মিজবাউল হক, চকরিয়া : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থী নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে চকরিয়া উপজেলা-জুড়ে। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করেছে। আগামী ১১ মে অনুষ্ঠিত হবে চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে জানান দিচ্ছেন।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে অনেকেই আগাম শুভেচ্ছা ও যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। বিএনপি নির্বাচনে না আসার ব্যাপারে ঘোষণা দেয়ায় মাঠে নেই বিএনপি প্রার্থী। একইভাবে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর নামও শোনা যাচ্ছে না। ১৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত চকরিয়া উপজেলা।

জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৮ মার্চ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ফজলুল করিম সাঈদী। তিনি এবারো উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন। প্রতিদিন গণসংযোগ-মতবিনিময়ে অংশ নিচ্ছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। যোগাযোগ রাখছেন তৃণমূল পর্যায়ের কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে। মাঠের রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক মুখরিত সম্ভাব্য প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থক পোষ্টে। পুরোদমে লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের সমর্থন আদায় করতে। এবারে প্রতীক ছাড়াই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই হিসেবে অনেক প্রার্থী কেন্দ্রের দিকে যোগাযোগ না করে স্থানীয় নেতাদের বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তবে দলের সমর্থন আদায় করতে মরিয়া হয়ে কাজ করছেন চেয়ারম্যান প্রার্র্থীরা।

চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে, বর্তমান চকরিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল করিম, জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য এটিএম জিয়া উদ্দিন চৌধুরী, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাবেক আহবায়ক একেএম গিয়াস উদ্দিন, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সরওয়ার আলম, মাতামুহুরী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বাবলা, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন জয়নাল, সুরাজপুর-মানিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিম, মাতামুহুরী থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নুরে হাবিব তছলিম, চকরিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শহীদুল ইসলাম শহীদ ও চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটু।

এদিকে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচনে না যাওয়ার কারণে এখন পর্যন্ত বিএনপির কোনো সম্ভাব্য প্রার্থী বা নেতাকর্মীকে নির্বাচনী কার্যক্রমে দেখা যায়নি। জাতীয় পার্টির কোন প্রার্থীকে মাঠে দেখা যাচ্ছে না। দলীয় সিদ্ধান্ত পেলে প্রার্থী হতে পারেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে, বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মকছুদুল হক ছুট্টো, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও পূজা কমিটির সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি হায়দার আলী ও বেলাল উদ্দিন শান্ত।

মিজবাউল হক, চকরিয়া : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থী নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে চকরিয়া উপজেলা-জুড়ে। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করেছে। আগামী ১১ মে অনুষ্ঠিত হবে চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে জানান দিচ্ছেন।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে অনেকেই আগাম শুভেচ্ছা ও যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। বিএনপি নির্বাচনে না আসার ব্যাপারে ঘোষণা দেয়ায় মাঠে নেই বিএনপি প্রার্থী। একইভাবে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর নামও শোনা যাচ্ছে না। ১৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত চকরিয়া উপজেলা।

জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৮ মার্চ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ফজলুল করিম সাঈদী। তিনি এবারো উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন। প্রতিদিন গণসংযোগ-মতবিনিময়ে অংশ নিচ্ছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। যোগাযোগ রাখছেন তৃণমূল পর্যায়ের কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে। মাঠের রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক মুখরিত সম্ভাব্য প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থক পোষ্টে। পুরোদমে লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের সমর্থন আদায় করতে। এবারে প্রতীক ছাড়াই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই হিসেবে অনেক প্রার্থী কেন্দ্রের দিকে যোগাযোগ না করে স্থানীয় নেতাদের বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তবে দলের সমর্থন আদায় করতে মরিয়া হয়ে কাজ করছেন চেয়ারম্যান প্রার্র্থীরা।

চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে, বর্তমান চকরিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল করিম, জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য এটিএম জিয়া উদ্দিন চৌধুরী, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাবেক আহবায়ক একেএম গিয়াস উদ্দিন, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সরওয়ার আলম, মাতামুহুরী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বাবলা, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন জয়নাল, সুরাজপুর-মানিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিম, মাতামুহুরী থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নুরে হাবিব তছলিম, চকরিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শহীদুল ইসলাম শহীদ ও চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটু।

এদিকে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচনে না যাওয়ার কারণে এখন পর্যন্ত বিএনপির কোনো সম্ভাব্য প্রার্থী বা নেতাকর্মীকে নির্বাচনী কার্যক্রমে দেখা যায়নি। জাতীয় পার্টির কোন প্রার্থীকে মাঠে দেখা যাচ্ছে না। দলীয় সিদ্ধান্ত পেলে প্রার্থী হতে পারেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে, বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মকছুদুল হক ছুট্টো, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও পূজা কমিটির সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি হায়দার আলী ও বেলাল উদ্দিন শান্ত।