ক্রাইম প্রতিবেদক: কালুঘাট বেতার কে‌ন্দ্রের ভেত‌রে অব‌স্থিত জিয়া স্মৃ‌তি জাদুঘর বন্ধ ও এর কিউ‌রেটস‌কে ওএস‌ডি করার দা‌বি‌তে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারক‌লি‌পি দি‌য়ে‌ছেন চট্টগ্রা‌মের বি‌ভিন্ন সংগঠ‌নের নেতারা। আজ সোমবার সকালে সাড়ে ১১ টায় জেলা প্রশাসক মমিনুর রহমান বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এসময় চট্টগ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা, সর্বন্তরের লেখক, সাংবাদিক, শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিহাস পাঠে সবাই জানেন জিয়াউর রহমান ছিলেন বঙ্গবন্ধু হত্যার মদদ প্রদানকারী সামরিক জান্তা। তাই চট্টগ্রামের মানুষ তার নামে সরকারী অর্থে কোন জাদুঘর পরিচালনা বাঙালি জাতি রাষ্ট্রের আদর্শ পরিপন্থী বলে মনে করে। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে জাদুঘরটি বেসরকারি বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
‘১৬ আগস্ট ২০১৬ তারিখে সুপ্রীম কোর্টের ওয়েব সাইটে প্রকাশিত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ এর রায়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে “একজন আর্মি রুলস ভঙ্গকারী” “অবৈধ দখলদার রাষ্ট্রপতি বলে উল্লেখ করেছেন হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল।

রায়ে তিনি বলেছেন, প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম, মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান গং দেশে নির্বাচিত প্রতিনিধি থাকা সত্ত্বেও অস্ত্র এবং অবৈধ কলমের খোঁচায় নির্বাচিত জাতীয় সংসদকে ভেঙ্গে ডাকাতদের মতো জোরপূর্বক জনগণের ক্ষমতা ডাকাতি করে দখল করে। প্রতিবেদনটির অনুলিপি তিনি জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক, কীপার (জনশিক্ষা), জাতীয় জানুঘর ও গ্রন্থাগারিককে প্রেরণ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, রাজনীতিবিদ মফিজুর রহমান, মোহাম্মদ ইউনুছ, সাংবাদিক কামরুল হাসান বাদল, সাংবাদিক শুকলাল দাশ, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সভাপতি সাইফুল আলম বাবু, মিলি চৌধুরী, সাংবাদিক কমল দাশ, আফম মোদাচ্ছের আলী, মুজাহিদুল ইসলাম, মানবাধিকার নেতা আমিনুল হক বাবু প্রমূখ।

ক্রাইম প্রতিবেদক: কালুঘাট বেতার কে‌ন্দ্রের ভেত‌রে অব‌স্থিত জিয়া স্মৃ‌তি জাদুঘর বন্ধ ও এর কিউ‌রেটস‌কে ওএস‌ডি করার দা‌বি‌তে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারক‌লি‌পি দি‌য়ে‌ছেন চট্টগ্রা‌মের বি‌ভিন্ন সংগঠ‌নের নেতারা। আজ সোমবার সকালে সাড়ে ১১ টায় জেলা প্রশাসক মমিনুর রহমান বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এসময় চট্টগ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা, সর্বন্তরের লেখক, সাংবাদিক, শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিহাস পাঠে সবাই জানেন জিয়াউর রহমান ছিলেন বঙ্গবন্ধু হত্যার মদদ প্রদানকারী সামরিক জান্তা। তাই চট্টগ্রামের মানুষ তার নামে সরকারী অর্থে কোন জাদুঘর পরিচালনা বাঙালি জাতি রাষ্ট্রের আদর্শ পরিপন্থী বলে মনে করে। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে জাদুঘরটি বেসরকারি বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
‘১৬ আগস্ট ২০১৬ তারিখে সুপ্রীম কোর্টের ওয়েব সাইটে প্রকাশিত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ এর রায়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে “একজন আর্মি রুলস ভঙ্গকারী” “অবৈধ দখলদার রাষ্ট্রপতি বলে উল্লেখ করেছেন হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল।

রায়ে তিনি বলেছেন, প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম, মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান গং দেশে নির্বাচিত প্রতিনিধি থাকা সত্ত্বেও অস্ত্র এবং অবৈধ কলমের খোঁচায় নির্বাচিত জাতীয় সংসদকে ভেঙ্গে ডাকাতদের মতো জোরপূর্বক জনগণের ক্ষমতা ডাকাতি করে দখল করে। প্রতিবেদনটির অনুলিপি তিনি জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক, কীপার (জনশিক্ষা), জাতীয় জানুঘর ও গ্রন্থাগারিককে প্রেরণ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, রাজনীতিবিদ মফিজুর রহমান, মোহাম্মদ ইউনুছ, সাংবাদিক কামরুল হাসান বাদল, সাংবাদিক শুকলাল দাশ, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সভাপতি সাইফুল আলম বাবু, মিলি চৌধুরী, সাংবাদিক কমল দাশ, আফম মোদাচ্ছের আলী, মুজাহিদুল ইসলাম, মানবাধিকার নেতা আমিনুল হক বাবু প্রমূখ।