নিজস্ব প্রতিবেদক: হিন্দু সম্প্রদায়ের তীর্থস্থান সীতাকুণ্ডে অনুষ্ঠিত ‘শিব চতুর্দশী’ মেলা উপলক্ষে বিশেষ ব্যবস্থা রেখেছে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল। আগামীকাল শুক্রবার (০৮ মার্চ )থেকে বুধবার পর্যন্ত আন্তঃনগর মহানগর এক্সপ্রেস, পাহাড়িকা এক্সপ্রেস, উদয়ন ও মেঘনা এক্সপ্রেসসহ মেইল ট্রেন সীতাকুণ্ড স্টেশনে দুই মিনিট দাঁড়াবে।

যাত্রীদের উঠানামার সুবিধার্থে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপ-পরিচালক) বলেন, মেলা উপলক্ষে স্টেশন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, পর্যাপ্ত পানি ও আলাের ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তাসহ সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রয়ােজনীয় ওষুধসহ একজন চিকিৎসক সার্বক্ষণিক নিয়ােজিত রাখা হয়েছে।

জানা গেছে, প্রায় ৩শ’ বছরের প্রাচীন এ মেলায় যোগ দিচ্ছেন ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সাধু-সন্ন্যাসী ও দর্শনার্থী।পঞ্জিকা মতে শিব চতুর্দশী তিথিতে ডাবের জল ও দুধ দিয়ে শিবস্নান করাবেন ভক্তরা। বিবাহিত নারীরা স্বামী ও পরিবারের মঙ্গল কামনায় উপোস থেকে ব্রত পালন করবেন। এরপর অমাবস্যা তিথিতে ব্যাসকুণ্ডে পূর্বপুরুষের আত্মার সদগতি কামনায় স্নান-তর্পণ ও পিণ্ডদান করবেন পুণ্যপ্রত্যাশীরা।

পাহাড়ের পর পাহাড় বেয়ে ‘হর হর মহাদেব’, ‘জয় শিবসম্ভু’ ধ্বনি দিয়ে আবার কেউ লাঠিতে ভর দিয়ে পুণ্যার্থীরা যান শিবদর্শনে। সমতল থেকে প্রায় ১২শ’ ফুট উপরে পাহাড়চূড়ায় প্রথমে স্বয়ম্ভুনাথ, এরপর বীরুপাক্ষ ও সর্বশেষ চন্দ্রনাথ মন্দিরের অবস্থান।

নিজস্ব প্রতিবেদক: হিন্দু সম্প্রদায়ের তীর্থস্থান সীতাকুণ্ডে অনুষ্ঠিত ‘শিব চতুর্দশী’ মেলা উপলক্ষে বিশেষ ব্যবস্থা রেখেছে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল। আগামীকাল শুক্রবার (০৮ মার্চ )থেকে বুধবার পর্যন্ত আন্তঃনগর মহানগর এক্সপ্রেস, পাহাড়িকা এক্সপ্রেস, উদয়ন ও মেঘনা এক্সপ্রেসসহ মেইল ট্রেন সীতাকুণ্ড স্টেশনে দুই মিনিট দাঁড়াবে।

যাত্রীদের উঠানামার সুবিধার্থে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপ-পরিচালক) বলেন, মেলা উপলক্ষে স্টেশন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, পর্যাপ্ত পানি ও আলাের ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তাসহ সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রয়ােজনীয় ওষুধসহ একজন চিকিৎসক সার্বক্ষণিক নিয়ােজিত রাখা হয়েছে।

জানা গেছে, প্রায় ৩শ’ বছরের প্রাচীন এ মেলায় যোগ দিচ্ছেন ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সাধু-সন্ন্যাসী ও দর্শনার্থী।পঞ্জিকা মতে শিব চতুর্দশী তিথিতে ডাবের জল ও দুধ দিয়ে শিবস্নান করাবেন ভক্তরা। বিবাহিত নারীরা স্বামী ও পরিবারের মঙ্গল কামনায় উপোস থেকে ব্রত পালন করবেন। এরপর অমাবস্যা তিথিতে ব্যাসকুণ্ডে পূর্বপুরুষের আত্মার সদগতি কামনায় স্নান-তর্পণ ও পিণ্ডদান করবেন পুণ্যপ্রত্যাশীরা।

পাহাড়ের পর পাহাড় বেয়ে ‘হর হর মহাদেব’, ‘জয় শিবসম্ভু’ ধ্বনি দিয়ে আবার কেউ লাঠিতে ভর দিয়ে পুণ্যার্থীরা যান শিবদর্শনে। সমতল থেকে প্রায় ১২শ’ ফুট উপরে পাহাড়চূড়ায় প্রথমে স্বয়ম্ভুনাথ, এরপর বীরুপাক্ষ ও সর্বশেষ চন্দ্রনাথ মন্দিরের অবস্থান।