দি ক্রাইম ডেস্ক: ভোরে রাজধানী ঢাকা ও দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বিভিন্ন জেলায় ৫ দশমিক ২ মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোর ৪টা ৪৭ মিনিটে এই ভূকম্পন অনুভূত হয় বলে আন্তর্জাতিক ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলো নিশ্চিত করেছে।

ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র কয়েক সেকেন্ড, তবে ভোরের দিকে এই কম্পনের ফলে ঘুমন্ত মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই দ্রুত ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। এখন পর্যন্ত এই ভূমিকম্পে দেশের কোথাও কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ইউরো-মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের আসাম রাজ্যের ধিং এলাকা থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। গাণিতিকভাবে এর অবস্থান ছিল ২৬ দশমিক ৪৭০ উত্তর অক্ষাংশে এবং ৯২ দশমিক ৪৩৮ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।

ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল আসামের ধিং শহর থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং দেশটির মেঘালয় ও আসামের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে রাজধানী গুয়াহাটির ৭৬ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর পাশাপাশি বাংলাদেশের সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগেও এই কম্পন বেশ জোরালোভাবে অনুভূত হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, এর আগে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর মধ্যরাতে সিলেটে মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুইবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। সে সময়কার ভূমিকম্প দুটির উৎপত্তিস্থল ছিল সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বিয়ানিবাজারে।

সাম্প্রতিক সময়ে এই অঞ্চলে বারবার ভূমিকম্পের ফলে ভূতাত্ত্বিকরা এই এলাকাকে বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে সতর্ক করছেন। আজকের ভূমিকম্পের পর উদ্ধারকারী সংস্থা ও ফায়ার সার্ভিস মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ করছে বলে জানা গেছে।

দি ক্রাইম ডেস্ক: ভোরে রাজধানী ঢাকা ও দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বিভিন্ন জেলায় ৫ দশমিক ২ মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোর ৪টা ৪৭ মিনিটে এই ভূকম্পন অনুভূত হয় বলে আন্তর্জাতিক ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলো নিশ্চিত করেছে।

ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র কয়েক সেকেন্ড, তবে ভোরের দিকে এই কম্পনের ফলে ঘুমন্ত মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই দ্রুত ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। এখন পর্যন্ত এই ভূমিকম্পে দেশের কোথাও কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ইউরো-মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের আসাম রাজ্যের ধিং এলাকা থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। গাণিতিকভাবে এর অবস্থান ছিল ২৬ দশমিক ৪৭০ উত্তর অক্ষাংশে এবং ৯২ দশমিক ৪৩৮ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।

ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল আসামের ধিং শহর থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং দেশটির মেঘালয় ও আসামের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে রাজধানী গুয়াহাটির ৭৬ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর পাশাপাশি বাংলাদেশের সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগেও এই কম্পন বেশ জোরালোভাবে অনুভূত হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, এর আগে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর মধ্যরাতে সিলেটে মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুইবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। সে সময়কার ভূমিকম্প দুটির উৎপত্তিস্থল ছিল সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বিয়ানিবাজারে।

সাম্প্রতিক সময়ে এই অঞ্চলে বারবার ভূমিকম্পের ফলে ভূতাত্ত্বিকরা এই এলাকাকে বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে সতর্ক করছেন। আজকের ভূমিকম্পের পর উদ্ধারকারী সংস্থা ও ফায়ার সার্ভিস মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ করছে বলে জানা গেছে।