সাতকানিয়া প্রতিনিধি: অস্ত্র উদ্ধার না হলে সুষ্ঠু নির্বাচন সংকটের মধ্যে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) সংসদীয় আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য আলহাজ্ব শাহাজাহান চৌধুরী।
তিনি বলেন, আমি শুধু আবেগ নয়, বাস্তবতার নিরিখেই বলছি ; এ নির্বাচন যদি সুষ্ঠু করতে হয় তাহলে অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে। আমাকে (শাহাজাহান) গতকাল (রোববার) সকাল সাড়ে ১১ টায় ও দুপুর ১২ টায় দুইটা টেলিফোন করেছে। ফোনে তারা বলেছেন-আমার নিরাপত্তার ব্যাপারে কর্তা তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। আমি বলেছি, আমার নিরাপত্তার ব্যাপারে আপনাদের চিন্তা করতে হবে না ; আমি আল্লাহর উপর নির্ভর করছি। তবে জনগণের নিরাপত্তার জন্য কি করা যায়, ভোটারদের নিরাপত্তার জন্য কি করা যায় সেটাই চিন্তা করেন।
তিনি (শাহাজাহান) সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সাতকানিয়া উপজেলার কেরানিহাট এলাকার একটি রেস্তোঁরায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।
আবেগের সুরে শাহাজাহান চৌধুরী বলেন, ভাইরে আমি বড় দুঃখ, ব্যথা ও বেদনা নিয়ে ৪২টি বছর কাটিয়েছি। অস্ত্র উদ্ধার অবশ্যই করতে হবে। অস্ত্র উদ্ধার না হলে নির্বাচন আমার মনে হয় সংকটের মধ্যে পড়ে যাবে। আমি আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে বলছি-বাড়িয়ে বলবো না, সন্ত্রাসীও বলবো না। অস্ত্র উদ্ধারে ঢাকা-চট্টগ্রাম বাংলাদেশের মধ্যে ক্রোয়েশিয়াল একটি পয়েন্ট। এখনো অস্ত্র আসছে।
শাহাজাহান চৌধুরী বলেন, আমাদের চট্টগ্রাম বন্দর ১৮ কোটি মানুষের সম্পদ, অর্থনীতির দ্বার। ১৮ কোটি মানুষের মুক্তির জন্য চট্টগ্রাম বন্দরকে আধুনিকায়ন করে কিভাবে সিঙ্গাপুর ও কম্বোডিয়ার আদলে সাজাতে পারি, সে চিন্তা করতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দরের আয় থেকে ১% চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ রাখলে আমি হিসাব করে দেখেছি, তিন বছরের মধ্যে আমাদের চট্টগ্রামকে সিঙ্গাপুরে পরিণত করতে পারব।
আমরা ৮ দল ঐক্যবদ্ধ উল্লেখ করে শাহাজাহান চৌধুরী বলেন, আমরা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। ঐক্যবদ্ধভাবে দেশটাকে সাজাতে হবে। বিশেষ করে সাতকানিয়া-লোহাগাড়াকে সাজাতে হবে। আমার ভেতরটা ফেটে যাচ্ছে, এটা কি দেশ?




