বনানী (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ কয়েক বছর হলো রাজধানীর মহাখালী ওয়ারলেস গেইট মোড়ের রাস্তার মাঝের ‘কাটা’ বন্ধ করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ডিএমপির ট্রাফিক গুলশান বিভাগ। আগে অস্থায়ী ভাবে বন্ধ থাকলেও সম্প্রতি নতুন করে রাস্তার কাজের সময় দেয়াল দিয়ে স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হয়েছে। এতে এপাশ থেকে ওপাশে সহজে গাড়ি চলাচলের যে সুযোগ ছিল তা একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়। এক সময় বনানী, গুলশান, কড়াইল অন্যদিকে দক্ষিনপাড়া, আইপিএইচ, সাততলা, টিবি গেইট, নিকেতন ও মহাখালীগামী যানবাহন এই রাস্তা ব্যবহার করত।

রাস্তার এপাশে টিএন্ডটি আদর্শ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ও টিএন্ডটি মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়। বিপরীত পাশে মহাখালী মডেল স্কুল ও মহাখালী আব্দুল হামিদ দর্জী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এছাড়া মহাখালী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। গাড়ি নিয়ে এপারের মুসল্লিদের ওপারের উপায়টাও বন্ধ। উক্ত ‘কাটা’ বন্ধ করায় জনসাধারন ও শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বেড়েছে। মহাখালী থেকে রিক্সায় টিএন্ডটি স্কুল বা বনানী যেতে হলে একজন যাত্রীকে দুই-তিন দফায় রিক্সা পাল্টাতে হয় শুধুমাত্র রাস্তার মাঝের কাটা বন্ধ থাকায়।

প্রথমে বাজার রোড দিয়ে গ্লোব ফার্মেসীর কোনা পর্যন্ত এক রিক্সায়। পরে হেটে রাস্তা পার হয়ে আরেক রিক্সা, যার সীমানা বনানী প্রবেশ মূখে ১ নম্বর গেইট পর্যন্ত। এরপরে আরেক রিক্সা নিয়ে বনানীতে যেতে হবে। কারন বনানীতে শুধু সোসাইটির নাম্বার দেওয়া রিক্সা চলতে পারে।

এলাকাবাসী মনে করেন, যেহেতু সরকারি তিতুমীর কলেজের সামনে রাস্তা পারাপারের জন্য ওভার ব্রিজ রয়েছে তাই কলেজের সামনের ‘কাটা’ বন্ধ করে ওয়ারলেস গেইট মোড়ের ‘কাটা’ টি খুলে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা বেশি।

দেখা যায়, ব্যস্ততার দিক থেকে ওয়ারলেস গেইট মোড়ে গাড়ি এবং মানুষের চলাচল বেশি, সেই দিক থেকে বলা যায়- ওই ‘কাটা’ খুলে দেওয়াটা বেশি গুরুত্বপূর্ন। এই কাটাটি বন্ধ করায় ওয়ারলেস গেইট থেকে মহাখালী আমতলীগামী রিক্সা, ভ্যান, সিএনজি ও মোটরসাইকেল উল্টো সাইড দিয়ে চলাচল করে। প্রাইভেট কারসহ অন্যান্য যানবাহন উল্টো সাইড দিয়ে গিয়ে কলেজের সামনের ‘কাটা’ দিয়ে বের হয়।

অপরদিকে আরেকটি ‘কাটা’ খোলা রয়েছে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে টিবি গেইট গাউসুল আজম মসজিদ গেইটের সামনে। বনানী থেকে ওয়ারলেস গেইট হয়ে মহাখালী স্কুল রোডগামী গাড়ি টিবি গেইটের ওই কাটা ঘুরে যেতে হয়। যদিও ওয়ারলেস মোড়ে ট্রাফিক পুলিশ ডিউটি করে তবুও মানবিক দিক বিবেচনায় উল্টো সাইড দিয়ে গাড়ি চললেও তারা ব্যবস্থা নেন না।

মহাখালী আমতলী থেকে গুলশান-১ পর্যন্ত রাস্তায় তিতুমীর কলেজের সামনে আর গাউসুল আজম মসজিদের সামনে মাত্র এই দুটি কাটা থাকায় সারাদিন রাস্তার দুই সাইডেই উল্টো পথে গাড়ি চলাচলের কারণে বিশৃঙ্খলা লেগেই থাকে।

স্থানীয়রা জানান, ব্যাটারি মোটর চালিত রিক্সা বেপরোয়া চলাচল করে অত্র এলাকার রাস্তায়। চালকের অদক্ষতার কারনে ব্যাটারি চালিত রিক্সা গুলো একেবারেই নিয়ন্ত্রনহীন ও বেপরোয়াভাবে চলে। উল্টো সাইড দিয়ে চলার সময় রিক্সাগুলো প্রতিদিনই দুর্ঘটনা ঘটায়। বন্ধ করতে হবে এসব ব্যাটারি চালিত রিক্সা।

এলাকাবাসী জানায়, এখানে রাস্তার দু’পাশেই উচু উচু বিল্ডিং, সরকারি-বেসরকারি অফিস, মার্কেট, হাসপাতাল ও ক্লিনিক। এসবে নেই পর্যাপ্ত গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা। ফলে রাস্তার তিন ভাগের এক ভাগ থাকে গাড়ি পার্কিং এর দখলে। মূলত রাস্তায় গাড়ি পার্কিং যানজটের কারন। এছাড়া রাস্তার উপর হকারদের জটলা যানজটের অন্যতম কারন।

অতএব, ওয়ারলেস গেইট মোড়ের কাটাটি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করে সিটি কর্পোরেশন ও ট্রাফিক গুলশান বিভাগের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এতে জনসাধারনের খরচ ও ভোগান্তি লাঘব হবে।

বনানী (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ কয়েক বছর হলো রাজধানীর মহাখালী ওয়ারলেস গেইট মোড়ের রাস্তার মাঝের ‘কাটা’ বন্ধ করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ডিএমপির ট্রাফিক গুলশান বিভাগ। আগে অস্থায়ী ভাবে বন্ধ থাকলেও সম্প্রতি নতুন করে রাস্তার কাজের সময় দেয়াল দিয়ে স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হয়েছে। এতে এপাশ থেকে ওপাশে সহজে গাড়ি চলাচলের যে সুযোগ ছিল তা একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়। এক সময় বনানী, গুলশান, কড়াইল অন্যদিকে দক্ষিনপাড়া, আইপিএইচ, সাততলা, টিবি গেইট, নিকেতন ও মহাখালীগামী যানবাহন এই রাস্তা ব্যবহার করত।

রাস্তার এপাশে টিএন্ডটি আদর্শ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ও টিএন্ডটি মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়। বিপরীত পাশে মহাখালী মডেল স্কুল ও মহাখালী আব্দুল হামিদ দর্জী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এছাড়া মহাখালী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। গাড়ি নিয়ে এপারের মুসল্লিদের ওপারের উপায়টাও বন্ধ। উক্ত ‘কাটা’ বন্ধ করায় জনসাধারন ও শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বেড়েছে। মহাখালী থেকে রিক্সায় টিএন্ডটি স্কুল বা বনানী যেতে হলে একজন যাত্রীকে দুই-তিন দফায় রিক্সা পাল্টাতে হয় শুধুমাত্র রাস্তার মাঝের কাটা বন্ধ থাকায়।

প্রথমে বাজার রোড দিয়ে গ্লোব ফার্মেসীর কোনা পর্যন্ত এক রিক্সায়। পরে হেটে রাস্তা পার হয়ে আরেক রিক্সা, যার সীমানা বনানী প্রবেশ মূখে ১ নম্বর গেইট পর্যন্ত। এরপরে আরেক রিক্সা নিয়ে বনানীতে যেতে হবে। কারন বনানীতে শুধু সোসাইটির নাম্বার দেওয়া রিক্সা চলতে পারে।

এলাকাবাসী মনে করেন, যেহেতু সরকারি তিতুমীর কলেজের সামনে রাস্তা পারাপারের জন্য ওভার ব্রিজ রয়েছে তাই কলেজের সামনের ‘কাটা’ বন্ধ করে ওয়ারলেস গেইট মোড়ের ‘কাটা’ টি খুলে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা বেশি।

দেখা যায়, ব্যস্ততার দিক থেকে ওয়ারলেস গেইট মোড়ে গাড়ি এবং মানুষের চলাচল বেশি, সেই দিক থেকে বলা যায়- ওই ‘কাটা’ খুলে দেওয়াটা বেশি গুরুত্বপূর্ন। এই কাটাটি বন্ধ করায় ওয়ারলেস গেইট থেকে মহাখালী আমতলীগামী রিক্সা, ভ্যান, সিএনজি ও মোটরসাইকেল উল্টো সাইড দিয়ে চলাচল করে। প্রাইভেট কারসহ অন্যান্য যানবাহন উল্টো সাইড দিয়ে গিয়ে কলেজের সামনের ‘কাটা’ দিয়ে বের হয়।

অপরদিকে আরেকটি ‘কাটা’ খোলা রয়েছে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে টিবি গেইট গাউসুল আজম মসজিদ গেইটের সামনে। বনানী থেকে ওয়ারলেস গেইট হয়ে মহাখালী স্কুল রোডগামী গাড়ি টিবি গেইটের ওই কাটা ঘুরে যেতে হয়। যদিও ওয়ারলেস মোড়ে ট্রাফিক পুলিশ ডিউটি করে তবুও মানবিক দিক বিবেচনায় উল্টো সাইড দিয়ে গাড়ি চললেও তারা ব্যবস্থা নেন না।

মহাখালী আমতলী থেকে গুলশান-১ পর্যন্ত রাস্তায় তিতুমীর কলেজের সামনে আর গাউসুল আজম মসজিদের সামনে মাত্র এই দুটি কাটা থাকায় সারাদিন রাস্তার দুই সাইডেই উল্টো পথে গাড়ি চলাচলের কারণে বিশৃঙ্খলা লেগেই থাকে।

স্থানীয়রা জানান, ব্যাটারি মোটর চালিত রিক্সা বেপরোয়া চলাচল করে অত্র এলাকার রাস্তায়। চালকের অদক্ষতার কারনে ব্যাটারি চালিত রিক্সা গুলো একেবারেই নিয়ন্ত্রনহীন ও বেপরোয়াভাবে চলে। উল্টো সাইড দিয়ে চলার সময় রিক্সাগুলো প্রতিদিনই দুর্ঘটনা ঘটায়। বন্ধ করতে হবে এসব ব্যাটারি চালিত রিক্সা।

এলাকাবাসী জানায়, এখানে রাস্তার দু’পাশেই উচু উচু বিল্ডিং, সরকারি-বেসরকারি অফিস, মার্কেট, হাসপাতাল ও ক্লিনিক। এসবে নেই পর্যাপ্ত গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা। ফলে রাস্তার তিন ভাগের এক ভাগ থাকে গাড়ি পার্কিং এর দখলে। মূলত রাস্তায় গাড়ি পার্কিং যানজটের কারন। এছাড়া রাস্তার উপর হকারদের জটলা যানজটের অন্যতম কারন।

অতএব, ওয়ারলেস গেইট মোড়ের কাটাটি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করে সিটি কর্পোরেশন ও ট্রাফিক গুলশান বিভাগের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এতে জনসাধারনের খরচ ও ভোগান্তি লাঘব হবে।