গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক সম্প্রসারনের জন্য অধিগ্রহনের আওতায় মহাসড়কের দু’ধারের বিল্ডিংসহ ভেঙে ফেলা হচ্ছে শতাধিক স্থাপনা। নিয়ম না মেনে এসব স্থাপনা একসাথে ভেঙে ফেলায় শহরের মধ্যে ভাঙন যন্ত্রের শব্দে আর ধূলাবালিতে চরম দুর্ভোগে পরেছেন পথচারী, সাধারন মানুষ ও এলাকাবাসী। সেই সাথে কোন সুরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় বিল্ডিং ভাঙ্গার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা রয়েছেন নিরাপত্তা ঝুঁকিতে।

ঢাকা-রংপুর মহাসড়কটি চার লেনে উন্নিত করণের কাজ চলছে। এজন্য চলমান রয়েছে গোবিন্দগঞ্জ শহর এলাকার মহাসড়কের দু’ধারের জমি অধিগ্রহন ও সম্প্রসারেণ কাজ । যে কারনে মহাসড়কের গোবিন্দগঞ্জ শহরের দুপাশের প্রায় শতাধিক বিল্ডিংসহ নানা স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে। এসব বিল্ডিং ভাঙান কাজে কোন প্রকার নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ইচ্ছেমতো অধিগ্রহণ হওয়া বিল্ডিংসহ এসব স্থাপনা ভেঙে ফেলা হচ্ছে। বিল্ডিং ও স্থাপনা ভেঙে ফেলা কারণে সারা দিন এ কাজে ব্যবহৃত নানা যন্ত্রপাতির বিকটশব্দে যেমন শব্দ দুষণ হচ্ছে, তেমনি ভাঙার সময় এর ইট,সিমেন্টের গুড়া মিশ্রিত ধুলাবালি পার্শ্ববর্তী এলাকা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে বাড়ী ঘরে রাস্তাঘাটে ছড়িয়ে পরছে। এতে করে অতিষ্ট এলাকাবাসী পথচারী ও সাধারন মানুষ। সুরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় ইটবালি ছিটকে আসে এই আশংকা নিয়ে রাস্তা চলাচল করছে পথচারীরা।

ভুক্তভোগী ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রিমন তালুকদার বলেন এক সাথে শহর জুরে সব বিল্ডিং সহ নানা স্থাপনা ভাঙ্গার কাজ করছে ভবন মালিকরা। এ কারনে এলাকাটি এখন ধুলাবালির শহরে পরিনত হয়েছে। রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করা কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। ইট,সিমেন্ট মিশ্রিত গুড়া আর ধুলাবালি নাকে মুখে ঢোকায় শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগের আসঙ্কাও করছেন তারা।

তবে বেশীর ভাগ ভবন মালিক বলছেন তাদের জমি অধিগ্রহন করা হলেও এখনো বেশির ভাগ ভবন মালিক জমি ও অবকাঠামোর অর্থ হতে পাইনি। তাই তারা নিজেদের সাধ্যমত কাজ করছেন। সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষ অধিগ্রহনের আওতায় থাকা স্থাপনা অপসারনে অভিযান পরিচালনা করায় দুর্ভোগ আরো বেড়েছে।

খোলা আকাশের নীচে প্রচন্ড রোধের কারণে গরমে শরীরে কোন সুরক্ষা ব্যবস্থা রাখা সম্ভব হচ্ছেনা বলে জানান ভবন ভাঙার কাজে নিয়োজিত শ্রমিক সোবাহান। তিনি বলেন জীবন জীাবকার করনে বধ্যহয়ে কাজ করতে হচ্ছে।

গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ মুকিতুর রহমান রাফি চলমান অধিগ্রহনের কারনে পৌরসভার অনেক জনগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংসের অভিযোগ করে বলেন শহরবাসী সব চেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হচ্ছে বায়ু দূষণে। ধুলাবালি কারণে নানা রোগের আশংকার কথাও জানিয়েছেন তিনি। মানবিক করনেই কোন ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছেনা দায়ীদের বিরুদ্ধে।

বায়ু দূষণ রোধে ভবন মালিকসহ সকলেই সচেতন হবেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন এমনটি দাবি পরিবেশ প্রেমি ও এলাকাবাসীর।

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক সম্প্রসারনের জন্য অধিগ্রহনের আওতায় মহাসড়কের দু’ধারের বিল্ডিংসহ ভেঙে ফেলা হচ্ছে শতাধিক স্থাপনা। নিয়ম না মেনে এসব স্থাপনা একসাথে ভেঙে ফেলায় শহরের মধ্যে ভাঙন যন্ত্রের শব্দে আর ধূলাবালিতে চরম দুর্ভোগে পরেছেন পথচারী, সাধারন মানুষ ও এলাকাবাসী। সেই সাথে কোন সুরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় বিল্ডিং ভাঙ্গার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা রয়েছেন নিরাপত্তা ঝুঁকিতে।

ঢাকা-রংপুর মহাসড়কটি চার লেনে উন্নিত করণের কাজ চলছে। এজন্য চলমান রয়েছে গোবিন্দগঞ্জ শহর এলাকার মহাসড়কের দু’ধারের জমি অধিগ্রহন ও সম্প্রসারেণ কাজ । যে কারনে মহাসড়কের গোবিন্দগঞ্জ শহরের দুপাশের প্রায় শতাধিক বিল্ডিংসহ নানা স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে। এসব বিল্ডিং ভাঙান কাজে কোন প্রকার নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ইচ্ছেমতো অধিগ্রহণ হওয়া বিল্ডিংসহ এসব স্থাপনা ভেঙে ফেলা হচ্ছে। বিল্ডিং ও স্থাপনা ভেঙে ফেলা কারণে সারা দিন এ কাজে ব্যবহৃত নানা যন্ত্রপাতির বিকটশব্দে যেমন শব্দ দুষণ হচ্ছে, তেমনি ভাঙার সময় এর ইট,সিমেন্টের গুড়া মিশ্রিত ধুলাবালি পার্শ্ববর্তী এলাকা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে বাড়ী ঘরে রাস্তাঘাটে ছড়িয়ে পরছে। এতে করে অতিষ্ট এলাকাবাসী পথচারী ও সাধারন মানুষ। সুরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় ইটবালি ছিটকে আসে এই আশংকা নিয়ে রাস্তা চলাচল করছে পথচারীরা।

ভুক্তভোগী ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রিমন তালুকদার বলেন এক সাথে শহর জুরে সব বিল্ডিং সহ নানা স্থাপনা ভাঙ্গার কাজ করছে ভবন মালিকরা। এ কারনে এলাকাটি এখন ধুলাবালির শহরে পরিনত হয়েছে। রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করা কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। ইট,সিমেন্ট মিশ্রিত গুড়া আর ধুলাবালি নাকে মুখে ঢোকায় শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগের আসঙ্কাও করছেন তারা।

তবে বেশীর ভাগ ভবন মালিক বলছেন তাদের জমি অধিগ্রহন করা হলেও এখনো বেশির ভাগ ভবন মালিক জমি ও অবকাঠামোর অর্থ হতে পাইনি। তাই তারা নিজেদের সাধ্যমত কাজ করছেন। সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষ অধিগ্রহনের আওতায় থাকা স্থাপনা অপসারনে অভিযান পরিচালনা করায় দুর্ভোগ আরো বেড়েছে।

খোলা আকাশের নীচে প্রচন্ড রোধের কারণে গরমে শরীরে কোন সুরক্ষা ব্যবস্থা রাখা সম্ভব হচ্ছেনা বলে জানান ভবন ভাঙার কাজে নিয়োজিত শ্রমিক সোবাহান। তিনি বলেন জীবন জীাবকার করনে বধ্যহয়ে কাজ করতে হচ্ছে।

গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ মুকিতুর রহমান রাফি চলমান অধিগ্রহনের কারনে পৌরসভার অনেক জনগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংসের অভিযোগ করে বলেন শহরবাসী সব চেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হচ্ছে বায়ু দূষণে। ধুলাবালি কারণে নানা রোগের আশংকার কথাও জানিয়েছেন তিনি। মানবিক করনেই কোন ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছেনা দায়ীদের বিরুদ্ধে।

বায়ু দূষণ রোধে ভবন মালিকসহ সকলেই সচেতন হবেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন এমনটি দাবি পরিবেশ প্রেমি ও এলাকাবাসীর।