স্পোর্টস ডেস্ক: রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে পাকিস্তানি বোলারদের কাছে বিরক্তিকর হয়ে উঠেছেন মুশফিকুর রহিম। সেই যে নেমেছেন, এরপর তাকে আর আউট করতে পারছেন না কেউ। এর মধ্যে সেঞ্চুরির ঘর পেরিয়ে দেড়শ পেরিয়ে গেছেন বাংলাদেশী ব্যাটার। সেই সঙ্গে দলকে এনে দিয়েছেন লিড।

মুশফিককে সঙ্গ দিচ্ছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। অপরপ্রান্তে ফিফটির অপেক্ষায় আছেন মিরাজ। ১৫৩ রানে ব্যাট করছেন মুশফিক, ৪৮ রানে অপরাজিত আছেন মিরাজ। দুজনের পার্টনারশিপ একশর ঘর ছাড়িয়ে দেড়শর দিকে যাচ্ছে।

মুশফিক-মিরাজের ব্যাটে বাংলাদেশের চারশ
রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজ। এই দুজনের ব্যাটে চড়ে চারশ পেরিয়ে লিডের দিকে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। এর মধ্যেই সেঞ্চুরি করেছেন মুশফিক। হাফ সেঞ্চুরির অপেক্ষায় আছেন মিরাজ। বিদেশে এ নিয়ে দশমবার কোনো টেস্টে চারশ স্পর্শ করেছে বাংলাদেশের রান।

মুশফিকের সেঞ্চুরিতে ঝলমলে প্রথম সেশন
সাদমান ইসলাম সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েও নিরাশ করলেন। হয়তো অভিজ্ঞতার অভাবেই নার্ভাস নাইন্টিজে আউট হয়েছেন এই ব্যাটার। তবে মিস করলেন না মুশফিকুর রহিম। অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের চতুর্থ দিনে দারুণ এক সেঞ্চুরি তুলে নিলেন উইকেটকিপার ব্যাটার।

আগা সালমানের বলটিকে ফাইন লেগে খেলে ২ রান নিতেই মুষ্টিবদ্ধ হাতে ব্যাট উঁচিয়ে ধরলেন মুশফিক, করলেন গর্জনও। বরাবর ২০০ বল খেলে ১২টি চারের মারে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার ছুঁয়েছেন মুশফিক।

টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার ১১তম সেঞ্চুরি আর পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম। সব মিলিয়ে পাকিস্তানের মাটিতে তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে তিন অঙ্ক স্পর্শ করলেন মুশফিক। অন্য দুজন হাবিবুল বাশার ও জাভেদ ওমর।

এই সেঞ্চুরিতে মুশফিক ছাড়িয়ে গেলেন তামিম ইকবালকে। এর আগে যৌথভাবে ১০টি টেস্ট সেঞ্চুরি করে দুজন ছিলেন শীর্ষে। মুশফিকের সেঞ্চুরিতে প্রথম সেশন নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ।

লিটনের বিদায় ভাঙলো জুটি
আগের দিন নাসিম শাহর এক ওভারে ১৮ রান তুলে ফিফটি করেছিলেন লিটন। চতুর্থ দিন সেই নাসিমের বলেই উইকেট দিতে হলো তাকে। পাকিস্তানি পেসারের বাড়তি বাউন্সের বলটা কাট করতে চেয়েও পারেননি লিটন। বল তার ব্যাট চুমো খেয়ে জমা হয় রিজওয়ানের গ্লাভসে। ভাঙে মুশফিকের সঙ্গে ১৭১ বল স্থায়ী ১১৪ রানের জুটি। ৭৮ বলে ৮ চার ও ১ ছক্কায় ৫৬ রান করেন লিটন।

রিভিউ নিয়ে মুশফিকের রক্ষা
দিনের শুরুতেই রক্ষা পেলেন মুশফিকুর রহিম। ব্যাকফুটে গিয়ে আলিকে খেলতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশি ব্যাটার। একটু নিচু হয়ে ভেতরে ঢোকা বল আঘাত করে তার প্যাডে। আবেদনের জবাবে আম্পায়ারও আঙ্গুল তুলে দেন। চ্যালেঞ্জ জানান মুশফিক। তাতে বেঁচে যান তিনি। সে সময় ৫৯ রানে ছিলেন তিনি।

৯৮ ওভারে বাংলাদেশের রান ৫ উইকেটে ৩২৫। এখনও ১২৩ রানে পিছিয়ে সফরকারীরা।

স্পোর্টস ডেস্ক: রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে পাকিস্তানি বোলারদের কাছে বিরক্তিকর হয়ে উঠেছেন মুশফিকুর রহিম। সেই যে নেমেছেন, এরপর তাকে আর আউট করতে পারছেন না কেউ। এর মধ্যে সেঞ্চুরির ঘর পেরিয়ে দেড়শ পেরিয়ে গেছেন বাংলাদেশী ব্যাটার। সেই সঙ্গে দলকে এনে দিয়েছেন লিড।

মুশফিককে সঙ্গ দিচ্ছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। অপরপ্রান্তে ফিফটির অপেক্ষায় আছেন মিরাজ। ১৫৩ রানে ব্যাট করছেন মুশফিক, ৪৮ রানে অপরাজিত আছেন মিরাজ। দুজনের পার্টনারশিপ একশর ঘর ছাড়িয়ে দেড়শর দিকে যাচ্ছে।

মুশফিক-মিরাজের ব্যাটে বাংলাদেশের চারশ
রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজ। এই দুজনের ব্যাটে চড়ে চারশ পেরিয়ে লিডের দিকে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। এর মধ্যেই সেঞ্চুরি করেছেন মুশফিক। হাফ সেঞ্চুরির অপেক্ষায় আছেন মিরাজ। বিদেশে এ নিয়ে দশমবার কোনো টেস্টে চারশ স্পর্শ করেছে বাংলাদেশের রান।

মুশফিকের সেঞ্চুরিতে ঝলমলে প্রথম সেশন
সাদমান ইসলাম সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েও নিরাশ করলেন। হয়তো অভিজ্ঞতার অভাবেই নার্ভাস নাইন্টিজে আউট হয়েছেন এই ব্যাটার। তবে মিস করলেন না মুশফিকুর রহিম। অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের চতুর্থ দিনে দারুণ এক সেঞ্চুরি তুলে নিলেন উইকেটকিপার ব্যাটার।

আগা সালমানের বলটিকে ফাইন লেগে খেলে ২ রান নিতেই মুষ্টিবদ্ধ হাতে ব্যাট উঁচিয়ে ধরলেন মুশফিক, করলেন গর্জনও। বরাবর ২০০ বল খেলে ১২টি চারের মারে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার ছুঁয়েছেন মুশফিক।

টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার ১১তম সেঞ্চুরি আর পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম। সব মিলিয়ে পাকিস্তানের মাটিতে তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে তিন অঙ্ক স্পর্শ করলেন মুশফিক। অন্য দুজন হাবিবুল বাশার ও জাভেদ ওমর।

এই সেঞ্চুরিতে মুশফিক ছাড়িয়ে গেলেন তামিম ইকবালকে। এর আগে যৌথভাবে ১০টি টেস্ট সেঞ্চুরি করে দুজন ছিলেন শীর্ষে। মুশফিকের সেঞ্চুরিতে প্রথম সেশন নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ।

লিটনের বিদায় ভাঙলো জুটি
আগের দিন নাসিম শাহর এক ওভারে ১৮ রান তুলে ফিফটি করেছিলেন লিটন। চতুর্থ দিন সেই নাসিমের বলেই উইকেট দিতে হলো তাকে। পাকিস্তানি পেসারের বাড়তি বাউন্সের বলটা কাট করতে চেয়েও পারেননি লিটন। বল তার ব্যাট চুমো খেয়ে জমা হয় রিজওয়ানের গ্লাভসে। ভাঙে মুশফিকের সঙ্গে ১৭১ বল স্থায়ী ১১৪ রানের জুটি। ৭৮ বলে ৮ চার ও ১ ছক্কায় ৫৬ রান করেন লিটন।

রিভিউ নিয়ে মুশফিকের রক্ষা
দিনের শুরুতেই রক্ষা পেলেন মুশফিকুর রহিম। ব্যাকফুটে গিয়ে আলিকে খেলতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশি ব্যাটার। একটু নিচু হয়ে ভেতরে ঢোকা বল আঘাত করে তার প্যাডে। আবেদনের জবাবে আম্পায়ারও আঙ্গুল তুলে দেন। চ্যালেঞ্জ জানান মুশফিক। তাতে বেঁচে যান তিনি। সে সময় ৫৯ রানে ছিলেন তিনি।

৯৮ ওভারে বাংলাদেশের রান ৫ উইকেটে ৩২৫। এখনও ১২৩ রানে পিছিয়ে সফরকারীরা।