দক্ষিণখান সংবাদদাতাঃ আকাশে মেঘ দেখলেই রাজধানীর দক্ষিণখানের দক্ষিণ মোল্লারটেক এলাকার বাসিন্দারা জলাবদ্ধতার আতঙ্কে ভোগেন। ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে দিনভর বৃষ্টিতে দক্ষিণ মোল্লারটেক এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে চরম বিপাকে বাসিন্দারা। অনেক বাড়ির ভেতরে ঢুকে গেছে পানি। কোনো কোনো রাস্তায় হাঁটু থেকে কোমর পর্যন্ত পানি জমে থাকার কারণে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষের।‌

স্থানীয়রা জানায়, দক্ষিণ মোল্লারটেকের বায়তুল মামুর জামে মসজিদ এলাকায় সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। দ্রুত সময়ের মধ্যে বৃষ্টির পানি বের হতে প্রতিবন্ধকতা থাকায় বছরে বেশির ভাগ সময়ে এ এলাকার কিছু কিছু জায়গায় জলাবদ্ধতা থাকে। সোমবার (২৭ মে) ভোর থেকে বৃষ্টির কারণে পুরো এলাকা জুড়ে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়ায় কয়েক হাজার মানুষ পানি বন্দী হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। দক্ষিণ মোল্লারটেক এলাকায় জলাবদ্ধতা দীর্ঘদিনের সমস্যায় রূপ নিয়েছে। ফলে ভোগান্তি সহসাই শেষ হচ্ছে না।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, দক্ষিণ মোল্লারটেক এলাকার বসতবাড়ীতে পানি প্রবেশ করেছে। রাস্তা ডুবে গেছে। ফলে এলাকার মানুষ পানি বন্দী জীবনযাপন করছে। বৃষ্টি হলেই এমন পরিস্থিতি হয় বলে অনেক বাসিন্দা এই ভোগান্তি থেকে রেহাই পেতে নিজ বসতবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। জলাবদ্ধতার ফলে প্রভাব পরেছে এলাকার স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডেও।

দক্ষিণ মোল্লারটেকের বাসিন্দা সেলিম চৌধুরী জানান, ‘ঢাকা বিমানবন্দরের পাশে আমাদের এলাকা, আমরা সারা বছরই পানি বন্দী থাকি। এলাকায় চলাচলের রাস্তা পানির নিতে তলিয়ে থাকে। বসতবাড়ি এমনকি বসত ঘরেও পানি প্রবেশ করে। পচা, দূর্গন্তময় পানির সাথে আমাদের সখ্যতা গড়ে উঠেছে। এসব দেখার এখন আর কেউ নেই। ফলে বাধ্য হয়েই আমরা পানি বন্দী জীবনযাপন করছি।’

গাজীবাড়ি কবরস্থান রোডের বাসিন্দা কামরুল ইসলাম জানায়, আমাদের এলাকায় বছরের বেশিরভাগ সময়ই পানির নিচে তলিয়ে থাকে। সামান্য বৃষ্টিতে চলাচলের রাস্তা, বসতবাড়ি কিংবা বসতঘরেও পানি উঠে যায়। এসব পানি পঁচে দুর্গন্ত সৃষ্টি হয়। ফলে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে পানি বন্দী মানুষ।

মোল্লারটেক হামিদা দায়েম মঈনুল উলূম মাদ্রাসা ও এতিমখানার মোতাওয়াল্লী হাজী মোঃ মাঈনুদ্দিন মাস্টার জানান, একদিনের টানা বৃষ্টিতে রাস্তা তলিয়ে গেছে। রাস্তার কোথায় কোমর পানি, কোথাও হাঁটু পানির নিচে চলে গেছে। এছাড়া বসতবাড়ী, বসতঘরেও পানি প্রবেশ করেছে। ঘরবন্দী জীবন যাপন করে চলেছে এলাকার বাসিন্দারা। ক্রেতা শূন্যতায় ব্যবসায়ীদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। ভূঁইয়া কমপ্লেক্সের পাশ দিয়ে বায়তুল মামুর জামে মসজিদে আসার রাস্তায় সবসময় জলাবদ্ধতা থাকে। কাঁদায় অত্যান্ত নোংরা থাকে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ, প্রতিদিনের চলাচলের প্রধান সড়ক একটু বৃষ্টি হলেই এমন অবস্থায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় এই রাস্তায় যাতায়াতরত স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষদের।

দক্ষিণখান সংবাদদাতাঃ আকাশে মেঘ দেখলেই রাজধানীর দক্ষিণখানের দক্ষিণ মোল্লারটেক এলাকার বাসিন্দারা জলাবদ্ধতার আতঙ্কে ভোগেন। ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে দিনভর বৃষ্টিতে দক্ষিণ মোল্লারটেক এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে চরম বিপাকে বাসিন্দারা। অনেক বাড়ির ভেতরে ঢুকে গেছে পানি। কোনো কোনো রাস্তায় হাঁটু থেকে কোমর পর্যন্ত পানি জমে থাকার কারণে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষের।‌

স্থানীয়রা জানায়, দক্ষিণ মোল্লারটেকের বায়তুল মামুর জামে মসজিদ এলাকায় সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। দ্রুত সময়ের মধ্যে বৃষ্টির পানি বের হতে প্রতিবন্ধকতা থাকায় বছরে বেশির ভাগ সময়ে এ এলাকার কিছু কিছু জায়গায় জলাবদ্ধতা থাকে। সোমবার (২৭ মে) ভোর থেকে বৃষ্টির কারণে পুরো এলাকা জুড়ে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়ায় কয়েক হাজার মানুষ পানি বন্দী হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। দক্ষিণ মোল্লারটেক এলাকায় জলাবদ্ধতা দীর্ঘদিনের সমস্যায় রূপ নিয়েছে। ফলে ভোগান্তি সহসাই শেষ হচ্ছে না।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, দক্ষিণ মোল্লারটেক এলাকার বসতবাড়ীতে পানি প্রবেশ করেছে। রাস্তা ডুবে গেছে। ফলে এলাকার মানুষ পানি বন্দী জীবনযাপন করছে। বৃষ্টি হলেই এমন পরিস্থিতি হয় বলে অনেক বাসিন্দা এই ভোগান্তি থেকে রেহাই পেতে নিজ বসতবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। জলাবদ্ধতার ফলে প্রভাব পরেছে এলাকার স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডেও।

দক্ষিণ মোল্লারটেকের বাসিন্দা সেলিম চৌধুরী জানান, ‘ঢাকা বিমানবন্দরের পাশে আমাদের এলাকা, আমরা সারা বছরই পানি বন্দী থাকি। এলাকায় চলাচলের রাস্তা পানির নিতে তলিয়ে থাকে। বসতবাড়ি এমনকি বসত ঘরেও পানি প্রবেশ করে। পচা, দূর্গন্তময় পানির সাথে আমাদের সখ্যতা গড়ে উঠেছে। এসব দেখার এখন আর কেউ নেই। ফলে বাধ্য হয়েই আমরা পানি বন্দী জীবনযাপন করছি।’

গাজীবাড়ি কবরস্থান রোডের বাসিন্দা কামরুল ইসলাম জানায়, আমাদের এলাকায় বছরের বেশিরভাগ সময়ই পানির নিচে তলিয়ে থাকে। সামান্য বৃষ্টিতে চলাচলের রাস্তা, বসতবাড়ি কিংবা বসতঘরেও পানি উঠে যায়। এসব পানি পঁচে দুর্গন্ত সৃষ্টি হয়। ফলে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে পানি বন্দী মানুষ।

মোল্লারটেক হামিদা দায়েম মঈনুল উলূম মাদ্রাসা ও এতিমখানার মোতাওয়াল্লী হাজী মোঃ মাঈনুদ্দিন মাস্টার জানান, একদিনের টানা বৃষ্টিতে রাস্তা তলিয়ে গেছে। রাস্তার কোথায় কোমর পানি, কোথাও হাঁটু পানির নিচে চলে গেছে। এছাড়া বসতবাড়ী, বসতঘরেও পানি প্রবেশ করেছে। ঘরবন্দী জীবন যাপন করে চলেছে এলাকার বাসিন্দারা। ক্রেতা শূন্যতায় ব্যবসায়ীদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। ভূঁইয়া কমপ্লেক্সের পাশ দিয়ে বায়তুল মামুর জামে মসজিদে আসার রাস্তায় সবসময় জলাবদ্ধতা থাকে। কাঁদায় অত্যান্ত নোংরা থাকে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ, প্রতিদিনের চলাচলের প্রধান সড়ক একটু বৃষ্টি হলেই এমন অবস্থায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় এই রাস্তায় যাতায়াতরত স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষদের।