ঢাকা অফিস: চলতি মৌসুমে মানসম্মত পাটবীজের সংকট দূর করতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ফলে বীজের সংকট হবে না বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। আজ রবিবার(০৪জানুয়ারী) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টার অফিস কক্ষে বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠককালে তিনি এ তথ্য জানান।

পাট রপ্তানিকারকগণের পক্ষ থেকে উপদেষ্টাকে জানানো হয় যে, কাঁচা পাট রপ্তানি হওয়ার কারণে বাজারকে অস্থিতিশীল করতে অবৈধভাবে অনেকেই মজুতদারি শুরু করেছে। ফলে প্রতিনিয়ত পাটের দাম বেড়েই চলেছে। এতে কৃষক উপকৃত হচ্ছে না বরং এটিতে মজুতদারেরা লাভবান হচ্ছে, তারা পাটের বাজারে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে।

তারা বলেন, অবৈধ মজুতদারি রোধ না করলে প্রকৃত পাট চাষী ও পাট ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত সকলেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সর্বোপরি অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেশের ক্ষতি হবে। নেতৃবৃন্দ এসময় মজুতদারি বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানান।

উপদেষ্টা আশ্বস্ত করে বলেন, পাটের অবৈধ মজুতদারি প্রতিরোধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে। খুব শীঘ্রই পাট উৎপাদন বেশি হয় এমন ৪ জেলায় মজুতদারি প্রতিরোধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি তাপস প্রামানিক, ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন, বোর্ড ডিরেক্টর মোহাম্মদ শাহজাহান এবং হেলাল আহমেদ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা অফিস: চলতি মৌসুমে মানসম্মত পাটবীজের সংকট দূর করতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ফলে বীজের সংকট হবে না বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। আজ রবিবার(০৪জানুয়ারী) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টার অফিস কক্ষে বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠককালে তিনি এ তথ্য জানান।

পাট রপ্তানিকারকগণের পক্ষ থেকে উপদেষ্টাকে জানানো হয় যে, কাঁচা পাট রপ্তানি হওয়ার কারণে বাজারকে অস্থিতিশীল করতে অবৈধভাবে অনেকেই মজুতদারি শুরু করেছে। ফলে প্রতিনিয়ত পাটের দাম বেড়েই চলেছে। এতে কৃষক উপকৃত হচ্ছে না বরং এটিতে মজুতদারেরা লাভবান হচ্ছে, তারা পাটের বাজারে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে।

তারা বলেন, অবৈধ মজুতদারি রোধ না করলে প্রকৃত পাট চাষী ও পাট ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত সকলেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সর্বোপরি অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেশের ক্ষতি হবে। নেতৃবৃন্দ এসময় মজুতদারি বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানান।

উপদেষ্টা আশ্বস্ত করে বলেন, পাটের অবৈধ মজুতদারি প্রতিরোধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে। খুব শীঘ্রই পাট উৎপাদন বেশি হয় এমন ৪ জেলায় মজুতদারি প্রতিরোধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি তাপস প্রামানিক, ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন, বোর্ড ডিরেক্টর মোহাম্মদ শাহজাহান এবং হেলাল আহমেদ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।