কক্সবাজার প্রতিনিধি: চকরিয়া থানা এলাকার সাহারবিল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রামপুর গুরুন্যাকাটা এলাকায় জায়গা–জমি সংক্রান্ত পূর্বশত্রুতার জেরে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনায় মামলার এজাহারভুক্ত ১ ও ২ নম্বর আসামি এনাম হোসেন ও তার পিতা আনোয়ার হোসেন প্রকাশ আনু মিস্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটে ২৭ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিনের জমিজমা বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় নাসির উদ্দিন (৫০)সহ অন্তত পাঁচজন গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে নাসির উদ্দিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় নাসির উদ্দিনের পুত্র এন. নাইমুল ইসলাম সজীব বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দুই আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, দ্রুত অভিযান চালিয়ে আসামি গ্রেপ্তার করায় স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের এ তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

এ বিষয়ে চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনির হোসেন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, “মামলার অন্যান্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

কক্সবাজার প্রতিনিধি: চকরিয়া থানা এলাকার সাহারবিল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রামপুর গুরুন্যাকাটা এলাকায় জায়গা–জমি সংক্রান্ত পূর্বশত্রুতার জেরে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনায় মামলার এজাহারভুক্ত ১ ও ২ নম্বর আসামি এনাম হোসেন ও তার পিতা আনোয়ার হোসেন প্রকাশ আনু মিস্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটে ২৭ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিনের জমিজমা বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় নাসির উদ্দিন (৫০)সহ অন্তত পাঁচজন গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে নাসির উদ্দিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় নাসির উদ্দিনের পুত্র এন. নাইমুল ইসলাম সজীব বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দুই আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, দ্রুত অভিযান চালিয়ে আসামি গ্রেপ্তার করায় স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের এ তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

এ বিষয়ে চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনির হোসেন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, “মামলার অন্যান্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।