ইজাজুল ও মমতাজ উদ্দিন, উত্তরা প্রতিনিধিঃ রাজধানী ঢাকা ১৮ আসনে চাঁদাবাজি ও মাদক বিক্রী প্রতিরোধে এলাকার জনসাধারণের কাছে প্রশংসা কুড়িয়েছেন এমপি খসরু চৌধুরী। গত ৭ জানুয়ারী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে কেটলি প্রতীকে বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হন তিনি।

এলাকায় প্রতিশ্রুতি রক্ষায় নির্বাচিত হবার পরদিন থেকেই আসনটির উত্তরখান দক্ষিণ খান সহ উত্তরা মডেল টাউন এর বিভিন্ন রুটে মাইকিং করে চাঁদাবাজি বন্ধ করেন। এলাকার হাজার হাজার অটোরিকশা থেকে দিনে ২০০ টাকা জিপি নেওয়া হতো। অটোরিকশা ফুটপাত দোকান এমনকি একটি সবজির ভ্যান দোকানীও রেহাই পাইনি চাঁদাবাজির হাত থেকে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উত্তরার প্রতিটি পয়েন্টই এখন চাঁদাবাজি বন্ধ আছে। তবে দীর্ঘ দিনের সংঘবদ্ধ চক্র চাঁদাবাজি ধরে রাখতে প্রাণপণ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

বিগত কয়েক বছর ধরে আসনটির ১৪টি ওয়ার্ড ৭টি থানার সর্বত্র ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার টোকেন ব্যানিজ্য, লেগুনার জিপি ফুটপাত দখল, চাঁদাবাজি রমরমা চলছিলো। গত ৮ জানুয়ারী থেকে এগুলি বর্তমানে বন্ধ আছে। তবে বন্ধ হয়নি তুরাগ থানার বিভিন্ন রুটে। ফুটপাত দোকানী ও একাধিক অটোরিকশা চালকরা বলেন, খসরু চৌধুরী ভালো মানুষ তিনি আমাদের কথা রেখেছেন। আমরা বার বার এমন এমপি চাই। সামাজিক রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচ্ছন্ন তা ফিরিয়ে আনতে জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি অবিচল আস্থা রেখে কাজ করছেন এমপি খসরু চৌধুরী।

নবনির্বাচিত এমপির উদ্যমতাকে থামিয়ে দিতে স্থানীয় রাজনৈতিক মহল বিশেষ করে সাবেক এমপি আলহাজ্ব হাবিব হাসান এর বিরুদ্ধে রয়েছে হামলা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।

নির্বাচন পূর্ববর্তী বিভিন্ন সময় উত্তর খান থানা আওমীলীগ নেতা আতিকুর রহমান মিলন, পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের নেতা আজাদ সহ অনেকেই খসরু চৌধুরীর কেটলি প্রতীকে নির্বাচন প্রচারণায় হামলার শিকার হয়েছেন। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনের দেখা গেছে প্রতিশোধ পরায়ন মনোভাব থেকে দূরে সরে অপরিকল্পিত উত্তরার ১৮ আসনটির নগর সুবিধা নিশ্চিত করতে ব্যস্থ সময় কাটাচ্ছেন এমপি খসরু চৌধুরী

ইজাজুল ও মমতাজ উদ্দিন, উত্তরা প্রতিনিধিঃ রাজধানী ঢাকা ১৮ আসনে চাঁদাবাজি ও মাদক বিক্রী প্রতিরোধে এলাকার জনসাধারণের কাছে প্রশংসা কুড়িয়েছেন এমপি খসরু চৌধুরী। গত ৭ জানুয়ারী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে কেটলি প্রতীকে বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হন তিনি।

এলাকায় প্রতিশ্রুতি রক্ষায় নির্বাচিত হবার পরদিন থেকেই আসনটির উত্তরখান দক্ষিণ খান সহ উত্তরা মডেল টাউন এর বিভিন্ন রুটে মাইকিং করে চাঁদাবাজি বন্ধ করেন। এলাকার হাজার হাজার অটোরিকশা থেকে দিনে ২০০ টাকা জিপি নেওয়া হতো। অটোরিকশা ফুটপাত দোকান এমনকি একটি সবজির ভ্যান দোকানীও রেহাই পাইনি চাঁদাবাজির হাত থেকে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উত্তরার প্রতিটি পয়েন্টই এখন চাঁদাবাজি বন্ধ আছে। তবে দীর্ঘ দিনের সংঘবদ্ধ চক্র চাঁদাবাজি ধরে রাখতে প্রাণপণ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

বিগত কয়েক বছর ধরে আসনটির ১৪টি ওয়ার্ড ৭টি থানার সর্বত্র ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার টোকেন ব্যানিজ্য, লেগুনার জিপি ফুটপাত দখল, চাঁদাবাজি রমরমা চলছিলো। গত ৮ জানুয়ারী থেকে এগুলি বর্তমানে বন্ধ আছে। তবে বন্ধ হয়নি তুরাগ থানার বিভিন্ন রুটে। ফুটপাত দোকানী ও একাধিক অটোরিকশা চালকরা বলেন, খসরু চৌধুরী ভালো মানুষ তিনি আমাদের কথা রেখেছেন। আমরা বার বার এমন এমপি চাই। সামাজিক রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচ্ছন্ন তা ফিরিয়ে আনতে জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি অবিচল আস্থা রেখে কাজ করছেন এমপি খসরু চৌধুরী।

নবনির্বাচিত এমপির উদ্যমতাকে থামিয়ে দিতে স্থানীয় রাজনৈতিক মহল বিশেষ করে সাবেক এমপি আলহাজ্ব হাবিব হাসান এর বিরুদ্ধে রয়েছে হামলা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ।

নির্বাচন পূর্ববর্তী বিভিন্ন সময় উত্তর খান থানা আওমীলীগ নেতা আতিকুর রহমান মিলন, পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের নেতা আজাদ সহ অনেকেই খসরু চৌধুরীর কেটলি প্রতীকে নির্বাচন প্রচারণায় হামলার শিকার হয়েছেন। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনের দেখা গেছে প্রতিশোধ পরায়ন মনোভাব থেকে দূরে সরে অপরিকল্পিত উত্তরার ১৮ আসনটির নগর সুবিধা নিশ্চিত করতে ব্যস্থ সময় কাটাচ্ছেন এমপি খসরু চৌধুরী