ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের মধুখালী পঞ্চপল্লীতে নির্মাণ শ্রমিক দুই ভাইকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা দুঃখজনক ও হৃদয় বিদারক। এই ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের বেশ কয়েকজন গ্রেপ্তার হয়েছে, বাকীদের আটকেও অভিযান চলছে। এই বাংলার মাটিতে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কার্যকর করা হবে। যা দেখে আগামীতে কেউ এমন অপরাধ করার সাহস পাবে না।
বলেছেন ফরিদপুর-১ আসনের এমপি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আবদুর রহমান।
বুধবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মন্ত্রী আবদুর রহমান তার নির্বাচনী এলাকায় এসে মধুখালী উপজেলার নওপাড়া চোপেরঘাট গ্রামে নিহত সহোদরের বাড়িতে পরিবারের সাথে দেখা করে এসব কথা বলেন।
এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, তবে এই ঘটনার পিছনে অন্য কোন চক্রান্ত থাকতে পারে। সুতারাং এই চক্রান্ত কারা, কেন করেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার মহাসড়ক অবরোধ করে পুলিশের উপর হামলার মধ্য দিয়ে তারা আবার আরেকটা ঘটনার জন্ম দিতে চেয়েছিল। এই দেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ, কেউ ধৈর্য্যহারা হবেন না। প্রশাসন তদন্ত করে সকল দোষীদের আইনের আওতায় আনবে।
পরে তিনি ঘটনাস্থল ডুমাইন ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর পঞ্চপল্লী স্কুল ও মন্দির পরিদর্শন করেন।
এসময় জেলা প্রশাসক কামরুল আহসান তালুকদার, পুলিশ সুপার মোর্শেদ আলম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামিম হক, সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আরিফসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল রাতে জেলার মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামের পঞ্চপল্লীতে প্রতিমায় আগুন লাগার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সন্দেহজনকভাবে বিক্ষুব্ধ কিছু লোক স্কুল রুমের মধ্যে হাত বেঁধে মারধরের কারণে দুই শ্রমিক প্রাণ হারায়। এছাড়া আরও ৫ শ্রমিক আহত হন। এ ঘটনায় তিনটি মামলা দায়ের করা হয়। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. কামরুল আহসান তালুকদার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৪ প্লাটুন বিজিবিসহ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।




