চকরিয়া অফিস: আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর চট্টগ্রাম থেকে পালিয়ে এসে গ্রামের এলাকায় নানাবিধ ত্রাসের রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছে মীর খোরশেদ হোছাইন নামের এক ব্যক্তি। অল্পসময়ের ব্যবধানে ত্রাস সৃষ্টির মাধ্যমে তিনি এলাকায় হঠাৎ করে দখলবাজি, মাদক কারবার, চাঁদাবাজিসহ হামলা ভয়ভীতি নানাধরণের অপকর্ম শুরু করেছেন। এ অবস্থায় পেকুয়া উপজেলার শীলখালী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ খোরশেদ ও তাঁর বাহিনীর অত্যাচারে তটস্থ হয়ে পড়েছেন।

এ ঘটনায় শীলখালী ইউনিয়নের হেদায়াতবাদ এলাকার মৃত কামাল উদ্দিন আহমদ এর ছেলে মীর খোরশেদ হোছাইনের বিরুদ্ধে আতঙ্কিত এলাকাবাসীর পক্ষে স্থানীয় চড়াপাড়া এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে কফিল উদ্দিন ও মুহাম্মদ বাদশার ছেলে মো: মুজিব বাদি হয়ে গতকাল সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এছাড়াও একই ধরনের অভিযোগের কপি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক, পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), পেকুয়া সেনাবাহিনীর কমাণ্ডার ও পেকুয়া থানার ওসির দপ্তরে জমা দিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগে বাদি কফিল উদ্দিন ও মো: মুজিব দাবি করেন, অভিযুক্ত মীর খোরশেদ হোছাইন দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম শহরে বসবাস করতেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও মহানগর কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের একজন তালিকাভুক্ত ক্যাডার হিসেবে জামাত বিএনপি নেতাকর্মী দমন থেকে সবধরনের অপরাধ কর্মে জড়িত ছিলেন।

গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর তিনি চট্টগ্রাম থেকে পালিয়ে এসে পেকুয়া উপজেলার শীলখালী ইউনিয়নের গ্রামের বাড়িতে গা ঢাকা দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি এলাকায় নানামুখী অপকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন। সহযোগীদের নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় দখলবাজি ও চাঁদাবাজি শুরু করেছেন। তার আস্কারায় সহযোগীরা মাদক কারবারেও জড়িয়ে হয়েছে। এতে এলাকার যুবসমাজ বিপদগামী হচ্ছে।

লিখিত অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর চড়াপাড়া বাজারে তার অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন বাদিসহ স্থানীয় লোকজন। পরে জনরোষের শিকার হয়ে তিনি চলে যায়। এরইমধ্যে কিছুদিন আগে শীলখালী উচ্চ বিদ্যালয়ে দলবল নিয়ে গিয়ে তার বাবার নাম কেন বিদ্যালয়ের সাইনবোর্ডে নেই অজুহাত তুলে প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে গালিগালাজ করে মারধর করতে চেষ্টা চালায়। বিষয়টি প্রধান শিক্ষক পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) অবহিত করেন। এর কিছুদিন পর তিনি দলবল নিয়ে পেকুয়া মেহেরনামা মৌজায় নিরীহ পরিবারের জায়গা দখলে নিয়েছে।

এছাড়া শীলখালী যাবার পথে নির্মিতব্য একটি সেতুর কাজ বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবি করেন। বিষয়টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কেয়ারটেকার জাহেদ স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেছেন। বর্তমানে বিষয়টি সুরাহা না হওয়ায় সেতু নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। এতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন শীলখালী ইউনিয়নের হাজারো জনসাধারণ।

আবেদনকারীসহ আতঙ্কিত এলাকাবাসী অভিযুক্ত মীর খোরশেদ হোছাইনের নানাবিধ অপকর্মের বিরুদ্ধে স্থানীয় শীলখালী ইউনিয়নের বিভিন্নস্থরের জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহপুর্বক তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে এবং গ্রেফতারের জোর দাবি জানিয়েছেন।

চকরিয়া অফিস: আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর চট্টগ্রাম থেকে পালিয়ে এসে গ্রামের এলাকায় নানাবিধ ত্রাসের রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছে মীর খোরশেদ হোছাইন নামের এক ব্যক্তি। অল্পসময়ের ব্যবধানে ত্রাস সৃষ্টির মাধ্যমে তিনি এলাকায় হঠাৎ করে দখলবাজি, মাদক কারবার, চাঁদাবাজিসহ হামলা ভয়ভীতি নানাধরণের অপকর্ম শুরু করেছেন। এ অবস্থায় পেকুয়া উপজেলার শীলখালী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ খোরশেদ ও তাঁর বাহিনীর অত্যাচারে তটস্থ হয়ে পড়েছেন।

এ ঘটনায় শীলখালী ইউনিয়নের হেদায়াতবাদ এলাকার মৃত কামাল উদ্দিন আহমদ এর ছেলে মীর খোরশেদ হোছাইনের বিরুদ্ধে আতঙ্কিত এলাকাবাসীর পক্ষে স্থানীয় চড়াপাড়া এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে কফিল উদ্দিন ও মুহাম্মদ বাদশার ছেলে মো: মুজিব বাদি হয়ে গতকাল সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এছাড়াও একই ধরনের অভিযোগের কপি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক, পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), পেকুয়া সেনাবাহিনীর কমাণ্ডার ও পেকুয়া থানার ওসির দপ্তরে জমা দিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগে বাদি কফিল উদ্দিন ও মো: মুজিব দাবি করেন, অভিযুক্ত মীর খোরশেদ হোছাইন দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম শহরে বসবাস করতেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও মহানগর কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের একজন তালিকাভুক্ত ক্যাডার হিসেবে জামাত বিএনপি নেতাকর্মী দমন থেকে সবধরনের অপরাধ কর্মে জড়িত ছিলেন।

গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর তিনি চট্টগ্রাম থেকে পালিয়ে এসে পেকুয়া উপজেলার শীলখালী ইউনিয়নের গ্রামের বাড়িতে গা ঢাকা দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি এলাকায় নানামুখী অপকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন। সহযোগীদের নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় দখলবাজি ও চাঁদাবাজি শুরু করেছেন। তার আস্কারায় সহযোগীরা মাদক কারবারেও জড়িয়ে হয়েছে। এতে এলাকার যুবসমাজ বিপদগামী হচ্ছে।

লিখিত অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর চড়াপাড়া বাজারে তার অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন বাদিসহ স্থানীয় লোকজন। পরে জনরোষের শিকার হয়ে তিনি চলে যায়। এরইমধ্যে কিছুদিন আগে শীলখালী উচ্চ বিদ্যালয়ে দলবল নিয়ে গিয়ে তার বাবার নাম কেন বিদ্যালয়ের সাইনবোর্ডে নেই অজুহাত তুলে প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে গালিগালাজ করে মারধর করতে চেষ্টা চালায়। বিষয়টি প্রধান শিক্ষক পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) অবহিত করেন। এর কিছুদিন পর তিনি দলবল নিয়ে পেকুয়া মেহেরনামা মৌজায় নিরীহ পরিবারের জায়গা দখলে নিয়েছে।

এছাড়া শীলখালী যাবার পথে নির্মিতব্য একটি সেতুর কাজ বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবি করেন। বিষয়টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কেয়ারটেকার জাহেদ স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেছেন। বর্তমানে বিষয়টি সুরাহা না হওয়ায় সেতু নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। এতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন শীলখালী ইউনিয়নের হাজারো জনসাধারণ।

আবেদনকারীসহ আতঙ্কিত এলাকাবাসী অভিযুক্ত মীর খোরশেদ হোছাইনের নানাবিধ অপকর্মের বিরুদ্ধে স্থানীয় শীলখালী ইউনিয়নের বিভিন্নস্থরের জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহপুর্বক তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে এবং গ্রেফতারের জোর দাবি জানিয়েছেন।