নিজস্ব প্রতিনিধি, সাতকানিয়া: পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে জেলার বিভিন্ন উপজেলার অনেকাংশ পানির নিচে রয়েছে। বিশেষ করে সাতকানিয়ার ১৭ টি ইউনিয়নের মধ্যে সব কয়টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। বলতে গেলে শতকরা ৯০ ভাগই এখন পানিতে নিমজ্জিত। আর চার লাখ মানুষ এখনো পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন। সরকার বন্যার সার্বিক বিষয়ে অবগত রয়েছেন।
আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সাতকানিয়ায় বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) জাহিদুল ইসলাম মিঞা একথা বলেন।
জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম বলেন, ইতিমধ্যে ত্রাণ মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত ৪০ লাখ টাকা দিয়ে শুকনো খাবার ক্রয় করে তা বিতরণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজলায় ২০০ মেট্রিক টন চাউল বিতরণ ইতিমধ্যে করা হয়েছে। গতকাল (বৃহস্পতিবার) কিছু বরাদ্দ এসেছে। সেগুলো বিতরণ করা হবে। আর সাতকানিয়ায় ভয়াবহতা দেখে, আমি মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে কথা বলেছি। বাস্তব অবস্থার প্রেক্ষিতে সাতকানিয়া আলাদা বরাদ্দ পাবে। বরাদ্দগুলো পেলে ত্রাণ কার্যক্রম আরো বেগবান হবে।
বন্যা দুর্গত এলাকায় পানি বন্দি মানুষেরদের উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতার জন্য স্পিড বোট বরাদ্দের বিষয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলাম বলেন, যেসব এলাকার লোকজন এখনো পানিবন্দি তাদের উদ্ধারে স্পিড বোট চেয়েছিলাম। ইতিমধ্যে সেনাবাহিনী আজ (শুক্রবার) থেকেই তাদের কার্যক্রম শুরু করবে। আরো প্রয়োজনীয় স্পীডবোট এর চাহিদা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে । আশা করি স্পিডবোট পেলে কাজের গতি আরো বাড়ানো যাবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খন্দকার মাহমুদুল হাসান , এসি ল্যান্ড শামসুজ্জামান ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যানসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ।
সাংবাদিকদের ব্রিফিং এর আগে সাতকানিয়ার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ঢেমশা ইউনিয়ন এলাকা বোট নিয়ে পরিদর্শন করেন ডিসি। এসময় তিনি বানভাসি ও পানিবন্দীদের মাঝে প্যাকেটভর্তি শুকনো খাবার বিতরণ করেন।




