ঢাকা অফিস: নিজের স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে দেশের কথা ভাবতে হবে। সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে নিজেকে অন্য প্রাণ ও প্রকৃতির সেবায় নিয়োজিত করতে হবে। আজ বুধবার(১৪ জানুয়ারী) ঢাকায় বেইলি রোডে ভিকারুননিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা জন্মদিবস উপলক্ষ্যে ÔRoots to Legacy: Platinum Jubilee CelebrationÕ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তথ্য ও সম্প্রচার, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এসব কথা বলেন।

স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে রিজওয়ানা হাসান বলেন, আজ তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে নয় ভিকারুননিসা নুন স্কুল পরিবারের সদস্য হিসেবে উপস্থিত হতে পেরে সম্মানিত বোধ করছেন। এই স্কুল অসংখ্য যোগ্য ও স্বনামধন্য শিক্ষার্থী তৈরি করেছে। এই স্কুলকে যারা মহিমান্বিত করেছেন, শ্রম দিয়েছেন সেই মানুষ গড়ার কারিগরদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধা।

উপদেষ্টা সকলকে পরিবেশের প্রতি আরো যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের বুঝতে হবে কেন আমরা প্লাস্টিকের বোতল ছেড়ে কাচের জগ-গ্লাসে ফেরত যাচ্ছি। এটা মূল্যবোধের বিষয়। যারা এখানে আছেন তারা বাবা-মাকে, পরিবারকে প্লাস্টিকের ব্যাগের বদলে আগের মতো চটের ব্যাগ ব্যবহার করতে অনুরোধ করবেন। বর্তমানে প্লাস্টিক আমাদের শরীরের রক্তে, ফুসফুসে, মায়ের দুধে পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে, এ জন্য মানুষের অসচেতনতা দায়ী।

উপদেষ্টা বলেন, আপনাদের রাজনীতি সচেতন হতে হবে। দেশের জন্য কাজ করতে হবে। ব্যক্তিগত জীবনের সফলতা শুধু ব্যক্তি ও পরিবার উদ্যাপন করে; কিন্তু সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনের সফলতা সমাজ ও রাষ্ট্র উদ্যাপন করে। দেশকে বদলাতে হলে আগে নিজেকে বদলাতে হবে।

অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম তাঁর বক্তৃতায় বলেন, উপদেষ্টা রেজওয়ানা হাসান তাঁর মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতার কারণে এই স্কুলের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের প্রেরণার উৎস। নিজেকে এই পরিবারের সাথে যুক্ত রাখার জন্য তিনি উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান।

স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং স্কুলের এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, ভিকারুননিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজের অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির সভাপতি মোঃ আজমল হক এবং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন।

আলোচনা শেষে স্কুল ও কলেজের ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে উপদেষ্টা সকলকে নিয়ে কেক কাটেন এবং বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাথে ফটোসেশনে অংশ নেন।

ঢাকা অফিস: নিজের স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে দেশের কথা ভাবতে হবে। সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে নিজেকে অন্য প্রাণ ও প্রকৃতির সেবায় নিয়োজিত করতে হবে। আজ বুধবার(১৪ জানুয়ারী) ঢাকায় বেইলি রোডে ভিকারুননিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা জন্মদিবস উপলক্ষ্যে ÔRoots to Legacy: Platinum Jubilee CelebrationÕ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তথ্য ও সম্প্রচার, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এসব কথা বলেন।

স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে রিজওয়ানা হাসান বলেন, আজ তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে নয় ভিকারুননিসা নুন স্কুল পরিবারের সদস্য হিসেবে উপস্থিত হতে পেরে সম্মানিত বোধ করছেন। এই স্কুল অসংখ্য যোগ্য ও স্বনামধন্য শিক্ষার্থী তৈরি করেছে। এই স্কুলকে যারা মহিমান্বিত করেছেন, শ্রম দিয়েছেন সেই মানুষ গড়ার কারিগরদের জানাই অশেষ শ্রদ্ধা।

উপদেষ্টা সকলকে পরিবেশের প্রতি আরো যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের বুঝতে হবে কেন আমরা প্লাস্টিকের বোতল ছেড়ে কাচের জগ-গ্লাসে ফেরত যাচ্ছি। এটা মূল্যবোধের বিষয়। যারা এখানে আছেন তারা বাবা-মাকে, পরিবারকে প্লাস্টিকের ব্যাগের বদলে আগের মতো চটের ব্যাগ ব্যবহার করতে অনুরোধ করবেন। বর্তমানে প্লাস্টিক আমাদের শরীরের রক্তে, ফুসফুসে, মায়ের দুধে পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে, এ জন্য মানুষের অসচেতনতা দায়ী।

উপদেষ্টা বলেন, আপনাদের রাজনীতি সচেতন হতে হবে। দেশের জন্য কাজ করতে হবে। ব্যক্তিগত জীবনের সফলতা শুধু ব্যক্তি ও পরিবার উদ্যাপন করে; কিন্তু সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনের সফলতা সমাজ ও রাষ্ট্র উদ্যাপন করে। দেশকে বদলাতে হলে আগে নিজেকে বদলাতে হবে।

অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম তাঁর বক্তৃতায় বলেন, উপদেষ্টা রেজওয়ানা হাসান তাঁর মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতার কারণে এই স্কুলের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের প্রেরণার উৎস। নিজেকে এই পরিবারের সাথে যুক্ত রাখার জন্য তিনি উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান।

স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং স্কুলের এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, ভিকারুননিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজের অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির সভাপতি মোঃ আজমল হক এবং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন।

আলোচনা শেষে স্কুল ও কলেজের ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে উপদেষ্টা সকলকে নিয়ে কেক কাটেন এবং বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাথে ফটোসেশনে অংশ নেন।