আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাশিয়ায় ২০২৪ সালের ১৭ মার্চে অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির ৭১ বছর বয়সী প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

২০২২ সালে ইউক্রেইনে রাশিয়ার শুরু করা যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য আয়োজিত একটি পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে পুতিন এই ঘোষণা দেন। খবর বিবিসির।

পুতিন নির্বাচনে দাঁড়ালে পঞ্চম মেয়াদে তার আবার নির্বাচিত হওয়া একরকম অনিবার্য। কারণ,তার কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী নেই বললেই চলে। আর রুশ গণমাধ্যমও পুরোপুরি তার নিয়ন্ত্রণে।

২০২০ সালে রাশিয়ার সংবিধান সংশোধন করে প্রেসিডেন্টের মেয়াদ চার থেকে ছয়বছর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এর ফলে আগের মেয়াদ বাতিল করে পুতিন স্পষ্টতই আগামী বছর আবার নির্বাচনে দাঁড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন।

পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শুক্রবার পুতিন বলেন, বিভিন্ন সময়ে আমার বিভিন্ন চিন্তা-ভাবনা ছিল, সে বিষয়টি আমি লুকাব না। কিন্তু এখন একটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়। আমি প্রেসিডেন্ট পদের জন্য লড়ব।

রুশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ বৃহস্পতিবার ভোটাভুটির মাধ্যমে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করার পরদিনই পুতিন এই ঘোষণা দিলেন। তারিখ নির্ধারণের সিদ্ধান্তটি ফেডারেশন কাউন্সিলে সর্বসম্মতিক্রমে ১৬২ ভোটে পাস হয়েছে।

রুশ ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত হওয়া ইউক্রেইনের দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, জাপোরিঝিয়া ও খেরসন অঞ্চলের বাসিন্দারা এবারই প্রথম রাশিয়ার এই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেবেন।

মার্চের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় পেলে পুতিন ২০৩০ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারবেন এবং আবার প্রেসিডেন্ট পদে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলে তিনি আরেক মেয়াদে ২০৩৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থেকে যেতে পারেন।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাশিয়ায় ২০২৪ সালের ১৭ মার্চে অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির ৭১ বছর বয়সী প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

২০২২ সালে ইউক্রেইনে রাশিয়ার শুরু করা যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য আয়োজিত একটি পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে পুতিন এই ঘোষণা দেন। খবর বিবিসির।

পুতিন নির্বাচনে দাঁড়ালে পঞ্চম মেয়াদে তার আবার নির্বাচিত হওয়া একরকম অনিবার্য। কারণ,তার কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী নেই বললেই চলে। আর রুশ গণমাধ্যমও পুরোপুরি তার নিয়ন্ত্রণে।

২০২০ সালে রাশিয়ার সংবিধান সংশোধন করে প্রেসিডেন্টের মেয়াদ চার থেকে ছয়বছর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এর ফলে আগের মেয়াদ বাতিল করে পুতিন স্পষ্টতই আগামী বছর আবার নির্বাচনে দাঁড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন।

পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শুক্রবার পুতিন বলেন, বিভিন্ন সময়ে আমার বিভিন্ন চিন্তা-ভাবনা ছিল, সে বিষয়টি আমি লুকাব না। কিন্তু এখন একটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়। আমি প্রেসিডেন্ট পদের জন্য লড়ব।

রুশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ বৃহস্পতিবার ভোটাভুটির মাধ্যমে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করার পরদিনই পুতিন এই ঘোষণা দিলেন। তারিখ নির্ধারণের সিদ্ধান্তটি ফেডারেশন কাউন্সিলে সর্বসম্মতিক্রমে ১৬২ ভোটে পাস হয়েছে।

রুশ ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত হওয়া ইউক্রেইনের দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, জাপোরিঝিয়া ও খেরসন অঞ্চলের বাসিন্দারা এবারই প্রথম রাশিয়ার এই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেবেন।

মার্চের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় পেলে পুতিন ২০৩০ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারবেন এবং আবার প্রেসিডেন্ট পদে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলে তিনি আরেক মেয়াদে ২০৩৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থেকে যেতে পারেন।