লোহাগাড়া প্রতিনিধি : দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বিস্তীর্ণ জমিতে চলতি সনেও তামাকের চাষাবাদ হয়েছে অতীতের ন্যায়। তামাকের এই চাষাবাদ গোল্ডলিফ পাতার ক্ষেত হিসেবে বলে থাকে স্থানীয় চাষীরা। টোবাকো কোম্পানি প্রতিনিধিদের প্রলোভনে পড়ে চাষীরা উক্ত তামাক চাষে উৎসাহিত হয় বলে জানান অভিজ্ঞরা। সচেতনমহলের মতে তামাক ক্ষেত মাটি, পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। পরিবেশ বিধ্বংসী এই তামাক চাষ দীর্ঘদিন থেকে লোহাগাড়ায় হয়ে আসছে।
এলাকার লোকজনদের মতে তামাক চাষের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নেই যথাযথ কোন নজরদারী বা তদারকী। অন্যান্য বছরের ন্যায় চলতি সনেও লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের রাজঘাটা ও পূর্ব কলাউজানে টংকাবতি নদীর দুইপাশে সবুজ ফসলের মাঠে প্রচুর তামাক চাষ হয়েছে।
চাষী আবদুল মোনাফ, তবিউল্লাহ, ছৈয়দ হোসেন ও মো. জামালসহ অনেকে এবারও তামাক চাষ করেছে চরম্বা ইউনিয়নের রাজঘাটা এলাকায়। পূর্ব কলাউজানে জামাল, মোস্তাফিজ ও বাবুল বড়ুয়াসহ বেশ কয়েকজন চাষী তামাক চাষ করেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানায়। পাশাপাশি টংকাবতী ইউনিয়নেও প্রচুর পরিমাণ তামাক চাষের তথ্য জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
লোহাগাড়া এলাকায় তামাক চাষ সম্পর্কে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম জানান, তামাক চাষাবাদ বন্ধে সরাসরি হস্তক্ষেপের কোন নীতিমালা নেই। তবে, চাষীদেরকে তামাক চাষে নিরুৎসাহিত করে আসছেন । তামাক চাষের পরিবর্তে লাভজনক অন্য যে কোন ফসল উৎপাদনের পরামর্শ দেয়া হয় বলে জানান কৃষি কর্মকর্তা। অভিজ্ঞমহলের মতে উপজেলা কৃষি বিভাগের এই সব পরামর্শ কোন কাজে আসছে না। কারণ, তামাক চাষে অধিক লাভ দেখে চাষিরা। তামাক চাষের ব্যাপারে টোবাকো কোম্পানির প্রতিনিধিরা এলাকার চাষিদের উদ্ভুদ্ধ করে আসছেন । কোম্পানির প্রতিনিধি তামাক চাষের জন্য সার ও বীজসহ দাদন হিসেবে অগ্রীম টাকা দিয়ে থাকেন।এসব প্রলোভনে পড়ে এলাকার চাষীরা পরিবেশ বিনষ্টকারী তামাক চাষে আগ্রহী হয় বলে জানা গেছে।
লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের রাজঘাটা এলাকার আবদুল মোনাফসহ একাধিক চাষী বলেন, টোবাকো কোম্পানি কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিরা চাষীদের অগ্রিম টাকা দেন তামাক চাষের জন্য। সারের জন্যেও টাকা দিয়ে থাকেন। এমনকি তামাকের বীজও সরবরাহ করা হয়। দাদন হিসেবে অগ্রীম ও সারের টাকা প্রদান করা হয় ব্যাংকের মাধ্যমে।
তামাক পাতা বড় হওয়ার পর যথাসময়ে জমি হতে তুলে এনে শুকানো হয় চুল্লীর আগুনে। চাষিদের ভাষায় এই চুল্লীকে বলা হয় তন্দুল। স্থানীয় লোকজন জানান, তামাক পাতা শুকাতে চুল্লী বা তন্দুলে জ¦ালানী হিসেবে ব্যবহার করা হয় বনাঞ্চলের কাঠ। যারা বাধা দেয়ার, তাদের ম্যানেজ করেই বনাঞ্চল হতেই কাঠ সংগ্রহ করা হয় বলে অভিমত এলাকাবাসীর। শুকানোর পর তামাক পাতা নির্ধারিত মূল্যে কিনে নেয় টোবাকো কোম্পানী কর্তৃপক্ষ।
সচেতনমহলদের মতে ক্ষতিকর তামাক চাষ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ জরুরী। অন্যথায়, মানবদেহের ক্ষতি ও পরিবেশ বিপর্যয় রোধ প্রায় অসম্ভব।
লোহাগাড়া প্রতিনিধি : দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বিস্তীর্ণ জমিতে চলতি সনেও তামাকের চাষাবাদ হয়েছে অতীতের ন্যায়। তামাকের এই চাষাবাদ গোল্ডলিফ পাতার ক্ষেত হিসেবে বলে থাকে স্থানীয় চাষীরা। টোবাকো কোম্পানি প্রতিনিধিদের প্রলোভনে পড়ে চাষীরা উক্ত তামাক চাষে উৎসাহিত হয় বলে জানান অভিজ্ঞরা। সচেতনমহলের মতে তামাক ক্ষেত মাটি, পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। পরিবেশ বিধ্বংসী এই তামাক চাষ দীর্ঘদিন থেকে লোহাগাড়ায় হয়ে আসছে।
এলাকার লোকজনদের মতে তামাক চাষের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নেই যথাযথ কোন নজরদারী বা তদারকী। অন্যান্য বছরের ন্যায় চলতি সনেও লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের রাজঘাটা ও পূর্ব কলাউজানে টংকাবতি নদীর দুইপাশে সবুজ ফসলের মাঠে প্রচুর তামাক চাষ হয়েছে।
চাষী আবদুল মোনাফ, তবিউল্লাহ, ছৈয়দ হোসেন ও মো. জামালসহ অনেকে এবারও তামাক চাষ করেছে চরম্বা ইউনিয়নের রাজঘাটা এলাকায়। পূর্ব কলাউজানে জামাল, মোস্তাফিজ ও বাবুল বড়ুয়াসহ বেশ কয়েকজন চাষী তামাক চাষ করেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানায়। পাশাপাশি টংকাবতী ইউনিয়নেও প্রচুর পরিমাণ তামাক চাষের তথ্য জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
লোহাগাড়া এলাকায় তামাক চাষ সম্পর্কে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম জানান, তামাক চাষাবাদ বন্ধে সরাসরি হস্তক্ষেপের কোন নীতিমালা নেই। তবে, চাষীদেরকে তামাক চাষে নিরুৎসাহিত করে আসছেন । তামাক চাষের পরিবর্তে লাভজনক অন্য যে কোন ফসল উৎপাদনের পরামর্শ দেয়া হয় বলে জানান কৃষি কর্মকর্তা। অভিজ্ঞমহলের মতে উপজেলা কৃষি বিভাগের এই সব পরামর্শ কোন কাজে আসছে না। কারণ, তামাক চাষে অধিক লাভ দেখে চাষিরা। তামাক চাষের ব্যাপারে টোবাকো কোম্পানির প্রতিনিধিরা এলাকার চাষিদের উদ্ভুদ্ধ করে আসছেন । কোম্পানির প্রতিনিধি তামাক চাষের জন্য সার ও বীজসহ দাদন হিসেবে অগ্রীম টাকা দিয়ে থাকেন।এসব প্রলোভনে পড়ে এলাকার চাষীরা পরিবেশ বিনষ্টকারী তামাক চাষে আগ্রহী হয় বলে জানা গেছে।
লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের রাজঘাটা এলাকার আবদুল মোনাফসহ একাধিক চাষী বলেন, টোবাকো কোম্পানি কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিরা চাষীদের অগ্রিম টাকা দেন তামাক চাষের জন্য। সারের জন্যেও টাকা দিয়ে থাকেন। এমনকি তামাকের বীজও সরবরাহ করা হয়। দাদন হিসেবে অগ্রীম ও সারের টাকা প্রদান করা হয় ব্যাংকের মাধ্যমে।
তামাক পাতা বড় হওয়ার পর যথাসময়ে জমি হতে তুলে এনে শুকানো হয় চুল্লীর আগুনে। চাষিদের ভাষায় এই চুল্লীকে বলা হয় তন্দুল। স্থানীয় লোকজন জানান, তামাক পাতা শুকাতে চুল্লী বা তন্দুলে জ¦ালানী হিসেবে ব্যবহার করা হয় বনাঞ্চলের কাঠ। যারা বাধা দেয়ার, তাদের ম্যানেজ করেই বনাঞ্চল হতেই কাঠ সংগ্রহ করা হয় বলে অভিমত এলাকাবাসীর। শুকানোর পর তামাক পাতা নির্ধারিত মূল্যে কিনে নেয় টোবাকো কোম্পানী কর্তৃপক্ষ।
সচেতনমহলদের মতে ক্ষতিকর তামাক চাষ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ জরুরী। অন্যথায়, মানবদেহের ক্ষতি ও পরিবেশ বিপর্যয় রোধ প্রায় অসম্ভব।



