বিজন কুমার বিশ্বাস, কক্সবাজার: আসন্ন পবিত্র রথযাত্রা উৎসবকে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপনের লক্ষ্যে কক্সবাজারের চকরিয়া থানায় এক প্রস্তুতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর ১টায় চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর রহমানের কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় রথযাত্রা উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, শোভাযাত্রার রুট, যান চলাচল এবং ভক্তদের নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় জানানো হয়, চকরিয়া উপজেলায় মোট পাঁচটি স্থানে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে—চকরিয়া পৌরসভার তরছঘাট ও বাটাখালি, ডুলাহাজারা ইউনিয়নের সাফারি পার্ক জলদাসপাড়া ও সুয়াজোনিয়াপাড়া এবং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের সাইরাখালী জলদাসপাড়া।

অফিসার ইনচার্জ আরিফুর রহমান বলেন, রথযাত্রা উৎসব নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে চকরিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের নিরাপত্তা ও সহযোগিতা প্রদান করা হবে। তিনি আয়োজকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে দায়িত্বশীলভাবে উৎসব পরিচালনার আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং উৎসবকে সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে রথযাত্রা উদযাপন হলে তা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন দাশ, চকরিয়া পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি টিটু বসাক, রথযাত্রা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ, স্থানীয় সাংবাদিক এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ।

সভা শেষে উপস্থিত সবাই আশা প্রকাশ করেন, প্রশাসন, আয়োজক কমিটি ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতায় এবারও চকরিয়ার পাঁচটি স্থানে রথযাত্রা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, শৃঙ্খলা ও উৎসবমুখর পরিবেশে সফলভাবে সম্পন্ন হবে।

বিজন কুমার বিশ্বাস, কক্সবাজার: আসন্ন পবিত্র রথযাত্রা উৎসবকে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপনের লক্ষ্যে কক্সবাজারের চকরিয়া থানায় এক প্রস্তুতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর ১টায় চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর রহমানের কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় রথযাত্রা উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, শোভাযাত্রার রুট, যান চলাচল এবং ভক্তদের নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় জানানো হয়, চকরিয়া উপজেলায় মোট পাঁচটি স্থানে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে—চকরিয়া পৌরসভার তরছঘাট ও বাটাখালি, ডুলাহাজারা ইউনিয়নের সাফারি পার্ক জলদাসপাড়া ও সুয়াজোনিয়াপাড়া এবং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের সাইরাখালী জলদাসপাড়া।

অফিসার ইনচার্জ আরিফুর রহমান বলেন, রথযাত্রা উৎসব নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে চকরিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের নিরাপত্তা ও সহযোগিতা প্রদান করা হবে। তিনি আয়োজকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে দায়িত্বশীলভাবে উৎসব পরিচালনার আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং উৎসবকে সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে রথযাত্রা উদযাপন হলে তা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন দাশ, চকরিয়া পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি টিটু বসাক, রথযাত্রা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ, স্থানীয় সাংবাদিক এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ।

সভা শেষে উপস্থিত সবাই আশা প্রকাশ করেন, প্রশাসন, আয়োজক কমিটি ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতায় এবারও চকরিয়ার পাঁচটি স্থানে রথযাত্রা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, শৃঙ্খলা ও উৎসবমুখর পরিবেশে সফলভাবে সম্পন্ন হবে।