দি ক্রাইম ডেস্ক: টেকনাফের শরণার্থী ক্যাম্পে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে; যার বিরুদ্ধে আধা ডজন মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া নিবন্ধিত শরণার্থী ক্যাম্পের বিকাশ মোড় এলাকা থেকে গতকাল বুধবার ভোরে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয় বলে টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম জানান।

নিহত ৩০ বছর বয়সী আব্দুর রহিম ওরফে রইক্ষ্যা হ্নীলা ইউনিয়নের মোছনীর নয়াপাড়া গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী বলেন, ভোর সাড়ে ৫টার সময় রহিমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ক্যাম্পের ভেতরে পিটিয়ে ও গুলি করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। গত রোববার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী ডাকাত নুর কামাল হত্যাকাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতে নতুন করে খুনের ঘটনায় ক্যাম্প ও আশেপাশের এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে জানান তিনি। খবর বিডিনিউজের।

নিহতের স্ত্রী ছারা খাতুন বলেন, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে মোবাইল ফোনে কল দিয়ে বন্ধুরা আমার স্বামীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তিনি আর ফেরেননি। ক্যাম্পের রোহিঙ্গা বন্ধুরা আমার স্বামীকে হত্যা করেছে।

ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, নিহত আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় হত্যা, অপহরণ, ডাকাতি ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে ছয়টি মামলা রয়েছে। তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কঙবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের ধরতে আশ্রয়শিবিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান চলছে। তবে সেখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

দি ক্রাইম ডেস্ক: টেকনাফের শরণার্থী ক্যাম্পে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে; যার বিরুদ্ধে আধা ডজন মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া নিবন্ধিত শরণার্থী ক্যাম্পের বিকাশ মোড় এলাকা থেকে গতকাল বুধবার ভোরে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয় বলে টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম জানান।

নিহত ৩০ বছর বয়সী আব্দুর রহিম ওরফে রইক্ষ্যা হ্নীলা ইউনিয়নের মোছনীর নয়াপাড়া গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী বলেন, ভোর সাড়ে ৫টার সময় রহিমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ক্যাম্পের ভেতরে পিটিয়ে ও গুলি করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। গত রোববার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী ডাকাত নুর কামাল হত্যাকাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতে নতুন করে খুনের ঘটনায় ক্যাম্প ও আশেপাশের এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে জানান তিনি। খবর বিডিনিউজের।

নিহতের স্ত্রী ছারা খাতুন বলেন, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে মোবাইল ফোনে কল দিয়ে বন্ধুরা আমার স্বামীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তিনি আর ফেরেননি। ক্যাম্পের রোহিঙ্গা বন্ধুরা আমার স্বামীকে হত্যা করেছে।

ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, নিহত আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় হত্যা, অপহরণ, ডাকাতি ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে ছয়টি মামলা রয়েছে। তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কঙবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের ধরতে আশ্রয়শিবিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান চলছে। তবে সেখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।