গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গত কয়কদিনর ভারী বর্ষণ ও উজানর নম আসা পানিত গাইবান্ধায় সব নদ-নদীর পানি বাড়ত শুরু করছে। এতে জেলার ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট ও করতােয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব নদ-নদীর পানি এখনা বিপদসীমার নিচ দিয় প্রবাহিত হলেও তিস্তা নদীর পানি হছিল।
গত ২১ ঘন্টায় এ নদীর পানি ৭ স.মি. বদ্ধি পায়। আজ বৃহঃস্পতিবার (২০ জুন) বিকাল ৩টা পর্যন্ত বিপদসীমার ২০ সে.মি. উপর দিয় প্রবাহিত হয় বলে গাইবান্ধা পানি উনয়ন বাের্ডর কন্ট্রোল রুম সুত্র জানা গেছে।
অপরদিক পানি বৃদ্ধির কারণে গাইবান্ধা সদর উপজলার কামারজানি,মাল্লারচর, গিদারি, ঘাগায়া ও ফুলছড়ি উপজলার এরেন্ডাবাড়ি, ফুলছড়ি ও ফজলুপুর এবং সুদরগঞ্জ উপজলার তারাপুর, কাপাসিয়া ও হরিপুর ইউনিয়নর নিম্নঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করছে। নদীতে পানি বাড়ার সাথে সাথে সদরর মাল্লার চর ও ফুলছড়ির ফজলুপুর ইউনিয়নর বিভিন স্থান নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে।
গাইবান্ধা পাউবার নির্বাহী প্রকৌশলী হাফিজুল হক বলেন, এভাবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। তবে সার্বিক পরিস্থিতির উপর সার্বক্ষনিক নজর রাখা হচ্ছে।
গাইবান্ধা সদর উপজলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ আল হাসান বলেন,জেলা ও উপজলায় দুর্যাগকালীন সভা করা হয়েছে। নদী বেষ্টিত যে চারটি ইউনিয়ন রয়েছে সব ইউনিয়নর চেয়ারম্যানসহ সদস্যদর বলে দেওয়া হয়েছে নদীর পাড় পার্শ্ববর্তী যেসব ওয়ার্ড রয়েছে সেখানে গ্রুপ ভিত্তিক স্বেছাসেবীদের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারিত রাখার জন্য। এছাড়া ওসব এলাকায় শুকনা খাবার বিতরণর জন্য প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে এবং বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রাথমিক সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।




