ইউসুফ হোসাইন লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি: নাটোরের লালপুর বিলমাড়িয়া গ্রামের পদ্মার শুকনো মরুভূমিতে এখন শোভা পাচ্ছে ফুটন্ত ‘সূর্যমুখী ফুল। হৃদয় জুড়ানো বিস্তীর্ণ বালুচরে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে সূর্যমুখী ফুলের অপরূপ দৃশ্য। স্রষ্টার অপরূপ সৌন্দর্যের নয়নাভিরাম হলুদ সূর্যমুখী স্বতঃস্ফূর্ততা তাৎক্ষণিক মানসিক আত্মিক চিন্তনের মিশ্রণ নিজেকে ভারমুক্ত করার এক সৃষ্টিময় পথ।
স্রষ্টার সৃষ্টিময় অপরূপ সৌন্দর্যের নয়নাভিরাম হলুদ সূর্যমুখীর দৃশ্যে তাৎক্ষণিক আত্মিক চিন্তনে অপরূপ সৌন্দর্যের স্বতঃস্ফূর্ততা ব্যক্তিসত্তার সঙ্গে অপরূপ সৌন্দর্যের স্বতঃস্ফূর্ততার মূল বৈশিষ্ট্য। অনিন্দ্যসুন্দর ফুলের বাগান দেখতে আর সূর্যমুখীর রাজ্যে নিজেদের ছবি ও সেলফি তুলতে প্রতিদিনই বিলমাড়িয়া পদ্মার চরে ভিড় করছেন বিভিন্ন বয়সি সৌন্দর্যপিপাসু মানুষ। এতে অবশ্য বাগানের কিছুটা ক্ষতিও হচ্ছে। ফলে খানিকটা বিরক্ত হয়ে উঠেছেন অনেক বাগান মালিক। উৎসুক মানুষের কাছে এসব সূর্যমুখী ফুল শুধু সৌন্দর্যের ডালপালা মনে হলেও বাস্তবে দৈনন্দিন চাহিদা মেটানোর একটি উপকরণ।
সূর্যমুখী ফুলের শুকনো বীজ থেকে উৎপাদিত হয় তেল। পাশাপাশি এ ফুলের উচ্ছিষ্ট থেকে বের হয় ‘খইল নামের এক ধরনের গোখাদ্য। তুলনামূলক লাভজনক হওয়ায় সূর্যমুখীর আবাদে উৎসাহী হয়েছেন উপজেলার বিলমাড়িয়া গ্রামের কৃষক মুনতাজ আলী প্রথম বারের মতো এবার সূর্যমুখী চাষ করার পর কাঙ্খিতফলন পেয়ে খুশি তিনি। তার মতো উচ্ছ্বসিত পদ্মার চরের অন্য সূর্যমুখী চাষিরাও। চরের মাটিও আবহাওয়া এ ফুল চাষাবাদের জন্য উপযোগী হওয়ায় কম সময় ও অর্থ ব্যয় হয় সূর্যমুখী চাষে। সে হিসেবে কৃষকদের লাভও হয় বেশি। এবার ভালো ফলন পেয়ে ভালো লাভের সম্ভাবনা।
এ ব্যপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম কুমার হোড় এ প্রতিবেদকে বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর বাংলাদেশের চর-এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের মাধ্যমে লালপুর উপজেলার বিলমাড়িয়া এলাকায় চর ভূমিতে সূর্যিমুখীর চাষাবাদ শুরু হয়ে উঠেছে ।




