মোহাম্মদ ফারুক : সিজেকেএস প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ থেকে আবারও ১ম বিভাগে অবনমন হয়ে গেল দেশের দর্শক জনপ্রিয় দল চট্টগ্রাম মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। সিজেকেএস-ইস্পাহানি প্রিমিয়ার লিগের এবারের আসরে তাদের সংগ্রহ ছিল ১১ খেলায় ১ জয় ও ১ ড্র (বৃষ্টির কারণে ম্যাচ পরিতাক্ত) সর্ব নিন্ম ৪ পয়েন্ট।
গত ২০ মে সোমবার অনুষ্ঠিত রাইজিং স্টার বনাম চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন একাদশের মধ্যকার ১১ তম রাউন্ডের ম্যাচটির উপর নির্ভর ছিল মোহামেডানের ভাগ্য। ১০ম রাউন্ডের ম্যাচ পর্যন্ত লিগে সর্বনিন্ম ৩ পয়েন্ট প্রাপ্ত সিটি কর্পোরেশন একাদশ ১১ তম ম্যাচে রাইজিং স্টার ক্লাবকে ৮৯ রানে পরাজিত করলে ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে যায় মোহামেডানের।
সিজেকেএস প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের ২২ বছরের (২০০৩ থেকে ২০২৪ সাল) ইতিহাসে ২য় বারের মত ১ম বিভাগে নেমে যেতে হল মোহামেডানকে। এর মধ্যে বিগত কয়েক বছর আগে (সম্ভত ২০১৬ সালে) প্রথমবার প্রিমিয়ার থেকে ১ম বিভাগে নেমে যায় মোহামেডান। ২ বছর পর পুনরায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে প্রিমিয়ার লিগে ফিরে আসে তারা। সিজেকেএসের সর্ব্বোচ লিগে টিকে থাকার এই লড়াইয়ে মোহামেডান আবারও হেরে গেল চলতি ২০২৪ সালে।
চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের উল্লেখযোগ্য কোন সাফল্য না থাকলেও তাদের অংশগ্রহন নিঃস্বন্দেহে প্রিমিয়ার লিগকে আলোকিত ও প্রতিধন্ধিতাপুর্ন করেছে। উৎসবমুখর পরিবেশে দলবদল করা মোহামেডান এবারের প্রিমিয়ার লিগের জন্য একটি মধ্যম মানের ভাল দল গড়ার প্রত্যেয় নিয়ে মাঠে নামলেও খেলার মাঠে তার প্রতিফলন একেবারে দেখা যায়নি।
প্রিমিয়ার লিগে টিকে থাকতে হলে দলকে কয়েকটি ম্যাচ জেতাতে হবে বা জিততে হবে তা যেন দলের খেলোয়াড়রা মনে প্রাণে উপলব্ধি করতে পারেনি। তাছাড়া বেশ কয়েকটি ম্যাচ জেতার অবস্থানে থেকেও হারতে হয়েছে তাদের। ম্যাচ শেষে দলীয় কোচ, কর্মকতারা শুধু ভাগ্যকে দায়ী করেছেন। যা মাঠে দলীয় সমন্বয়হীনতাকে বারবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। তাছাড়া লিগের মাঝপথে মোহামেডানের নিবেদিত প্রাণ যুগ্ন- সম্পাদক মোহাম্মদ ইউছুপের অসময়ে পরপারে চলে যাওয়ার বিষয়টি বেশ প্রভাব ফেলেছিল দলের উপর।
সব কিছু মিলিয়ে মোহামেডানের এই পিছু চলা ক্রীড়াঙ্গনের জন্য অশনি সংকেত। কারণ খেলাধুলার প্রাণ হল দর্শক। জনপ্রিয় একটি দলের অংশগ্রহন একটি লিগকে যেমনিভাবে আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত করে তুলে তেমনি তাদের ব্যর্থতার কারণে সেই সমর্থকরাই খেলাধুলা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
বর্তমান সময়ের দর্শকবিহীন গ্যালারী দেখে আমাদের দেশের দর্শক জনপ্রিয় দলগুলোর কর্মকতারা হারে হারে তা উপলব্ধি করছেন। এবারের লিগে দলের এই ব্যর্থতার পিছনে কি কি ভুল ছিল তা নিখুতভাবে পর্যালোচনা করা দরকার। জনপ্রিয় দলটির এই ফলাফলের কারণে হতাশ হাজারো মোহামেডান সমর্থক। তাদের দাবী ভবিষ্যতের জন্য দলীয় ব্যর্থতার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। এই হাজারো সমর্থকদের ভালবাসাকে মূল্য দিয়ে ক্লাব কর্মকতাদের উচিত দলীয় ব্যর্থতার বিষয়টি অবশ্যই খতিয়ে দেখা।
সারা চট্টগ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা হাজারো সমর্থকদের প্রত্যাশা আগামী দিনে ক্লাব কর্মকর্তারা সুদৃষ্টি ও সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ সহ বিভিন্ন ইভেন্টে শক্তিশালি দল গঠন করে হারানো গৌরবে পুনরায় আলোকিত হয়ে চট্টগ্রাম মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকে নতুনভাবে ফিরিয়ে আনবে নগরীর ক্রীড়াঙ্গনে।

মোহাম্মদ ফারুক : সিজেকেএস প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ থেকে আবারও ১ম বিভাগে অবনমন হয়ে গেল দেশের দর্শক জনপ্রিয় দল চট্টগ্রাম মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। সিজেকেএস-ইস্পাহানি প্রিমিয়ার লিগের এবারের আসরে তাদের সংগ্রহ ছিল ১১ খেলায় ১ জয় ও ১ ড্র (বৃষ্টির কারণে ম্যাচ পরিতাক্ত) সর্ব নিন্ম ৪ পয়েন্ট।
গত ২০ মে সোমবার অনুষ্ঠিত রাইজিং স্টার বনাম চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন একাদশের মধ্যকার ১১ তম রাউন্ডের ম্যাচটির উপর নির্ভর ছিল মোহামেডানের ভাগ্য। ১০ম রাউন্ডের ম্যাচ পর্যন্ত লিগে সর্বনিন্ম ৩ পয়েন্ট প্রাপ্ত সিটি কর্পোরেশন একাদশ ১১ তম ম্যাচে রাইজিং স্টার ক্লাবকে ৮৯ রানে পরাজিত করলে ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে যায় মোহামেডানের।
সিজেকেএস প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের ২২ বছরের (২০০৩ থেকে ২০২৪ সাল) ইতিহাসে ২য় বারের মত ১ম বিভাগে নেমে যেতে হল মোহামেডানকে। এর মধ্যে বিগত কয়েক বছর আগে (সম্ভত ২০১৬ সালে) প্রথমবার প্রিমিয়ার থেকে ১ম বিভাগে নেমে যায় মোহামেডান। ২ বছর পর পুনরায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে প্রিমিয়ার লিগে ফিরে আসে তারা। সিজেকেএসের সর্ব্বোচ লিগে টিকে থাকার এই লড়াইয়ে মোহামেডান আবারও হেরে গেল চলতি ২০২৪ সালে।
চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের উল্লেখযোগ্য কোন সাফল্য না থাকলেও তাদের অংশগ্রহন নিঃস্বন্দেহে প্রিমিয়ার লিগকে আলোকিত ও প্রতিধন্ধিতাপুর্ন করেছে। উৎসবমুখর পরিবেশে দলবদল করা মোহামেডান এবারের প্রিমিয়ার লিগের জন্য একটি মধ্যম মানের ভাল দল গড়ার প্রত্যেয় নিয়ে মাঠে নামলেও খেলার মাঠে তার প্রতিফলন একেবারে দেখা যায়নি।
প্রিমিয়ার লিগে টিকে থাকতে হলে দলকে কয়েকটি ম্যাচ জেতাতে হবে বা জিততে হবে তা যেন দলের খেলোয়াড়রা মনে প্রাণে উপলব্ধি করতে পারেনি। তাছাড়া বেশ কয়েকটি ম্যাচ জেতার অবস্থানে থেকেও হারতে হয়েছে তাদের। ম্যাচ শেষে দলীয় কোচ, কর্মকতারা শুধু ভাগ্যকে দায়ী করেছেন। যা মাঠে দলীয় সমন্বয়হীনতাকে বারবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। তাছাড়া লিগের মাঝপথে মোহামেডানের নিবেদিত প্রাণ যুগ্ন- সম্পাদক মোহাম্মদ ইউছুপের অসময়ে পরপারে চলে যাওয়ার বিষয়টি বেশ প্রভাব ফেলেছিল দলের উপর।
সব কিছু মিলিয়ে মোহামেডানের এই পিছু চলা ক্রীড়াঙ্গনের জন্য অশনি সংকেত। কারণ খেলাধুলার প্রাণ হল দর্শক। জনপ্রিয় একটি দলের অংশগ্রহন একটি লিগকে যেমনিভাবে আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত করে তুলে তেমনি তাদের ব্যর্থতার কারণে সেই সমর্থকরাই খেলাধুলা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
বর্তমান সময়ের দর্শকবিহীন গ্যালারী দেখে আমাদের দেশের দর্শক জনপ্রিয় দলগুলোর কর্মকতারা হারে হারে তা উপলব্ধি করছেন। এবারের লিগে দলের এই ব্যর্থতার পিছনে কি কি ভুল ছিল তা নিখুতভাবে পর্যালোচনা করা দরকার। জনপ্রিয় দলটির এই ফলাফলের কারণে হতাশ হাজারো মোহামেডান সমর্থক। তাদের দাবী ভবিষ্যতের জন্য দলীয় ব্যর্থতার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। এই হাজারো সমর্থকদের ভালবাসাকে মূল্য দিয়ে ক্লাব কর্মকতাদের উচিত দলীয় ব্যর্থতার বিষয়টি অবশ্যই খতিয়ে দেখা।
সারা চট্টগ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা হাজারো সমর্থকদের প্রত্যাশা আগামী দিনে ক্লাব কর্মকর্তারা সুদৃষ্টি ও সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ সহ বিভিন্ন ইভেন্টে শক্তিশালি দল গঠন করে হারানো গৌরবে পুনরায় আলোকিত হয়ে চট্টগ্রাম মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকে নতুনভাবে ফিরিয়ে আনবে নগরীর ক্রীড়াঙ্গনে।