নগর প্রতিবেদক: নগরীর পাহাড়তলী থানার কিশোর গ্যাং কর্তৃক চাঞ্চল্যকর আকাশ দাশ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি নাজমুল হুদা’কে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী থানা এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭। গতকাল শুক্রবার(২৭ ফেব্রুয়ারি) র্যাব-৭ ও র্যাব-১৩ রংপুর এর যৌথ অভিযানে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী থানাধীন পলাশবাড়ী পৌরসভা এলাকায় অভিযান পরিচালানা করে আসামি নাজমুল হুদা (১৯) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাবুল দাশ নগরীর পাহাড়তলী থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং-৯, তারিখ- ২৭; ধারা- ১৪৩/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০২/৩৪, পেনাল কোড-১৮৬০।
র্যাব জানায়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে পাহাড়তলী থানাধীন বিটাক এসটেক প্লাস্টিক ফ্যাক্টরী এলাকায় আকাশ দাশ (২৬) নামের এক যুবককে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরর্বতীতে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় ভিকটিম আকাশ দাশকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নৃশংস এই হত্যাকান্ডের ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ায় গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হলে ব্যাপক আলোচিত হয়। উক্ত হত্যাকান্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে র্যাব গোয়েন্দা নজদারী বৃদ্ধি করে।
জানা গেছে, ভিকটিম আকাশ দাশ (২৬) দক্ষিণ কাট্টলী, ধোপাপাড়ায় ভাড়াটিয়া বাসায় বসবাস করতো। সে পাহাড়তলী থানাধীন বিটাক এসটেক প্লাস্টিক ফ্যাক্টরীতে হেয়পার হিসেবে চাকুরী করে। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে এসটেক ফ্যাক্টরীর শোল্ডার শাখার কর্মচারী মাইকেল’কে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা পূর্ব সূত্রতার জের ধরে বেআইনি জনতাবদ্ধ হয়ে ফ্যাক্টরীর সামনের গেইট থেকে টেনে হিছড়ে বাহিরে নিয়ে চলে যায় এবং আকাশ দাশ সন্ত্রাসীদের কবল থেকে মাইকেল’কে উদ্ধার করে এসটেক ফ্যাক্টরীর মূল গেইটের ফটকে নিয়ে আসে এবং অভিযুক্ত নাজমুল হুদাসহ অজ্ঞাতনামা ১২/১৫ জন পূর্ব পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজসে ভিকটিম আকাশ দাশকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিমের বাবা ও উপস্থিত এলাকাবাসী সহায়তায় ভিকটিমকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভিকটিম’কে মৃত ঘোষনা করে।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে মহানগরীর পাহাড়তলী থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।




