নুরুল ইসলাম : দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় প্রতিপক্ষ চাচাত ভাইয়ের লাঠির মর্মান্তিক আঘাতে মারা গেলেন উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের এক মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক। ৫৮ বছরের এ শিক্ষকের নাম মাওলানা আবুল কাশেম।আজ বুধবার (১৩ মে) সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে চরম্বা ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডের জান মোহাম্মদ সিকদার পাড়ায়।

তিনি সিকদার পাড়ার মৃত আব্দুস ছোবহানের পুত্র এবং চরম্বা জামেউল উলুম মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক বলে জানা যায়। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার দায়ে সমশুল ইসলাম নামে একজনকে আটক করেছে লোহাগাড়া থানা পুলিশ। জায়গা-জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার মূল কারণ বলে জানান চরম্বা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সৈয়দ হোসেন।

স্থানীয় সূত্রমতে, মাওলানা আবুল কাশেমের সাথে তাঁরই চাচাত ভাই প্রবাসী নুরুল হকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-জমির বিরোধ রয়েছে। ঘটনার দিন সকালে বিরোধীয় জায়গায় প্রবাসী নুরুল হকের নির্দেশনায় বসতঘর নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়। বিষয়টি জানার পর মাওলানা কাশেম ঘটনাস্থলে গিয়ে রাজমিস্ত্রীর ঠিকাদার ইয়াকুবকে বাধা প্রদান করেন। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে বাক-বিতন্ডা হয়। এই বাক- বিতন্ডার সময় ঠিকাদার ইয়াকুব মাওলানা কাশেমের চাচাত ভাই হারুনকে ডেকে আনে। হারুন দৌড়ে এসে মাওলানা আবুল কাশেমের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করে লাঠি দিয়ে। তিনি এতে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে আশংকাজনক অবস্থায় লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।

ঘটনার সংবাদ পেয়ে লোহাগাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। নিহত মাওলানাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণের ব্যবস্থা নেয়। এ ঘটনার ব্যাপারে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। শোকের ছায়া নেমে এসেছে মাওলানা আবুল কাশেমের পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা যায়।

নুরুল ইসলাম : দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় প্রতিপক্ষ চাচাত ভাইয়ের লাঠির মর্মান্তিক আঘাতে মারা গেলেন উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের এক মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক। ৫৮ বছরের এ শিক্ষকের নাম মাওলানা আবুল কাশেম।আজ বুধবার (১৩ মে) সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে চরম্বা ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডের জান মোহাম্মদ সিকদার পাড়ায়।

তিনি সিকদার পাড়ার মৃত আব্দুস ছোবহানের পুত্র এবং চরম্বা জামেউল উলুম মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক বলে জানা যায়। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার দায়ে সমশুল ইসলাম নামে একজনকে আটক করেছে লোহাগাড়া থানা পুলিশ। জায়গা-জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার মূল কারণ বলে জানান চরম্বা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সৈয়দ হোসেন।

স্থানীয় সূত্রমতে, মাওলানা আবুল কাশেমের সাথে তাঁরই চাচাত ভাই প্রবাসী নুরুল হকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-জমির বিরোধ রয়েছে। ঘটনার দিন সকালে বিরোধীয় জায়গায় প্রবাসী নুরুল হকের নির্দেশনায় বসতঘর নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়। বিষয়টি জানার পর মাওলানা কাশেম ঘটনাস্থলে গিয়ে রাজমিস্ত্রীর ঠিকাদার ইয়াকুবকে বাধা প্রদান করেন। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে বাক-বিতন্ডা হয়। এই বাক- বিতন্ডার সময় ঠিকাদার ইয়াকুব মাওলানা কাশেমের চাচাত ভাই হারুনকে ডেকে আনে। হারুন দৌড়ে এসে মাওলানা আবুল কাশেমের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করে লাঠি দিয়ে। তিনি এতে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে আশংকাজনক অবস্থায় লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।

ঘটনার সংবাদ পেয়ে লোহাগাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। নিহত মাওলানাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণের ব্যবস্থা নেয়। এ ঘটনার ব্যাপারে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। শোকের ছায়া নেমে এসেছে মাওলানা আবুল কাশেমের পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা যায়।