রংপুর প্রতিনিধি: রংপুর মেট্রোপলিটন পরশুরাম থানার (এসআই) হালিম কর্তৃক স্থানীয় সাংবাদিক লাঞ্ছিত হয়েছেন। অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য হলেন রংপুর মেট্রোপলিটন পরশুরাম থানার (এসআই) হালিম।

সাংবাদিক মোঃ মশিউর রহমান ইসাদ জানান, গতকাল রাত্রি ২ টার দিকে পরশুরাম থানা গেটে অবস্থিত আমার নিজস্ব বাসায় রাত্রিযাপন করা অবস্থায় শুনতে পারি ৮-১০ মিনিট ধরে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স ইমারজেন্সি হর্ন বেজেই যাচ্ছেন। পরে আমি আমার বাসা গেটের তালা খুলে দেখতে পাই রংপুর পাটগ্রাম রোডে ভাড়ি পাথরবাহী ট্রাক দিয়ে পুরো রাস্তা বন্ধ করে ফেলেছে। এমতবস্থায় জরুরি রোগী নিয়ে বিপাকে পড়েছেন অ্যাম্বুলেন্স চালক ও রোগীর স্বজনরা। পরবর্তীতে আমিও আমার এলাকার কয়েকজন মিলে পাথরবাহী ট্রাক সাইট করে অ্যাম্বুলেন্সকে যাওয়ার রাস্তা করে দেই এবং সামনে গিয়ে দেখতে পাই,রংপুর মেট্রোপলিটন পরশুরাম থানার এসআই হালিম ও বাংলা টিভির ব্যুরো প্রধান সহ দু’জন সাংবাদিককে। সেখানে গিয়ে জানতে পারি, রংপুর-পাটগ্রাম রোডে পাথরবাহী ভাড়ি ট্রাক ও যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ থাকলেও অবৈধভাবে প্রভাবশালী নেতাকে ম্যানেজ করে পাথরবাহী ট্রাক চলছে, পাথরবাহী ট্রাক চালককে জিজ্ঞেসবাদ করলে তারা সাংবাদিকদের মোবাইল কেঁড়ে নেন। একপর্যায়ে বাংলা টিভির ব্যুরো প্রধান সহ দুই সাংবাদিক গাড়িটিকে আটকে দেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত এসআই হালিম বলেন, এই গাড়ি আটকানোর অধিকার আপনার আমার নেই, আপনি যা করার থানার সামনে থেকে গিয়ে করেন। পরবর্তীতে সাংবাদিকরা এ বিষয়ে সাক্ষাৎকার চাইলে তিনি সম্মতি দেন এবং সাক্ষাৎকার দেন। পরক্ষণেই তিনি থানার গেটে এসে ভিডিও সাক্ষাৎকার নেওয়ায় সাংবাদিকদের থানার গেট থেকে যেতে দিবেন না বলে জানান, এবিষয়ে আমি পরশুরাম থানা গেটে এসআই হালিমকে সাংবাদিকদের যেতে দিবেন না, কেন দিবেন না বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি আমার উপরই ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। তিনি আমাকে মিথ্যাবাদী বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি রংপুরে ভেসে আসেনি ও মাটি ফেঁটে বের হইনি সহ বিভিন্ন কথা সহ তার পরনের পুলিশের পোশাক খুলে গুন্ডামী করার কথা হুমকি দেন। আমি বারবার সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরেও আমার শরীরে হাত তুলে লাঞ্ছিত করেন। শেষদিকে এসআই হালিম থানার পুলিশ ডেকে আমাকে থানায় ঢুকানোর চেষ্টা সহ হেনস্তা করেন। আমাকে স্থানীয়রা মিলে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেন।

এ বিষয়ে উপস্থিত বাংলা টিভির ব্যুরো রাফাত হোসেন বাঁধন ও সাংবাদিক মাটি মামুন বলেন, পুলিশ জনগণের বন্ধু কিন্তু তাদের আচরণ মোটেও কাম্য নয়। তবে আমাদের কাছে পুরো ব্যাপারটা শোভনীয় লাগেনি। খুবই অশোভনীয় লেগেছে। পেশাগত দায়িত্ব পালন নিয়ে শঙ্কিত। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে সকল সংবাদকর্মীর নিরাপত্তা চাই।

এবিষয়ে উপস্থিত স্থানীয় রায়হান আহম্মেদ জানান, ‘পুলিশের এমন আচরণে আমি মর্মাহত। তাঁর সঙ্গে সাংবাদিক মশিউরের কোনো শত্রুতা নেই বা তাঁর সঙ্গে কখনো কথাও হয়নি।’ সে তার সহকর্মী সাংবাদিকদের এসআই হালিম থানার গেট থেকে যেতে দিবেন না কথাটি কেন বললেন এটি জিজ্ঞেসা করলে তাকে হেনস্তা করা হয়েছে যা আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে মেনে নিতে পারতেছি।আমরা তীব্র নিন্দা জানাই, আমি এটির সুষ্ঠু বিচার চাই।

রংপুর প্রতিনিধি: রংপুর মেট্রোপলিটন পরশুরাম থানার (এসআই) হালিম কর্তৃক স্থানীয় সাংবাদিক লাঞ্ছিত হয়েছেন। অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য হলেন রংপুর মেট্রোপলিটন পরশুরাম থানার (এসআই) হালিম।

সাংবাদিক মোঃ মশিউর রহমান ইসাদ জানান, গতকাল রাত্রি ২ টার দিকে পরশুরাম থানা গেটে অবস্থিত আমার নিজস্ব বাসায় রাত্রিযাপন করা অবস্থায় শুনতে পারি ৮-১০ মিনিট ধরে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স ইমারজেন্সি হর্ন বেজেই যাচ্ছেন। পরে আমি আমার বাসা গেটের তালা খুলে দেখতে পাই রংপুর পাটগ্রাম রোডে ভাড়ি পাথরবাহী ট্রাক দিয়ে পুরো রাস্তা বন্ধ করে ফেলেছে। এমতবস্থায় জরুরি রোগী নিয়ে বিপাকে পড়েছেন অ্যাম্বুলেন্স চালক ও রোগীর স্বজনরা। পরবর্তীতে আমিও আমার এলাকার কয়েকজন মিলে পাথরবাহী ট্রাক সাইট করে অ্যাম্বুলেন্সকে যাওয়ার রাস্তা করে দেই এবং সামনে গিয়ে দেখতে পাই,রংপুর মেট্রোপলিটন পরশুরাম থানার এসআই হালিম ও বাংলা টিভির ব্যুরো প্রধান সহ দু’জন সাংবাদিককে। সেখানে গিয়ে জানতে পারি, রংপুর-পাটগ্রাম রোডে পাথরবাহী ভাড়ি ট্রাক ও যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ থাকলেও অবৈধভাবে প্রভাবশালী নেতাকে ম্যানেজ করে পাথরবাহী ট্রাক চলছে, পাথরবাহী ট্রাক চালককে জিজ্ঞেসবাদ করলে তারা সাংবাদিকদের মোবাইল কেঁড়ে নেন। একপর্যায়ে বাংলা টিভির ব্যুরো প্রধান সহ দুই সাংবাদিক গাড়িটিকে আটকে দেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত এসআই হালিম বলেন, এই গাড়ি আটকানোর অধিকার আপনার আমার নেই, আপনি যা করার থানার সামনে থেকে গিয়ে করেন। পরবর্তীতে সাংবাদিকরা এ বিষয়ে সাক্ষাৎকার চাইলে তিনি সম্মতি দেন এবং সাক্ষাৎকার দেন। পরক্ষণেই তিনি থানার গেটে এসে ভিডিও সাক্ষাৎকার নেওয়ায় সাংবাদিকদের থানার গেট থেকে যেতে দিবেন না বলে জানান, এবিষয়ে আমি পরশুরাম থানা গেটে এসআই হালিমকে সাংবাদিকদের যেতে দিবেন না, কেন দিবেন না বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি আমার উপরই ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। তিনি আমাকে মিথ্যাবাদী বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি রংপুরে ভেসে আসেনি ও মাটি ফেঁটে বের হইনি সহ বিভিন্ন কথা সহ তার পরনের পুলিশের পোশাক খুলে গুন্ডামী করার কথা হুমকি দেন। আমি বারবার সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরেও আমার শরীরে হাত তুলে লাঞ্ছিত করেন। শেষদিকে এসআই হালিম থানার পুলিশ ডেকে আমাকে থানায় ঢুকানোর চেষ্টা সহ হেনস্তা করেন। আমাকে স্থানীয়রা মিলে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেন।

এ বিষয়ে উপস্থিত বাংলা টিভির ব্যুরো রাফাত হোসেন বাঁধন ও সাংবাদিক মাটি মামুন বলেন, পুলিশ জনগণের বন্ধু কিন্তু তাদের আচরণ মোটেও কাম্য নয়। তবে আমাদের কাছে পুরো ব্যাপারটা শোভনীয় লাগেনি। খুবই অশোভনীয় লেগেছে। পেশাগত দায়িত্ব পালন নিয়ে শঙ্কিত। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে সকল সংবাদকর্মীর নিরাপত্তা চাই।

এবিষয়ে উপস্থিত স্থানীয় রায়হান আহম্মেদ জানান, ‘পুলিশের এমন আচরণে আমি মর্মাহত। তাঁর সঙ্গে সাংবাদিক মশিউরের কোনো শত্রুতা নেই বা তাঁর সঙ্গে কখনো কথাও হয়নি।’ সে তার সহকর্মী সাংবাদিকদের এসআই হালিম থানার গেট থেকে যেতে দিবেন না কথাটি কেন বললেন এটি জিজ্ঞেসা করলে তাকে হেনস্তা করা হয়েছে যা আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে মেনে নিতে পারতেছি।আমরা তীব্র নিন্দা জানাই, আমি এটির সুষ্ঠু বিচার চাই।