ঢাকা ব্যুরো: দেশের ক্রান্তিকালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গুরু দায়িত্ব গ্রহণ করায় প্রধান উপদেষ্টা নোবেল জয়ী ড. ইউনূস ও উপদেষ্টা পরিষদ কে অভিনন্দন এবং পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য। গণতান্ত্রিক বাম ঐক্যের জরুরি সভা আজ রবিবার (১১ আগস্ট) সকাল ১১টায় জোটের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গণতান্ত্রিক বাম ঐক্যের সমন্বয়ক ও প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল (পিডিপি)’র মহাসচিব হারুন আল রশিদ খান।

উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল)’র সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড হারুন চৌধুরী, সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড ডাঃ সামছুল আলম ও সোস্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছর যাবত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা জাতির ঘাড়ে বসে এহেন কোন অপরাধ নাই যা করেন নাই। সাংবিধানিক সকল প্রতিষ্ঠান কে ধ্বংস করেছে, রাষ্ট্রযন্ত্র কে ব্যবহার করেছে দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে, গা শিউরে ওঠা আয়না ঘর তৈরী করা হয় ভিন্নমত ও বিরোধী দল কে নিঃশেষ করার জন্য। জাতি এক সময় চরম হতাশ হয়ে গিয়েছিল, ভেবেছিল এটাই নিয়তি, এদেশে জন্ম নেয়াটাই পাপ। একসময় সকল ভেদাভেদ ভুলে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পদত্যাগের এক দফা দাবীতে সকল বিরোধী দলকে নিয়ে রাজপথে যুগপৎ আন্দোলন গড়ে উঠে। এরই মাঝে সাধারণ শিক্ষার্থীদের চাকুরীতে কোটা সংস্কারের যৌক্তিক দাবী বল প্রয়োগে নস্যাতের চেষ্টা করে।

বক্তারা আরো বলেন, এতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আরো তীব্র হয়, তখন ছাত্রলীগ কে শিক্ষার্থীদের উপর লেলিয়ে দেয়। শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধের মুখে ছাত্রলীগ নামধারী বহিরাগত হেলমেট বাহিনী পালিয়ে যায়। স্বৈরাচার শেখ হাসিনা রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে আবু সাঈদ, মীর মুগ্ধ, রুদ্র, দীপ্ত, বদিউজ্জামান, শাকিল সহ চার শতাধিক মানুষ কে হত্যা করে। ৫ই আগস্ট ২০২৪ শিক্ষার্থীদের আহবানে আপামর জনগণ, আন্দোলনরত রাজনৈতিক দল, শিক্ষক, আইনজীবী, সাংস্কৃতিক কর্মী, সাংবাদিক, চিকিৎসক, রিক্সাওয়ালা, দিনমজুর সহ সকল শ্রেনী পেশার মানুষ নেমে আসে রাজপথে। সারা বিশ্ব অবাক বিস্ময়ে দেখলো ইতিহাসের অতীতের সকল স্বৈরাচার কে ম্লান করে সবচেয়ে ভয়ংকর স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতন। ভয় দেখাতে অভ্যস্ত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা নিজেই ভয়ে পালিয়েছে।

বক্তারা বলেন, এটা প্রাথমিক বিজয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে। রাষ্ট্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে স্বৈরাচারের দোসর ঘাপটি মেরে বসে আছে। বিচার বিভাগ, প্রশাসনিক বিভাগ সহ সকল ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করা জরুরী। তা না হলে যেকোনো সময় যেকোনো বড় দুর্ঘটনা ঘটিয়ে বিজয় কে ব্যর্থ করে দিতে পারে। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ৩৬ দিনের আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছে তাদের তালিকা করে তাদেরকে জাতীয় বীরের মর্যাদা প্রদান করতে হবে এবং প্রতিটি পরিবার কে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আহতদের সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসন করতে হবে।

দেশের ক্রান্তিকালে সারাবিশ্বের মানুষের আস্থা তিন শূন্য-শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব, শূন্য কার্বন তত্ত্বের প্রবর্তক নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস গুরু দায়িত্ব নেওয়ায় ১৮ কোটি মানুষ আবার আশার আলো দেখতে পাচ্ছে। পথ হারাবে না বাংলাদেশ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও উপদেষ্টা পরিষদের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছে গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য।

ঢাকা ব্যুরো: দেশের ক্রান্তিকালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গুরু দায়িত্ব গ্রহণ করায় প্রধান উপদেষ্টা নোবেল জয়ী ড. ইউনূস ও উপদেষ্টা পরিষদ কে অভিনন্দন এবং পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য। গণতান্ত্রিক বাম ঐক্যের জরুরি সভা আজ রবিবার (১১ আগস্ট) সকাল ১১টায় জোটের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গণতান্ত্রিক বাম ঐক্যের সমন্বয়ক ও প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল (পিডিপি)’র মহাসচিব হারুন আল রশিদ খান।

উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল)’র সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড হারুন চৌধুরী, সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড ডাঃ সামছুল আলম ও সোস্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছর যাবত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা জাতির ঘাড়ে বসে এহেন কোন অপরাধ নাই যা করেন নাই। সাংবিধানিক সকল প্রতিষ্ঠান কে ধ্বংস করেছে, রাষ্ট্রযন্ত্র কে ব্যবহার করেছে দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে, গা শিউরে ওঠা আয়না ঘর তৈরী করা হয় ভিন্নমত ও বিরোধী দল কে নিঃশেষ করার জন্য। জাতি এক সময় চরম হতাশ হয়ে গিয়েছিল, ভেবেছিল এটাই নিয়তি, এদেশে জন্ম নেয়াটাই পাপ। একসময় সকল ভেদাভেদ ভুলে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পদত্যাগের এক দফা দাবীতে সকল বিরোধী দলকে নিয়ে রাজপথে যুগপৎ আন্দোলন গড়ে উঠে। এরই মাঝে সাধারণ শিক্ষার্থীদের চাকুরীতে কোটা সংস্কারের যৌক্তিক দাবী বল প্রয়োগে নস্যাতের চেষ্টা করে।

বক্তারা আরো বলেন, এতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আরো তীব্র হয়, তখন ছাত্রলীগ কে শিক্ষার্থীদের উপর লেলিয়ে দেয়। শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধের মুখে ছাত্রলীগ নামধারী বহিরাগত হেলমেট বাহিনী পালিয়ে যায়। স্বৈরাচার শেখ হাসিনা রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে আবু সাঈদ, মীর মুগ্ধ, রুদ্র, দীপ্ত, বদিউজ্জামান, শাকিল সহ চার শতাধিক মানুষ কে হত্যা করে। ৫ই আগস্ট ২০২৪ শিক্ষার্থীদের আহবানে আপামর জনগণ, আন্দোলনরত রাজনৈতিক দল, শিক্ষক, আইনজীবী, সাংস্কৃতিক কর্মী, সাংবাদিক, চিকিৎসক, রিক্সাওয়ালা, দিনমজুর সহ সকল শ্রেনী পেশার মানুষ নেমে আসে রাজপথে। সারা বিশ্ব অবাক বিস্ময়ে দেখলো ইতিহাসের অতীতের সকল স্বৈরাচার কে ম্লান করে সবচেয়ে ভয়ংকর স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতন। ভয় দেখাতে অভ্যস্ত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা নিজেই ভয়ে পালিয়েছে।

বক্তারা বলেন, এটা প্রাথমিক বিজয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে। রাষ্ট্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে স্বৈরাচারের দোসর ঘাপটি মেরে বসে আছে। বিচার বিভাগ, প্রশাসনিক বিভাগ সহ সকল ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করা জরুরী। তা না হলে যেকোনো সময় যেকোনো বড় দুর্ঘটনা ঘটিয়ে বিজয় কে ব্যর্থ করে দিতে পারে। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ৩৬ দিনের আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছে তাদের তালিকা করে তাদেরকে জাতীয় বীরের মর্যাদা প্রদান করতে হবে এবং প্রতিটি পরিবার কে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আহতদের সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসন করতে হবে।

দেশের ক্রান্তিকালে সারাবিশ্বের মানুষের আস্থা তিন শূন্য-শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব, শূন্য কার্বন তত্ত্বের প্রবর্তক নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস গুরু দায়িত্ব নেওয়ায় ১৮ কোটি মানুষ আবার আশার আলো দেখতে পাচ্ছে। পথ হারাবে না বাংলাদেশ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও উপদেষ্টা পরিষদের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছে গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য।