মিজবাউল হক, চকরিয়া : কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়া ও লোহাগাড়ার চুনতি জাঙ্গালীয়া অংশে পৃথক তিনটি সড়ক দূর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে হারবাং, মালুমঘাট ও চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আরও অন্তত কয়েকজন আহত হয়েছেন।

চিরিংগা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ আরিফুল আমিন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এদিন সকাল আনুমানিক ৮টা ১০ মিনিটে চকরিয়া উপজেলার হারবাং বাজারের প্রায় ২০০ মিটার উত্তরে একটি বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামগামী একটি বাস বিপরীত দিক থেকে আসা মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিলে মোটরসাইকেল আরোহী মো. মিজানুর রহমান (৩২) গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার উত্তর কালিয়াইশ এলাকার বাসিন্দা।

একই সময়ের কাছাকাছি মহাসড়কের মালুমঘাট এলাকায় একটি বাস ও কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে আরও একজন নিহত হন। নিহত মো. ইউসুফ চট্টগ্রামের চান্দগাঁও এলাকার মুন্সি মিয়ার ছেলে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে মালুমঘাট হাইওয়ে থানার এসআই মো. জিয়া উদ্দিন।

এর কিছুক্ষণের মধ্যেই সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় কক্সবাজার থেকে খাগড়াছড়িগামী একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন এবং অন্তত চারজন আহত হন।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ইন্দাসারা ভিক্ষু (৪৪)। তিনি খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি চৌধুরী পাড়ার মৃত মংশি মগের ছেলে। বাকি দুইজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দোহাজারী হাইওয়ে থানার ইনচার্জ সালাহউদ্দিন চৌধুরী।

লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ফিরোজ খান জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। আমরা ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছি এবং আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এবিষয়ে মালুমঘাট, চিরিংগা ও দোহাজারী হাইওয়ে থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তারা বলেন, দূর্ঘটনাগুলোর কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কাজ করছে। সেই সাথে নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ ও পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানান তারা।

মিজবাউল হক, চকরিয়া : কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়া ও লোহাগাড়ার চুনতি জাঙ্গালীয়া অংশে পৃথক তিনটি সড়ক দূর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে হারবাং, মালুমঘাট ও চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আরও অন্তত কয়েকজন আহত হয়েছেন।

চিরিংগা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ আরিফুল আমিন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এদিন সকাল আনুমানিক ৮টা ১০ মিনিটে চকরিয়া উপজেলার হারবাং বাজারের প্রায় ২০০ মিটার উত্তরে একটি বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামগামী একটি বাস বিপরীত দিক থেকে আসা মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিলে মোটরসাইকেল আরোহী মো. মিজানুর রহমান (৩২) গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার উত্তর কালিয়াইশ এলাকার বাসিন্দা।

একই সময়ের কাছাকাছি মহাসড়কের মালুমঘাট এলাকায় একটি বাস ও কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে আরও একজন নিহত হন। নিহত মো. ইউসুফ চট্টগ্রামের চান্দগাঁও এলাকার মুন্সি মিয়ার ছেলে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে মালুমঘাট হাইওয়ে থানার এসআই মো. জিয়া উদ্দিন।

এর কিছুক্ষণের মধ্যেই সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় কক্সবাজার থেকে খাগড়াছড়িগামী একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন এবং অন্তত চারজন আহত হন।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ইন্দাসারা ভিক্ষু (৪৪)। তিনি খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি চৌধুরী পাড়ার মৃত মংশি মগের ছেলে। বাকি দুইজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দোহাজারী হাইওয়ে থানার ইনচার্জ সালাহউদ্দিন চৌধুরী।

লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ফিরোজ খান জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। আমরা ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছি এবং আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এবিষয়ে মালুমঘাট, চিরিংগা ও দোহাজারী হাইওয়ে থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তারা বলেন, দূর্ঘটনাগুলোর কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কাজ করছে। সেই সাথে নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ ও পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানান তারা।