দি ক্রাইম ডেস্ক: বাংলাদেশ দূতাবাস বৈরুতের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ দিবস পালন করা হয়। প্রথম পর্বে, সকালে লেবাননে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এয়ার ভাইস মার্শাল জাভেদ তানভীর খান দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ ও প্রবাসী বাংলাদেশীগণের উপস্থিতিতে দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় সংগীত সহযোগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
দ্বিতীয় পর্বে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উদযাপন উপলক্ষ্যে দূতাবাস সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তিলায়াত করা হয়। অনুষ্ঠানে জাতির পিতার ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ দিবসটি উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন।
রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়া তিনি মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নির্যাতিতা বীরাঙ্গনাদের অবদানের কথা সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন। জাতির পিতার ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ ভাষণ সম্পর্কে বলেন, এ ভাষণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বাঙ্গালি জাতিকে অনুপ্রাণিত ও ঐক্যবদ্ধ করেছিল।
তিনি আরো বলেন, জাতির পিতার ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাঙ্গালি জাতির জন্য বিরল সম্মান ও গৌরবের বিষয় এবং ঐতিহাসিক এ ভাষণ শুধু আমাদের জন্য নয়, বিশ্বব্যাপী স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্যও প্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবে। এ সময় তিনি বঙ্গবন্ধুর ভাষণের কিছু অংশ উদ্ধৃতি করেন। পরিশেষে, রাষ্ট্রদূত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘স্মাট বাংলাদেশ’ বিনির্মানে অবদান রাখার জন্য লেবাননে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রতি আহবান জানান।
উক্ত পৃথক দু’টি অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ এবং লেবাননে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীগণ অংশগ্রহণ করেন।




