স্পোর্টস ডেস্ক: দীর্ঘদিন পর সাদা পোশাকের ক্রিকেটে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চলমান চক্রে দুই ম্যাচের সিরিজের প্রথম টেস্টে রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের মুখোমুখি হচ্ছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। তবে বাজে আবহাওয়ার কারণে ম্যাচ এখনো মাঠ গড়াতে পারেনি।
টস
ম্যাচে এখনো টস হয়নি। আউটফিল্ড ভেজা থাকায় টস হতে বিলম্ব হচ্ছে। প্রথম দফায় বাংলাদেশ সময় ১১ টায় মাঠ পরিদর্শন করে জানা যায়, আউটফিল্ড এখনো প্রস্তুত নয়। বেলা ১২টায় টসের পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবেন আম্পায়ারদ্বয়।
উন্নতির আশা বাংলাদেশের
টেস্ট ক্রিকেটে খুব স্বস্তিকর জায়গায় নেই বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে শেষ যে দুটি টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ। দুটিতেই ভরাডুবি। শ্রীলঙ্কার কাছে বাজেভাবে হার। লম্বা বিরতির পর প্রতিপক্ষ যখন পাকিস্তান তখন ঘুরে ফিরে করাচি, ঢাকা, লাহোর, চট্টগ্রাম, খুলনা টেস্টের কথা চলে আসে। যেখানে প্রাপ্তির চেয়ে অপ্রাপ্তির ওজনই বেশি।
এমন বিব্রতকর রেকর্ডকে মুছে দিতে চান বাংলাদেশের অধিনায়ক শান্ত ‘এটা কেবলই রেকর্ড। রেকর্ড পরিবর্তন আনা যায়। যদিও কাজটা সহজ হবে না। আলাদা করে কোনো কিছু করতে চাই না। এবার আমরা ভালো প্রস্তুতি নিতে পেরেছি। খেলোয়াড় আমরা যারা সুযোগ পেয়েছি চেষ্টা করেছি ভালোভাবে প্রস্তুত হওয়ার। আমার মনে হয় দল হিসেবে আমাদের ভালো সুযোগ আছে এবার।’
গোটা দলের পাশাপাশি শান্ত নিজের ব্যাটে রান পেতে চান, ‘ব্যাটসম্যান হিসেবে সব সময়ই চিন্তা থাকে কিভাবে স্কিলটা ডেভেলাপ করা যায়। অনুশীলন যখনই করেছি, যেই যেই জায়গায় ল্যাকিংস ছিল ওগুলো কতোটাকু উন্নতি করা যায় ওইটা নিয়েই কাজ করেছি। আশা করছি এটা আমাকে ম্যাচে কাজে দেবে।’
চোখ রাঙাচ্ছে গতি, প্রস্তুত বাংলাদেশও
পাকিস্তান এই ম্যাচে চার পেসার নিয়ে নামছে। নাসিম শাহ, শাহীন শাহ আফ্রিদি, মোহাম্মদ আলী ও খুররাম শাহজাদ হাত ঘুরাবেন পিন্ডির ২২ গজে। বাংলাদেশের স্কোয়াডে রয়েছেন হাসান মাহমুদ, নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ ও সৈয়দ খালেদ। চার পেসারের অভিজ্ঞতা খুব বেশি নয়। তবে তারা চ্যালেঞ্জ করতে পারবে সেই সামর্থ্য রয়েছে।
‘আমি মনে করি শেষ কয়েক বছরে আমাদের পেস বোলিং অ্যাটাক বেশ দারুণ করছে। আমাদের কোয়ালিটি তিন থেকে চারজন স্পিনারও রয়েছে। ম্যাচে যা প্রয়োজন তা কাভার করার মতো সামর্থ্য আমাদের রয়েছে। আমরা আগামীকাল যখন মাঠে নামব তখন উইকেটে দেখে একাদশ তৈরি করবো। যেটা বললেন, এখানে ফাস্ট বোলাররা সুবিধা পায়। ওরাও এখানে, এই কন্ডিশনে ভালো করতে মুখিয়ে আছে।’
পরিসংখ্যানের লড়াই
২০০১ থেকে শুরু করে ২০২১ পর্যন্ত দুই দল ১৩টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছে। যেখানে পাকিস্তানের জয় ১২টিতে। বাংলাদেশ কেবল একবারই একটি ম্যাচ ড্র করতে পেরেছিল।
দুই দলের সবশেষ লড়াই হয়েছিল ঢাকায় ২০২১ সালে। যে ম্যাচটি ইনিংস এবং ৮ রানে জিতেছিল পাকিস্তান। এর আগে চট্টগ্রামেও তারা ৮ উইকেটে ম্যাচ জিতেছিল।




