প্রদীপ দাশ কক্সবাজার (সদর) প্রতিনিধি: কক্সবাজার পর্যটন গলফ মাঠে পার্কিং এরিয়ায় আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ১১টি দোকান। শনিবার (১৮ মে) বিকাল ৪ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, গত দুইদিন ধরে শেখ কামাল আন্তজার্তিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ঝোপঝাড় ও আবর্জনা পরিস্কার করা হচ্ছিল। একপর্যায়ে স্টেডিয়ামের কর্মচারীরা সেখানে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। আগুনের লেলিহান শিখা একপর্যায়ে পর্যটন গলফ মাঠে অবস্থিত দোকানগুলোতে লেগে যায়। এসময় মুহুর্তেই পুড়ে যায় ১১টি দোকান। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

পার্কি মাঠের কেয়ারটেকার জাহেদ বলেন, সেখানে ১৩টি দোকান ছিল। তারমধ্যে ১১টি দোকান সম্পূর্ণ আগুনে পুড়ে গেছে। দোকানগুলো সব হতদরিদ্র মানুষের। দোকান পুড়ে যাওয়ায় তারা সবাই নিঃস্ব হয়ে গেছে। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে কাপড়ের দোকান ১টি, সুমনের চায়ের দোকান সহ ২টি, তানভিরের যৌথ মালিকানায় শুটকি-আচারের দোকান ৩টি ও খোকনের শুটকি এবং আচারের দোকান ছিল ৩টি।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক অতীশ চাকমা বলেন, ‘আগুন লাগার খবর পাওয়ার সাথে সাথে ফায়ার সার্ভিসের টিম গিয়ে নিয়ন্ত্রণ করেন। তবুও ১০-১২টি দোকান পুড়ে গেছে। দোকানগুলো টিনের তৈরি হওয়ায় দ্রুত পুড়ে গেছে। এতে দোকানগুলোর সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

প্রদীপ দাশ কক্সবাজার (সদর) প্রতিনিধি: কক্সবাজার পর্যটন গলফ মাঠে পার্কিং এরিয়ায় আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ১১টি দোকান। শনিবার (১৮ মে) বিকাল ৪ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, গত দুইদিন ধরে শেখ কামাল আন্তজার্তিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ঝোপঝাড় ও আবর্জনা পরিস্কার করা হচ্ছিল। একপর্যায়ে স্টেডিয়ামের কর্মচারীরা সেখানে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। আগুনের লেলিহান শিখা একপর্যায়ে পর্যটন গলফ মাঠে অবস্থিত দোকানগুলোতে লেগে যায়। এসময় মুহুর্তেই পুড়ে যায় ১১টি দোকান। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

পার্কি মাঠের কেয়ারটেকার জাহেদ বলেন, সেখানে ১৩টি দোকান ছিল। তারমধ্যে ১১টি দোকান সম্পূর্ণ আগুনে পুড়ে গেছে। দোকানগুলো সব হতদরিদ্র মানুষের। দোকান পুড়ে যাওয়ায় তারা সবাই নিঃস্ব হয়ে গেছে। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে কাপড়ের দোকান ১টি, সুমনের চায়ের দোকান সহ ২টি, তানভিরের যৌথ মালিকানায় শুটকি-আচারের দোকান ৩টি ও খোকনের শুটকি এবং আচারের দোকান ছিল ৩টি।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক অতীশ চাকমা বলেন, ‘আগুন লাগার খবর পাওয়ার সাথে সাথে ফায়ার সার্ভিসের টিম গিয়ে নিয়ন্ত্রণ করেন। তবুও ১০-১২টি দোকান পুড়ে গেছে। দোকানগুলো টিনের তৈরি হওয়ায় দ্রুত পুড়ে গেছে। এতে দোকানগুলোর সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।