঠিরহাট, জলদাপাড়া, মিয়াজী ঘাট, পুরাতন কাজিরহাট জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকাবাসি ও দাগনভূঞা উপজেলার জগতপুর গ্রামের নদীভাঙন কবলিত মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ভূমি মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মুছাপুর রেগুলেটর ধ্বসে পড়ার পর থেকে ছোট ফেনী নদীতে জোয়ার–ভাটার চাপ বেড়ে গিয়ে নদীর তীর দ্রুত ভেঙে পড়ছে। ইতোমধ্যে বহু পরিবার তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছে, অনেকে আবার ভিটেমাটি হারানোর আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন। দ্রুত কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সামনে আরও বড় মানবিক বিপর্যয় দেখা দেবে।

কাজিরহাট বাজারের ব্যবসায়ী মো. শামিম বলেন, আমরা ক্ষতিগ্রস্তরা বারবার পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলাপ্রশাসন ও বিভিন্ন দপ্তরের নদীভাঙনের বিষয়টি অবহিত করেছি, লিখিত আবেদন করেছি, কেউ কর্ণপাত করেনি।

দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করার আশ্বাস দেন জেলাপ্রশাসক মনিরা হক।