ইজাজুল, উত্তরা প্রতিনিধিঃ রাজধানীর তুরাগ থানার দিয়াবাড়ি পঞ্চবটি, বউবাজার, ৫ নং ব্রিজ সংলগ্ন বাঁশ বাজারসহ অবৈধভাবে রাজউকের প্লট দখল করে হরহামেশা চাঁদাবাজি চলছে। জমজমাট বাজার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে অবৈধ পন্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ও সেই সাথে যত্র-তত্র বৈদ্যুতিক তার দ্বারা প্রতিটি দোকানে বিদ্যুৎ সংযোগে ঝুঁকিতে রয়েছে দোকানীরা।বাজারে অবৈধ ভাবে পানির পাম্প বসিয়ে সরকারী আইন লঙ্ঘন করে পানি সরবরাহ সহ প্রকাশ্য চাঁদাবাজি চলাচ্ছে একটি চিহ্নিত চক্র।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (রাজউক) বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে তাদের ব্যবসা অনায়সে করে যাচ্ছে দখল বাজরা। তবে বিভিন্ন সময় রাজউক এসব অবৈধ বাজার উচ্ছেদ করতে দেখা গেলেও স্থানীয় ভুমি দস্যুরা  তা আবার শুরু করে। কারণ রাজউকের সংশ্লিষ্ঠ প্রকল্প কর্মকর্তা ভুমিদসুদের পরোক্ষভাবে সহযোগীতা করার অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, লাকার বাজার পরিচালনায় শ্রমিক লীগ বা কৃষকলীগ সাইনবোর্ড সর্বস্ব নামধারী নেতা কর্মীরা চাঁদা আদায়ের জন্য মনোনীত লোক নিয়োগ করেছে।
বউ বাজারের এক ফুচকা দোকানী দি ক্রাইম এর প্রতিনিধিকে বলেন, ভাই টাকা দেই দোকানদারি করি, এ বাজার দেখভাল করে রুস্তম ও তার একাধিক সহযোগী। তারা মূলত কথিত শ্রমিকলীগ নেতা পরিচয়ে রমরমা চাঁদাবাজি চালাচ্ছে। তুরাগের বিস্তৃর্ণ জায়গার বিভিন্ন পয়েন্টে একই পদ্ধতিতে রাজউকের তৃতীয় পর্ব প্রকল্পে প্লট দখল করে এহেন চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে  বাজার বসিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে এককালীন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে চক্রটি।
তিনি আরো বলেন,মাসিক মাসোয়ারা সুবিধা ও রাজনৈতিক মাঠে দলীয় কর্মসূচিতে লোক দেখানোর চমক লাগাতে স্থানীয় এমপির  অনুগত  নেতা কর্মীরা ৫০০-৬০০ লোকের যোগান হিসাবে এই বাজারের দোকানীরা ভূমিকা রাখে।
পঞ্চবটি ভেনুতে এক দোকানীর সাথে কথা বলে জানা যায়, এই অবৈধ বাজারের দোকানীরা বাজার কমিটি  চাঁদা আদায়ের জন্য ব্যবসার  কিছু শর্ত জুড়ে দেবার  পাশাপাশি দলীয় কর্মসূচিতে অংশ গ্রহনের বিষয়টি প্রাধান্য দেয়। এ ভাবেই চলছে তুরাগ এলাকার ভ্রামমান অস্থায়ী বাজার।
এ বিষয়ে  রাজউকের প্রকল্প কর্মকর্তা সহকারী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম রফিক দি ক্রাইমকে বলেন, আমরা ইতিমধ্যে এই এলাকায় বারংবার অবৈধ বাজার উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। এবং সামনে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে সরকারী জমি দখল করে চাঁদাবাজির বিষয় আইনের আওতায় আনতে নতুন প্রস্তাবিত ভূমি আইনে জেল সহ জরিমানার কথা উল্লেখ থাকলেও তার কোন তোয়াক্কা করেনা ভূমি দস্যুরা।
ইজাজুল, উত্তরা প্রতিনিধিঃ রাজধানীর তুরাগ থানার দিয়াবাড়ি পঞ্চবটি, বউবাজার, ৫ নং ব্রিজ সংলগ্ন বাঁশ বাজারসহ অবৈধভাবে রাজউকের প্লট দখল করে হরহামেশা চাঁদাবাজি চলছে। জমজমাট বাজার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে অবৈধ পন্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ও সেই সাথে যত্র-তত্র বৈদ্যুতিক তার দ্বারা প্রতিটি দোকানে বিদ্যুৎ সংযোগে ঝুঁকিতে রয়েছে দোকানীরা।বাজারে অবৈধ ভাবে পানির পাম্প বসিয়ে সরকারী আইন লঙ্ঘন করে পানি সরবরাহ সহ প্রকাশ্য চাঁদাবাজি চলাচ্ছে একটি চিহ্নিত চক্র।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (রাজউক) বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে তাদের ব্যবসা অনায়সে করে যাচ্ছে দখল বাজরা। তবে বিভিন্ন সময় রাজউক এসব অবৈধ বাজার উচ্ছেদ করতে দেখা গেলেও স্থানীয় ভুমি দস্যুরা  তা আবার শুরু করে। কারণ রাজউকের সংশ্লিষ্ঠ প্রকল্প কর্মকর্তা ভুমিদসুদের পরোক্ষভাবে সহযোগীতা করার অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, লাকার বাজার পরিচালনায় শ্রমিক লীগ বা কৃষকলীগ সাইনবোর্ড সর্বস্ব নামধারী নেতা কর্মীরা চাঁদা আদায়ের জন্য মনোনীত লোক নিয়োগ করেছে।
বউ বাজারের এক ফুচকা দোকানী দি ক্রাইম এর প্রতিনিধিকে বলেন, ভাই টাকা দেই দোকানদারি করি, এ বাজার দেখভাল করে রুস্তম ও তার একাধিক সহযোগী। তারা মূলত কথিত শ্রমিকলীগ নেতা পরিচয়ে রমরমা চাঁদাবাজি চালাচ্ছে। তুরাগের বিস্তৃর্ণ জায়গার বিভিন্ন পয়েন্টে একই পদ্ধতিতে রাজউকের তৃতীয় পর্ব প্রকল্পে প্লট দখল করে এহেন চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে  বাজার বসিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে এককালীন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে চক্রটি।
তিনি আরো বলেন,মাসিক মাসোয়ারা সুবিধা ও রাজনৈতিক মাঠে দলীয় কর্মসূচিতে লোক দেখানোর চমক লাগাতে স্থানীয় এমপির  অনুগত  নেতা কর্মীরা ৫০০-৬০০ লোকের যোগান হিসাবে এই বাজারের দোকানীরা ভূমিকা রাখে।
পঞ্চবটি ভেনুতে এক দোকানীর সাথে কথা বলে জানা যায়, এই অবৈধ বাজারের দোকানীরা বাজার কমিটি  চাঁদা আদায়ের জন্য ব্যবসার  কিছু শর্ত জুড়ে দেবার  পাশাপাশি দলীয় কর্মসূচিতে অংশ গ্রহনের বিষয়টি প্রাধান্য দেয়। এ ভাবেই চলছে তুরাগ এলাকার ভ্রামমান অস্থায়ী বাজার।
এ বিষয়ে  রাজউকের প্রকল্প কর্মকর্তা সহকারী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম রফিক দি ক্রাইমকে বলেন, আমরা ইতিমধ্যে এই এলাকায় বারংবার অবৈধ বাজার উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। এবং সামনে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে সরকারী জমি দখল করে চাঁদাবাজির বিষয় আইনের আওতায় আনতে নতুন প্রস্তাবিত ভূমি আইনে জেল সহ জরিমানার কথা উল্লেখ থাকলেও তার কোন তোয়াক্কা করেনা ভূমি দস্যুরা।