দি ক্রাইম ডেস্ক: বাঁশখালীর চাম্বল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরীকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। সম্পদের অসঙ্গতির মামলায় তাকে এ দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল করিম রনি জানান, আসামি তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রেখেছিলেন, যা আইনত দণ্ডনীয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, মুজিবুল হক চৌধুরীর মোট সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ ১ কোটি ৭৭ লাখ ৯৮ হাজার ৮৩২ টাকা হলেও গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া গেছে ১ কোটি ২১ লাখ ২৭ হাজার ৮১৮ টাকা। ফলে অবশিষ্ট ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকার সম্পদের কোনো বৈধ উৎস তিনি দেখাতে পারেননি।

এই ঘটনায় ২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর দুদকের চট্টগ্রাম-২ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিলের পর ২০২৫ সালের ৩ জুলাই আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৬ নভেম্বর এক জনসভায় বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে হুমকি দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন মুজিবুল হক।

দি ক্রাইম ডেস্ক: বাঁশখালীর চাম্বল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরীকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। সম্পদের অসঙ্গতির মামলায় তাকে এ দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল করিম রনি জানান, আসামি তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রেখেছিলেন, যা আইনত দণ্ডনীয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, মুজিবুল হক চৌধুরীর মোট সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ ১ কোটি ৭৭ লাখ ৯৮ হাজার ৮৩২ টাকা হলেও গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া গেছে ১ কোটি ২১ লাখ ২৭ হাজার ৮১৮ টাকা। ফলে অবশিষ্ট ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকার সম্পদের কোনো বৈধ উৎস তিনি দেখাতে পারেননি।

এই ঘটনায় ২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর দুদকের চট্টগ্রাম-২ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিলের পর ২০২৫ সালের ৩ জুলাই আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৬ নভেম্বর এক জনসভায় বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে হুমকি দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন মুজিবুল হক।