দি ক্রাইম ডেস্ক: খুলনায় বাংলাদেশ রেলওয়ের অব্যবহৃত জমিতে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিতে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এক যুগেরও বেশি সময় আগে। তবে দীর্ঘ ১৩ বছর পার হলেও প্রয়োজনীয় জমির সংকটে আলোর মুখ দেখেনি প্রকল্পটি।

শেষ পর্যন্ত সেই ‘নিউ মডার্ন মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল অব ২৫০ বেডস অন দ্য আনইউজড ল্যান্ড ইন খুলনা’ শীর্ষক প্রকল্পটি পিপিপি তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, খুলনায় বাংলাদেশ রেলওয়ের ১৫ দশমিক ৫২ একর জমির ওপর প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা ছিল। তবে প্রকল্পের জন্য এই জমি প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল হওয়ায় রেলপথ মন্ত্রণালয় এটি পিপিপি তালিকা থেকে প্রত্যাহারের প্রস্তাব নিয়ে আসে। উপদেষ্টা পরিষদ প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।

জানা গেছে, ২০১২ সালে খুলনায় রেলওয়ের অব্যবহৃত ১৫ দশমিক ৫২ একর জমির ওপর ২৫০ শয্যার এই হাসপাতাল তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ১৪ আগস্ট অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটির বৈঠকে প্রকল্পটি পিপিপি ভিত্তিতে বাস্তবায়নের প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছিল।

প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য নির্ধারিত জায়গা পর্যাপ্ত না হওয়ায় সম্ভাব্যতা সমীক্ষার জন্য কোনো ট্রানজ্যাকশন অ্যাডভাইজর (টিএ) নিয়োগ করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে প্রকল্পের কার্যক্রম স্থবির হয়ে থাকায় এটি পিপিপি তালিকা থেকে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব করা হয় এবং উপদেষ্টা পরিষদ তা অনুমোদন করে। ৮০০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ের এই প্রকল্পটি শেষ পর্যন্ত বাতিলের খাতায় চলে গেল।

দি ক্রাইম ডেস্ক: খুলনায় বাংলাদেশ রেলওয়ের অব্যবহৃত জমিতে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিতে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এক যুগেরও বেশি সময় আগে। তবে দীর্ঘ ১৩ বছর পার হলেও প্রয়োজনীয় জমির সংকটে আলোর মুখ দেখেনি প্রকল্পটি।

শেষ পর্যন্ত সেই ‘নিউ মডার্ন মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল অব ২৫০ বেডস অন দ্য আনইউজড ল্যান্ড ইন খুলনা’ শীর্ষক প্রকল্পটি পিপিপি তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, খুলনায় বাংলাদেশ রেলওয়ের ১৫ দশমিক ৫২ একর জমির ওপর প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা ছিল। তবে প্রকল্পের জন্য এই জমি প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল হওয়ায় রেলপথ মন্ত্রণালয় এটি পিপিপি তালিকা থেকে প্রত্যাহারের প্রস্তাব নিয়ে আসে। উপদেষ্টা পরিষদ প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।

জানা গেছে, ২০১২ সালে খুলনায় রেলওয়ের অব্যবহৃত ১৫ দশমিক ৫২ একর জমির ওপর ২৫০ শয্যার এই হাসপাতাল তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ১৪ আগস্ট অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটির বৈঠকে প্রকল্পটি পিপিপি ভিত্তিতে বাস্তবায়নের প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছিল।

প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য নির্ধারিত জায়গা পর্যাপ্ত না হওয়ায় সম্ভাব্যতা সমীক্ষার জন্য কোনো ট্রানজ্যাকশন অ্যাডভাইজর (টিএ) নিয়োগ করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে প্রকল্পের কার্যক্রম স্থবির হয়ে থাকায় এটি পিপিপি তালিকা থেকে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব করা হয় এবং উপদেষ্টা পরিষদ তা অনুমোদন করে। ৮০০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ের এই প্রকল্পটি শেষ পর্যন্ত বাতিলের খাতায় চলে গেল।